সাত দিনের মধ্যে হরমুজ খুলে দেওয়ার প্রস্তাব ইরানের

সাত দিনের মধ্যে হরমুজ খুলে দেওয়ার প্রস্তাব ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত থামানো এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আগামী সাত দিনের মধ্যে পুনরায় খুলে দেওয়ার একটি প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থানরত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন।
মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ হলে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে নৌপথটি উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করা সম্ভব।
এর আগে জাপানি বার্তাসংস্থা কিয়োদো ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রথম এই খবরের কথা প্রকাশ করলেও সে দেশের স্থানীয় গণমাধ্যম তা প্রত্যাখ্যান করেছিল। তবে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠকে বসেন আরাঘচি।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এ প্রস্তাবে লেবাননসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে টানা সাত দিনের জন্য সব ধরনের সামরিক সংঘাত পুরোপুরি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে তেহরান।
এ যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের বিনিময়ে বেশ কিছু বড় দাবি তুলেছে ইরান। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবরুদ্ধ করে রাখা ইরানের প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি (১২ বিলিয়ন) ডলারের সম্পদ ছাড় করা, ইরানি তেলের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং দেশটির বিরুদ্ধে চলা মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া।
শর্তগুলো পূরণ হলে যুদ্ধবিরতির সপ্তম দিনে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চলাচলের উপযোগী করে তুলবে তেহরান। আরাঘচি জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি নিয়ে এখন তারা যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন। এ উদ্যোগে চীনেরও পূর্ণ কূটনৈতিক সমর্থন রয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফরে থাকা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
এর আগে জুনে সংঘাতের অবসান, প্রণালি খুলে দেওয়া এবং পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। কিন্তু চুক্তির কিছুদিন পরই তা ভেস্তে যায়।
মূলত হরমুজ প্রণালিতে নির্ধারিত অনুমোদিত রুট থেকে বিচ্যুত হওয়ার অভিযোগে কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার পর পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিজেদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো জাহাজ চলাচলের আগে তেহরানের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে ইরান। এ নির্দেশ অমান্যকারী জাহাজগুলোকে তারা নিয়মিত নিশানা বানিয়ে আসছে, যার জবাবে মার্কিন বাহিনীও দেশটির উপকূলীয় এলাকায় বিমান ও বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত থামানো এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আগামী সাত দিনের মধ্যে পুনরায় খুলে দেওয়ার একটি প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থানরত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন।
মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ হলে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে নৌপথটি উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করা সম্ভব।
এর আগে জাপানি বার্তাসংস্থা কিয়োদো ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রথম এই খবরের কথা প্রকাশ করলেও সে দেশের স্থানীয় গণমাধ্যম তা প্রত্যাখ্যান করেছিল। তবে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠকে বসেন আরাঘচি।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এ প্রস্তাবে লেবাননসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে টানা সাত দিনের জন্য সব ধরনের সামরিক সংঘাত পুরোপুরি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে তেহরান।
এ যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের বিনিময়ে বেশ কিছু বড় দাবি তুলেছে ইরান। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবরুদ্ধ করে রাখা ইরানের প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি (১২ বিলিয়ন) ডলারের সম্পদ ছাড় করা, ইরানি তেলের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং দেশটির বিরুদ্ধে চলা মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া।
শর্তগুলো পূরণ হলে যুদ্ধবিরতির সপ্তম দিনে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চলাচলের উপযোগী করে তুলবে তেহরান। আরাঘচি জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি নিয়ে এখন তারা যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন। এ উদ্যোগে চীনেরও পূর্ণ কূটনৈতিক সমর্থন রয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফরে থাকা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
এর আগে জুনে সংঘাতের অবসান, প্রণালি খুলে দেওয়া এবং পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। কিন্তু চুক্তির কিছুদিন পরই তা ভেস্তে যায়।
মূলত হরমুজ প্রণালিতে নির্ধারিত অনুমোদিত রুট থেকে বিচ্যুত হওয়ার অভিযোগে কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার পর পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিজেদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো জাহাজ চলাচলের আগে তেহরানের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে ইরান। এ নির্দেশ অমান্যকারী জাহাজগুলোকে তারা নিয়মিত নিশানা বানিয়ে আসছে, যার জবাবে মার্কিন বাহিনীও দেশটির উপকূলীয় এলাকায় বিমান ও বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

সাত দিনের মধ্যে হরমুজ খুলে দেওয়ার প্রস্তাব ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত থামানো এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আগামী সাত দিনের মধ্যে পুনরায় খুলে দেওয়ার একটি প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থানরত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন।
মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ হলে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে নৌপথটি উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করা সম্ভব।
এর আগে জাপানি বার্তাসংস্থা কিয়োদো ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রথম এই খবরের কথা প্রকাশ করলেও সে দেশের স্থানীয় গণমাধ্যম তা প্রত্যাখ্যান করেছিল। তবে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠকে বসেন আরাঘচি।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এ প্রস্তাবে লেবাননসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে টানা সাত দিনের জন্য সব ধরনের সামরিক সংঘাত পুরোপুরি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে তেহরান।
এ যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের বিনিময়ে বেশ কিছু বড় দাবি তুলেছে ইরান। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবরুদ্ধ করে রাখা ইরানের প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি (১২ বিলিয়ন) ডলারের সম্পদ ছাড় করা, ইরানি তেলের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং দেশটির বিরুদ্ধে চলা মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া।
শর্তগুলো পূরণ হলে যুদ্ধবিরতির সপ্তম দিনে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চলাচলের উপযোগী করে তুলবে তেহরান। আরাঘচি জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি নিয়ে এখন তারা যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন। এ উদ্যোগে চীনেরও পূর্ণ কূটনৈতিক সমর্থন রয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফরে থাকা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
এর আগে জুনে সংঘাতের অবসান, প্রণালি খুলে দেওয়া এবং পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। কিন্তু চুক্তির কিছুদিন পরই তা ভেস্তে যায়।
মূলত হরমুজ প্রণালিতে নির্ধারিত অনুমোদিত রুট থেকে বিচ্যুত হওয়ার অভিযোগে কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার পর পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিজেদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো জাহাজ চলাচলের আগে তেহরানের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে ইরান। এ নির্দেশ অমান্যকারী জাহাজগুলোকে তারা নিয়মিত নিশানা বানিয়ে আসছে, যার জবাবে মার্কিন বাহিনীও দেশটির উপকূলীয় এলাকায় বিমান ও বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশল বদলাতে বাধ্য করেছে: আইআরজিসি







