তেল ছড়িয়ে পড়ার পর শারজাহর সব সৈকত বন্ধ ঘোষণা

তেল ছড়িয়ে পড়ার পর শারজাহর সব সৈকত বন্ধ ঘোষণা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলের কাছে ট্যাঙ্কার থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ার পর শারজাহ তাদের সবকটি সৈকত পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করেছে। গত সপ্তাহে সমুদ্র উপকূলে তেল ভাসতে দেখার পর জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নেয়।
সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিশেষায়িত দল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সৈকতগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দূষণ ছড়ানো বন্ধে কাজ করছে। এছাড়া সাধারণ মানুষ ও দর্শনার্থীদের সব ধরনের নির্দেশনা মেনে চলার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, গুজব না ছড়িয়ে কেবল সরকারি তথ্যের ওপর ভরসা রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এর আগে ২৩ অক্টোবর প্রথম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আল হামরিয়াহ সৈকত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। তখনই জেলে ও সমুদ্রযাত্রীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয় স্থানীয় প্রশাসন।
কয়েক দিন আগে স্থানীয় বাসিন্দারা চারপাশে ‘জ্বালানি তেলের মতো’ তীব্র গন্ধ পাওয়ার অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করে উম্ম আল কুয়াইনের উপকূলীয় এলাকায় তেল ছড়িয়ে পড়ার কারণেই এ গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে।
এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, মূল্যায়ন সম্পন্ন করে নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চিহ্নিত না করা পর্যন্ত উম্ম আল কুয়াইনের সমস্ত সৈকত ও উপকূলীয় এলাকা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর পরপরই রাস আল খাইমাহ প্রশাসনও কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ না দর্শিয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সৈকতগুলো বন্ধের নির্দেশ দেয়।
সৈকত ও সমুদ্রে নিষেধাজ্ঞা থাকায় স্থানীয় জেলেদের স্বাভাবিক কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে উম্ম আল কুয়াইনের মাছ বাজারের বিক্রেতারা জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে মাছ ধরা বন্ধ থাকলেও বাজারে তাজা মাছের সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। ওমান থেকে প্রতিদিন নতুন মাছ আসছে এবং প্রায় সব ধরনের মাছ আগের মতো পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে সমুদ্রের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কারিগরি দল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মূল্যায়ন কাজ শেষ হলে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী নির্দেশনা জানানো হবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।
সূত্র: গালফ নিউজ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলের কাছে ট্যাঙ্কার থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ার পর শারজাহ তাদের সবকটি সৈকত পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করেছে। গত সপ্তাহে সমুদ্র উপকূলে তেল ভাসতে দেখার পর জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নেয়।
সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিশেষায়িত দল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সৈকতগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দূষণ ছড়ানো বন্ধে কাজ করছে। এছাড়া সাধারণ মানুষ ও দর্শনার্থীদের সব ধরনের নির্দেশনা মেনে চলার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, গুজব না ছড়িয়ে কেবল সরকারি তথ্যের ওপর ভরসা রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এর আগে ২৩ অক্টোবর প্রথম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আল হামরিয়াহ সৈকত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। তখনই জেলে ও সমুদ্রযাত্রীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয় স্থানীয় প্রশাসন।
কয়েক দিন আগে স্থানীয় বাসিন্দারা চারপাশে ‘জ্বালানি তেলের মতো’ তীব্র গন্ধ পাওয়ার অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করে উম্ম আল কুয়াইনের উপকূলীয় এলাকায় তেল ছড়িয়ে পড়ার কারণেই এ গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে।
এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, মূল্যায়ন সম্পন্ন করে নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চিহ্নিত না করা পর্যন্ত উম্ম আল কুয়াইনের সমস্ত সৈকত ও উপকূলীয় এলাকা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর পরপরই রাস আল খাইমাহ প্রশাসনও কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ না দর্শিয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সৈকতগুলো বন্ধের নির্দেশ দেয়।
সৈকত ও সমুদ্রে নিষেধাজ্ঞা থাকায় স্থানীয় জেলেদের স্বাভাবিক কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে উম্ম আল কুয়াইনের মাছ বাজারের বিক্রেতারা জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে মাছ ধরা বন্ধ থাকলেও বাজারে তাজা মাছের সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। ওমান থেকে প্রতিদিন নতুন মাছ আসছে এবং প্রায় সব ধরনের মাছ আগের মতো পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে সমুদ্রের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কারিগরি দল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মূল্যায়ন কাজ শেষ হলে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী নির্দেশনা জানানো হবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।
সূত্র: গালফ নিউজ

তেল ছড়িয়ে পড়ার পর শারজাহর সব সৈকত বন্ধ ঘোষণা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলের কাছে ট্যাঙ্কার থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ার পর শারজাহ তাদের সবকটি সৈকত পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করেছে। গত সপ্তাহে সমুদ্র উপকূলে তেল ভাসতে দেখার পর জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নেয়।
সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিশেষায়িত দল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সৈকতগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দূষণ ছড়ানো বন্ধে কাজ করছে। এছাড়া সাধারণ মানুষ ও দর্শনার্থীদের সব ধরনের নির্দেশনা মেনে চলার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, গুজব না ছড়িয়ে কেবল সরকারি তথ্যের ওপর ভরসা রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এর আগে ২৩ অক্টোবর প্রথম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আল হামরিয়াহ সৈকত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। তখনই জেলে ও সমুদ্রযাত্রীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয় স্থানীয় প্রশাসন।
কয়েক দিন আগে স্থানীয় বাসিন্দারা চারপাশে ‘জ্বালানি তেলের মতো’ তীব্র গন্ধ পাওয়ার অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করে উম্ম আল কুয়াইনের উপকূলীয় এলাকায় তেল ছড়িয়ে পড়ার কারণেই এ গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে।
এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, মূল্যায়ন সম্পন্ন করে নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চিহ্নিত না করা পর্যন্ত উম্ম আল কুয়াইনের সমস্ত সৈকত ও উপকূলীয় এলাকা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর পরপরই রাস আল খাইমাহ প্রশাসনও কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ না দর্শিয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সৈকতগুলো বন্ধের নির্দেশ দেয়।
সৈকত ও সমুদ্রে নিষেধাজ্ঞা থাকায় স্থানীয় জেলেদের স্বাভাবিক কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে উম্ম আল কুয়াইনের মাছ বাজারের বিক্রেতারা জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে মাছ ধরা বন্ধ থাকলেও বাজারে তাজা মাছের সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। ওমান থেকে প্রতিদিন নতুন মাছ আসছে এবং প্রায় সব ধরনের মাছ আগের মতো পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে সমুদ্রের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কারিগরি দল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মূল্যায়ন কাজ শেষ হলে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী নির্দেশনা জানানো হবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।
সূত্র: গালফ নিউজ

নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট বাঁধার আহ্বান বিরোধী নেতার







