যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কমাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ পাকিস্তান: শেহবাজ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কমাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ পাকিস্তান: শেহবাজ
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শেহবাজ শরিফ জানান, প্রতিবেশী দেশ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি আন্তরিক ও নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে তার দেশ।
এ সময় তিনি জানান, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার নিজের স্বাক্ষরে ইসলামাবাদে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। তবে এর পরের ঘটনাপ্রবাহ কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
কয়েক সপ্তাহ পর ১৮ জুন পাকিস্তান ও কাতারের সহযোগিতায় ইসলামাবাদে সেই সমঝোতা স্মারক সই হয়। এতে যুদ্ধরত দুই পক্ষকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির জন্য আলোচনার সুযোগ এবং ৬০ দিনের একটি কাঠামো দেওয়া হয়েছিল। তবে এর পরপরই দুই পক্ষ আবার পালটাপালটি হামলা শুরু করায় উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শেহবাজ শরিফ বলেন, ‘পাকিস্তান এ বিষয়ে পুরোপুরি মনোযোগী। আমরা আশা হারাইনি। পরিস্থিতি শান্ত করতে আরও চেষ্টা চালিয়ে যেতে এবং এতে অগ্রগতি অর্জনে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
এদিকে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা পরোক্ষ আলোচনায় বসেছিলেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও বৈঠক হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জানান, এটি একটি ‘চলমান প্রক্রিয়া’। বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বন্ধুপ্রতিম সব দেশই নিজ নিজ অবস্থান থেকে জোরালো ভূমিকা রাখছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শেহবাজ শরিফ জানান, প্রতিবেশী দেশ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি আন্তরিক ও নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে তার দেশ।
এ সময় তিনি জানান, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার নিজের স্বাক্ষরে ইসলামাবাদে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। তবে এর পরের ঘটনাপ্রবাহ কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
কয়েক সপ্তাহ পর ১৮ জুন পাকিস্তান ও কাতারের সহযোগিতায় ইসলামাবাদে সেই সমঝোতা স্মারক সই হয়। এতে যুদ্ধরত দুই পক্ষকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির জন্য আলোচনার সুযোগ এবং ৬০ দিনের একটি কাঠামো দেওয়া হয়েছিল। তবে এর পরপরই দুই পক্ষ আবার পালটাপালটি হামলা শুরু করায় উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শেহবাজ শরিফ বলেন, ‘পাকিস্তান এ বিষয়ে পুরোপুরি মনোযোগী। আমরা আশা হারাইনি। পরিস্থিতি শান্ত করতে আরও চেষ্টা চালিয়ে যেতে এবং এতে অগ্রগতি অর্জনে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
এদিকে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা পরোক্ষ আলোচনায় বসেছিলেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও বৈঠক হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জানান, এটি একটি ‘চলমান প্রক্রিয়া’। বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বন্ধুপ্রতিম সব দেশই নিজ নিজ অবস্থান থেকে জোরালো ভূমিকা রাখছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কমাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ পাকিস্তান: শেহবাজ
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শেহবাজ শরিফ জানান, প্রতিবেশী দেশ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি আন্তরিক ও নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে তার দেশ।
এ সময় তিনি জানান, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার নিজের স্বাক্ষরে ইসলামাবাদে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। তবে এর পরের ঘটনাপ্রবাহ কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
কয়েক সপ্তাহ পর ১৮ জুন পাকিস্তান ও কাতারের সহযোগিতায় ইসলামাবাদে সেই সমঝোতা স্মারক সই হয়। এতে যুদ্ধরত দুই পক্ষকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির জন্য আলোচনার সুযোগ এবং ৬০ দিনের একটি কাঠামো দেওয়া হয়েছিল। তবে এর পরপরই দুই পক্ষ আবার পালটাপালটি হামলা শুরু করায় উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শেহবাজ শরিফ বলেন, ‘পাকিস্তান এ বিষয়ে পুরোপুরি মনোযোগী। আমরা আশা হারাইনি। পরিস্থিতি শান্ত করতে আরও চেষ্টা চালিয়ে যেতে এবং এতে অগ্রগতি অর্জনে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
এদিকে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা পরোক্ষ আলোচনায় বসেছিলেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও বৈঠক হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জানান, এটি একটি ‘চলমান প্রক্রিয়া’। বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বন্ধুপ্রতিম সব দেশই নিজ নিজ অবস্থান থেকে জোরালো ভূমিকা রাখছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আফগানিস্তানে ব্যাপক বিমান হামলা পাকিস্তানের, নিহত ৪







