চীনে চাকরির প্রলোভনে ঢাকায় এনে আটকে রাখা হয় ১২ নারীকে

চীনে চাকরির প্রলোভনে ঢাকায় এনে আটকে রাখা হয় ১২ নারীকে
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

চীনে উচ্চ বেতনে চাকরি ও নানা সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ১২ নারীকে ঢাকায় আনার পর একটি বাসায় আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। তাদের বিদেশে পাচারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এ সময় তাদের বিভিন্ন অনৈতিক কাজে যুক্ত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়।
গত সোমবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে ওই ১২ নারীকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি-১) একটি দল। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।
এসআরবি জানায়, চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় করা একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে তাদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার হওয়া নারীদের বৈধ ভ্রমণসংক্রান্ত কাগজপত্র ও পাসপোর্ট ছাড়াই চীনে পাচারের পরিকল্পনা চলছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
সংস্থাটি জানায়, গত সোমবার বায়েজিদ বোস্তামী থানা থেকে নিখোঁজ দুই নারীকে উদ্ধারের অনুরোধ পাওয়ার পর অভিযান শুরু হয়। ওই দিন বেলা তিনটার দিকে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার জমজম টাওয়ার এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত একটা পর্যন্ত ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ১০ নারীকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া নারীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এসআরবি জানায়, চীনে নিয়ে ভালো বেতনে চাকরি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা বলে তাদের ঢাকায় আনা হয়েছিল। পরে বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে একটি বাসায় জোর করে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়ানোর প্রলোভন দেখানো হয়েছিল।
এসআরবি আরও জানায়, উদ্ধার হওয়া ১২ নারীকে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চীনে উচ্চ বেতনে চাকরি ও নানা সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ১২ নারীকে ঢাকায় আনার পর একটি বাসায় আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। তাদের বিদেশে পাচারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এ সময় তাদের বিভিন্ন অনৈতিক কাজে যুক্ত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়।
গত সোমবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে ওই ১২ নারীকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি-১) একটি দল। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।
এসআরবি জানায়, চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় করা একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে তাদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার হওয়া নারীদের বৈধ ভ্রমণসংক্রান্ত কাগজপত্র ও পাসপোর্ট ছাড়াই চীনে পাচারের পরিকল্পনা চলছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
সংস্থাটি জানায়, গত সোমবার বায়েজিদ বোস্তামী থানা থেকে নিখোঁজ দুই নারীকে উদ্ধারের অনুরোধ পাওয়ার পর অভিযান শুরু হয়। ওই দিন বেলা তিনটার দিকে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার জমজম টাওয়ার এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত একটা পর্যন্ত ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ১০ নারীকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া নারীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এসআরবি জানায়, চীনে নিয়ে ভালো বেতনে চাকরি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা বলে তাদের ঢাকায় আনা হয়েছিল। পরে বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে একটি বাসায় জোর করে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়ানোর প্রলোভন দেখানো হয়েছিল।
এসআরবি আরও জানায়, উদ্ধার হওয়া ১২ নারীকে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চীনে চাকরির প্রলোভনে ঢাকায় এনে আটকে রাখা হয় ১২ নারীকে
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

চীনে উচ্চ বেতনে চাকরি ও নানা সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ১২ নারীকে ঢাকায় আনার পর একটি বাসায় আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। তাদের বিদেশে পাচারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এ সময় তাদের বিভিন্ন অনৈতিক কাজে যুক্ত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়।
গত সোমবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে ওই ১২ নারীকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি-১) একটি দল। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।
এসআরবি জানায়, চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় করা একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে তাদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার হওয়া নারীদের বৈধ ভ্রমণসংক্রান্ত কাগজপত্র ও পাসপোর্ট ছাড়াই চীনে পাচারের পরিকল্পনা চলছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
সংস্থাটি জানায়, গত সোমবার বায়েজিদ বোস্তামী থানা থেকে নিখোঁজ দুই নারীকে উদ্ধারের অনুরোধ পাওয়ার পর অভিযান শুরু হয়। ওই দিন বেলা তিনটার দিকে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার জমজম টাওয়ার এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত একটা পর্যন্ত ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ১০ নারীকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া নারীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এসআরবি জানায়, চীনে নিয়ে ভালো বেতনে চাকরি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা বলে তাদের ঢাকায় আনা হয়েছিল। পরে বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে একটি বাসায় জোর করে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়ানোর প্রলোভন দেখানো হয়েছিল।
এসআরবি আরও জানায়, উদ্ধার হওয়া ১২ নারীকে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।









