সংঘাত শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ২৬২ ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত

সংঘাত শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ২৬২ ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত
সিজেডএন ডেস্ক

২০২৩ সালে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৬২ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও ৪৩৩ জন। নিহত এই গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ২৬ জন নারী সাংবাদিকও রয়েছেন।
ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের প্রতি সংহতি আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য প্রকাশ করেছে গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফিলিস্তিনি সাংবাদিকরা, বিশেষ করে গাজায় থাকা সংবাদকর্মীরা সবচেয়ে ভয়াবহ ও ভয়ঙ্কর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া, গুপ্তহত্যা এবং পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছেন। কেবল প্রাণহানি বা শারীরিক আঘাতই নয়, এ দীর্ঘ সংঘাতে ইসরায়েলি বাহিনী ৫০ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে ২৩ জন এখনো বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন।
সংঘাতের কারণে ফিলিস্তিনের পুরো গণমাধ্যম খাতের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৮০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ইসরায়েলি হামলায় ১২টি প্রিন্ট মিডিয়া অফিস, ২৩টি ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম, ১২টি স্থানীয় রেডিও স্টেশন, ১৬টি টেলিভিশন ও স্যাটেলাইট চ্যানেল, ২৭টি প্রিন্টিং প্রেস এবং পাঁচটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা সংস্থার কার্যালয় হয় সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে।
সাংবাদিকদের ওপর এমন নির্বিচার হামলা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক মহলের দ্বারস্থ হয়েছে গাজা প্রশাসন। ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের আইনি ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ফেডারেশন, আরব সাংবাদিক ফেডারেশনসহ বিশ্ব সম্প্রদায়কে অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত প্রায় ৭৪ হাজার মানুষ নিহত এবং ১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এমনকি একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও ইসরায়েল বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। ফলে পরবর্তীতে আরও ১ হাজার ৪০৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৯১৬ জন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

২০২৩ সালে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৬২ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও ৪৩৩ জন। নিহত এই গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ২৬ জন নারী সাংবাদিকও রয়েছেন।
ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের প্রতি সংহতি আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য প্রকাশ করেছে গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফিলিস্তিনি সাংবাদিকরা, বিশেষ করে গাজায় থাকা সংবাদকর্মীরা সবচেয়ে ভয়াবহ ও ভয়ঙ্কর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া, গুপ্তহত্যা এবং পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছেন। কেবল প্রাণহানি বা শারীরিক আঘাতই নয়, এ দীর্ঘ সংঘাতে ইসরায়েলি বাহিনী ৫০ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে ২৩ জন এখনো বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন।
সংঘাতের কারণে ফিলিস্তিনের পুরো গণমাধ্যম খাতের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৮০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ইসরায়েলি হামলায় ১২টি প্রিন্ট মিডিয়া অফিস, ২৩টি ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম, ১২টি স্থানীয় রেডিও স্টেশন, ১৬টি টেলিভিশন ও স্যাটেলাইট চ্যানেল, ২৭টি প্রিন্টিং প্রেস এবং পাঁচটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা সংস্থার কার্যালয় হয় সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে।
সাংবাদিকদের ওপর এমন নির্বিচার হামলা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক মহলের দ্বারস্থ হয়েছে গাজা প্রশাসন। ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের আইনি ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ফেডারেশন, আরব সাংবাদিক ফেডারেশনসহ বিশ্ব সম্প্রদায়কে অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত প্রায় ৭৪ হাজার মানুষ নিহত এবং ১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এমনকি একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও ইসরায়েল বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। ফলে পরবর্তীতে আরও ১ হাজার ৪০৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৯১৬ জন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সংঘাত শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ২৬২ ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত
সিজেডএন ডেস্ক

২০২৩ সালে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৬২ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও ৪৩৩ জন। নিহত এই গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ২৬ জন নারী সাংবাদিকও রয়েছেন।
ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের প্রতি সংহতি আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য প্রকাশ করেছে গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফিলিস্তিনি সাংবাদিকরা, বিশেষ করে গাজায় থাকা সংবাদকর্মীরা সবচেয়ে ভয়াবহ ও ভয়ঙ্কর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া, গুপ্তহত্যা এবং পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছেন। কেবল প্রাণহানি বা শারীরিক আঘাতই নয়, এ দীর্ঘ সংঘাতে ইসরায়েলি বাহিনী ৫০ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে ২৩ জন এখনো বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন।
সংঘাতের কারণে ফিলিস্তিনের পুরো গণমাধ্যম খাতের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৮০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ইসরায়েলি হামলায় ১২টি প্রিন্ট মিডিয়া অফিস, ২৩টি ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম, ১২টি স্থানীয় রেডিও স্টেশন, ১৬টি টেলিভিশন ও স্যাটেলাইট চ্যানেল, ২৭টি প্রিন্টিং প্রেস এবং পাঁচটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা সংস্থার কার্যালয় হয় সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে।
সাংবাদিকদের ওপর এমন নির্বিচার হামলা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক মহলের দ্বারস্থ হয়েছে গাজা প্রশাসন। ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের আইনি ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ফেডারেশন, আরব সাংবাদিক ফেডারেশনসহ বিশ্ব সম্প্রদায়কে অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত প্রায় ৭৪ হাজার মানুষ নিহত এবং ১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এমনকি একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও ইসরায়েল বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। ফলে পরবর্তীতে আরও ১ হাজার ৪০৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৯১৬ জন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

গাজায় নিজেদের ড্রোন বিস্ফোরণে ২ ইসরায়েলি সেনা নিহত







