ইয়েমেনে পেট্রোল পাম্পে সৌদি জোটের বিমান হামলা, নিহত ১২

ইয়েমেনে পেট্রোল পাম্পে সৌদি জোটের বিমান হামলা, নিহত ১২
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইয়েমেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জাওয়াফ প্রদেশের হাজম এলাকায় একটি ব্যস্ত পেট্রোল পাম্পে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বুধবার (২৮ অক্টোবর) এ বোমাবর্ষণের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন, আর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম আল-মাসিরাহ টিভি এ হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে।
জুলাই মাস থেকেই সৌদি জোট ও হুথিদের দীর্ঘদিনের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়, যা সেপ্টেম্বরের দিকে এসে পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে রূপ নেয়। বিশেষ করে হুথিরা বন্দরনগরী মোখাসহ ইয়েমেনের বেশ কিছু কৌশলগত অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তাদের ওইসব এলাকা থেকে হটিয়ে দিতেই মাঠে নামে সৌদি জোট, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ডন অব ইয়েমেন’।
তবে সংঘাতের বাইরেও পর্দার অন্তরালে চলছে নানামুখী কূটনৈতিক তৎপরতা। জানা গেছে, সৌদি আরবের তেল স্থাপনা, বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটিতে হামলা বন্ধ করার শর্তে হুথি বিদ্রোহীদের ১ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে রিয়াদ। আর এ পুরো প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে ইরান।
এ বিশাল আর্থিক প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো- যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকার সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়া বেসামরিক অবকাঠামোগুলো পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনাও এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে সৌদি আরবের এ প্রস্তাবের বিপরীতে শেষ পর্যন্ত আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইয়েমেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জাওয়াফ প্রদেশের হাজম এলাকায় একটি ব্যস্ত পেট্রোল পাম্পে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বুধবার (২৮ অক্টোবর) এ বোমাবর্ষণের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন, আর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম আল-মাসিরাহ টিভি এ হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে।
জুলাই মাস থেকেই সৌদি জোট ও হুথিদের দীর্ঘদিনের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়, যা সেপ্টেম্বরের দিকে এসে পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে রূপ নেয়। বিশেষ করে হুথিরা বন্দরনগরী মোখাসহ ইয়েমেনের বেশ কিছু কৌশলগত অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তাদের ওইসব এলাকা থেকে হটিয়ে দিতেই মাঠে নামে সৌদি জোট, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ডন অব ইয়েমেন’।
তবে সংঘাতের বাইরেও পর্দার অন্তরালে চলছে নানামুখী কূটনৈতিক তৎপরতা। জানা গেছে, সৌদি আরবের তেল স্থাপনা, বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটিতে হামলা বন্ধ করার শর্তে হুথি বিদ্রোহীদের ১ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে রিয়াদ। আর এ পুরো প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে ইরান।
এ বিশাল আর্থিক প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো- যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকার সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়া বেসামরিক অবকাঠামোগুলো পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনাও এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে সৌদি আরবের এ প্রস্তাবের বিপরীতে শেষ পর্যন্ত আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইয়েমেনে পেট্রোল পাম্পে সৌদি জোটের বিমান হামলা, নিহত ১২
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইয়েমেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জাওয়াফ প্রদেশের হাজম এলাকায় একটি ব্যস্ত পেট্রোল পাম্পে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বুধবার (২৮ অক্টোবর) এ বোমাবর্ষণের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন, আর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম আল-মাসিরাহ টিভি এ হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে।
জুলাই মাস থেকেই সৌদি জোট ও হুথিদের দীর্ঘদিনের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়, যা সেপ্টেম্বরের দিকে এসে পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে রূপ নেয়। বিশেষ করে হুথিরা বন্দরনগরী মোখাসহ ইয়েমেনের বেশ কিছু কৌশলগত অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তাদের ওইসব এলাকা থেকে হটিয়ে দিতেই মাঠে নামে সৌদি জোট, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ডন অব ইয়েমেন’।
তবে সংঘাতের বাইরেও পর্দার অন্তরালে চলছে নানামুখী কূটনৈতিক তৎপরতা। জানা গেছে, সৌদি আরবের তেল স্থাপনা, বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটিতে হামলা বন্ধ করার শর্তে হুথি বিদ্রোহীদের ১ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে রিয়াদ। আর এ পুরো প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে ইরান।
এ বিশাল আর্থিক প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো- যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকার সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়া বেসামরিক অবকাঠামোগুলো পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনাও এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে সৌদি আরবের এ প্রস্তাবের বিপরীতে শেষ পর্যন্ত আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইয়েমেনে ব্যাপক সেনা অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ৩ শতাধিক হুথি সদস্য নিহত







