ইরানি ড্রোন ধ্বংস করলো মার্কিন রণতরী

ইরানি ড্রোন ধ্বংস করলো মার্কিন রণতরী

আরব সাগরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকে ধেয়ে আসা একটি ইরানি ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এ ঘটনা ঘটেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড (সেন্টকোম)-এর মুখপাত্র এবং নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে অবস্থানরত একটি এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান ড্রোনটি ধ্বংস করেছে। ড্রোনটি আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকে ধেয়ে আসছিলো। তবে আঘাত হানার আগেই তা ধ্বংস করা হয়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’
ইরানের অনলাইন সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজও এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের একটি সামরিক ড্রোন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরব সাগরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। মার্কিন নৌবাহিনী সেটি ধ্বংস করেছে। তবে ড্রোনটি কী কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে, সে সংক্রান্ত কোনো তথ্য তাসনিম নিউজে উল্লেখ করা হয়নি।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী ড্রোন ধ্বংসের বিষয়টি নিশ্চিত করার পর এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে জাতিসংঘে ইরান মিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রয়টার্স, তবে কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি।
গত বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ইরানে তীব্র সরকারবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জলসীমা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং অন্যান্য সামরিক জাহাজ নিয়ে একটি বড় নৌবহর রওনা হয়েছিল। ইরানের ওপর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই নৌবহর মোতায়েনের নির্দেশ দেন। বর্তমানে এই নৌবহর আরব সাগরে অবস্থান করছে।
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সরকারি প্রতিনিধিদের বৈঠক চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ওই বৈঠক আগামী শুক্রবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে।
গত বছরের ডিসেম্বরে ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তা ব্যাপক আকার ধারণ করলে ইরান সরকার কঠোর হস্তে বিদ্রোহীদের দমন করে। তবে বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যাপক জুলুম-নির্যাতন করা হচ্ছে জানিয়ে অবিলম্বে হত্যা বন্ধ করতে বলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এমনকি সামরিক হামলাও চালানো হতে পারে বলেও জানান তিনি। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে রণতরী পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টের নির্দেশ পেয়ে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয় ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং অন্যান্য সামরিক জাহাজ নিয়ে একটি বৃহৎ নৌবহর।
ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নৌবহর মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বর্তমানে এ নৌবহর আরব সাগরে অবস্থান করছে।
এমন এক সময়ে এ ঘটনা ঘটল, যখন ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সরকারি প্রতিনিধিদের বৈঠক চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। আগামী শুক্রবার এ বৈঠক শুরু হওয়ার কথা।
প্রসঙ্গত, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে প্রায় দুই যুগ ধরে উত্তেজনা চলছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে।
সূত্র : রয়টার্স

আরব সাগরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকে ধেয়ে আসা একটি ইরানি ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এ ঘটনা ঘটেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড (সেন্টকোম)-এর মুখপাত্র এবং নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে অবস্থানরত একটি এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান ড্রোনটি ধ্বংস করেছে। ড্রোনটি আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকে ধেয়ে আসছিলো। তবে আঘাত হানার আগেই তা ধ্বংস করা হয়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’
ইরানের অনলাইন সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজও এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের একটি সামরিক ড্রোন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরব সাগরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। মার্কিন নৌবাহিনী সেটি ধ্বংস করেছে। তবে ড্রোনটি কী কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে, সে সংক্রান্ত কোনো তথ্য তাসনিম নিউজে উল্লেখ করা হয়নি।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী ড্রোন ধ্বংসের বিষয়টি নিশ্চিত করার পর এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে জাতিসংঘে ইরান মিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রয়টার্স, তবে কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি।
গত বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ইরানে তীব্র সরকারবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জলসীমা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং অন্যান্য সামরিক জাহাজ নিয়ে একটি বড় নৌবহর রওনা হয়েছিল। ইরানের ওপর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই নৌবহর মোতায়েনের নির্দেশ দেন। বর্তমানে এই নৌবহর আরব সাগরে অবস্থান করছে।
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সরকারি প্রতিনিধিদের বৈঠক চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ওই বৈঠক আগামী শুক্রবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে।
গত বছরের ডিসেম্বরে ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তা ব্যাপক আকার ধারণ করলে ইরান সরকার কঠোর হস্তে বিদ্রোহীদের দমন করে। তবে বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যাপক জুলুম-নির্যাতন করা হচ্ছে জানিয়ে অবিলম্বে হত্যা বন্ধ করতে বলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এমনকি সামরিক হামলাও চালানো হতে পারে বলেও জানান তিনি। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে রণতরী পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টের নির্দেশ পেয়ে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয় ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং অন্যান্য সামরিক জাহাজ নিয়ে একটি বৃহৎ নৌবহর।
ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নৌবহর মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বর্তমানে এ নৌবহর আরব সাগরে অবস্থান করছে।
এমন এক সময়ে এ ঘটনা ঘটল, যখন ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সরকারি প্রতিনিধিদের বৈঠক চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। আগামী শুক্রবার এ বৈঠক শুরু হওয়ার কথা।
প্রসঙ্গত, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে প্রায় দুই যুগ ধরে উত্তেজনা চলছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে।
সূত্র : রয়টার্স

ইরানি ড্রোন ধ্বংস করলো মার্কিন রণতরী

আরব সাগরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকে ধেয়ে আসা একটি ইরানি ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এ ঘটনা ঘটেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড (সেন্টকোম)-এর মুখপাত্র এবং নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে অবস্থানরত একটি এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান ড্রোনটি ধ্বংস করেছে। ড্রোনটি আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকে ধেয়ে আসছিলো। তবে আঘাত হানার আগেই তা ধ্বংস করা হয়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’
ইরানের অনলাইন সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজও এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের একটি সামরিক ড্রোন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরব সাগরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। মার্কিন নৌবাহিনী সেটি ধ্বংস করেছে। তবে ড্রোনটি কী কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে, সে সংক্রান্ত কোনো তথ্য তাসনিম নিউজে উল্লেখ করা হয়নি।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী ড্রোন ধ্বংসের বিষয়টি নিশ্চিত করার পর এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে জাতিসংঘে ইরান মিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রয়টার্স, তবে কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি।
গত বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ইরানে তীব্র সরকারবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জলসীমা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং অন্যান্য সামরিক জাহাজ নিয়ে একটি বড় নৌবহর রওনা হয়েছিল। ইরানের ওপর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই নৌবহর মোতায়েনের নির্দেশ দেন। বর্তমানে এই নৌবহর আরব সাগরে অবস্থান করছে।
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সরকারি প্রতিনিধিদের বৈঠক চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ওই বৈঠক আগামী শুক্রবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে।
গত বছরের ডিসেম্বরে ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তা ব্যাপক আকার ধারণ করলে ইরান সরকার কঠোর হস্তে বিদ্রোহীদের দমন করে। তবে বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যাপক জুলুম-নির্যাতন করা হচ্ছে জানিয়ে অবিলম্বে হত্যা বন্ধ করতে বলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এমনকি সামরিক হামলাও চালানো হতে পারে বলেও জানান তিনি। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে রণতরী পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টের নির্দেশ পেয়ে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয় ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং অন্যান্য সামরিক জাহাজ নিয়ে একটি বৃহৎ নৌবহর।
ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নৌবহর মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বর্তমানে এ নৌবহর আরব সাগরে অবস্থান করছে।
এমন এক সময়ে এ ঘটনা ঘটল, যখন ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সরকারি প্রতিনিধিদের বৈঠক চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। আগামী শুক্রবার এ বৈঠক শুরু হওয়ার কথা।
প্রসঙ্গত, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে প্রায় দুই যুগ ধরে উত্তেজনা চলছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে।
সূত্র : রয়টার্স




