মক্কা-রিয়াদসহ সৌদি আরবের একাধিক অঞ্চলে উচ্চ সতর্কতা জারি

মক্কা-রিয়াদসহ সৌদি আরবের একাধিক অঞ্চলে উচ্চ সতর্কতা জারি
সিজেডএন ডেস্ক

পবিত্র মক্কা নগরীসহ সৌদি আরবের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে হঠাৎ করেই সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ। সাধারণত ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা ড্রোন হামলার সুনির্দিষ্ট শঙ্কা তৈরি হলেই কেবল দেশটির জাতীয় আগাম সতর্কীকরণ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এ ধরনের অ্যালার্ট দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি জরুরি বার্তা মক্কার পাশাপাশি লোহিত সাগর উপকূলের ইয়ানবু, তায়েফ, জেদ্দা এবং তাবুক অঞ্চলেও পাঠানো হয়। তবে এ সতর্কবার্তা জারির মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা আবার তুলে নেওয়া হয়। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বলছে, ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা কোনো হামলার ঠিক আগমুহূর্তেই সাধারণত এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় সতর্কসংকেত চালু হয়ে থাকে।
গত সপ্তাহেই রিয়াদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, ২০১৭ সালের পর এ প্রথমবার পবিত্র মক্কা নগরীকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টা চালিয়েছে হুথিরা। যদিও হুথি গোষ্ঠী এ অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ইয়েমেনের এ সশস্ত্র গোষ্ঠীটি কয়েক বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সৌদির রাজধানী রিয়াদেও বড় ধরনের হামলা চালায়। এটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
২০১৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের পক্ষে দেশটিতে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে হুথিদের হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের আগুনে যেন নতুন করে ঘি ঢেলেছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীকে পিছু হটিয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু এলাকা নিজেদের দখলে নেয় হুথিরা। এর মধ্য দিয়ে সৌদির তেল রপ্তানির মূল রুট বাব আল-মান্দেব প্রণালির উপকূলীয় অঞ্চলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে যায় তাদের হাতে।
এর আগে জুলাইয়ে ইয়েমেনের আকাশসীমায় রিয়াদের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকলেও তা উপেক্ষা করে সানায় একটি ইরানি বিমান অবতরণের অনুমতি দেয় হুথিরা। এর ফলে ২০২২ সাল থেকে চলা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি ভেঙে যায় এবং শুরু হয় একের পর এক আক্রমণ। পরবর্তী সময়ে সৌদি আরবের ওপর আনুষ্ঠানিক সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দিয়ে দেশটির তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও বিভিন্ন ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালাতে শুরু করে হুথিরা। গোষ্ঠীটির এ ধারাবাহিক অগ্রগতি বিশ্ববাজারের অন্যতম শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবসহ পুরো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল পরিবহনের প্রধান নৌপথগুলোর ওপর ইরান ও তার মিত্রদের নিয়ন্ত্রণ আরও সুসংহত করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

পবিত্র মক্কা নগরীসহ সৌদি আরবের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে হঠাৎ করেই সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ। সাধারণত ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা ড্রোন হামলার সুনির্দিষ্ট শঙ্কা তৈরি হলেই কেবল দেশটির জাতীয় আগাম সতর্কীকরণ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এ ধরনের অ্যালার্ট দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি জরুরি বার্তা মক্কার পাশাপাশি লোহিত সাগর উপকূলের ইয়ানবু, তায়েফ, জেদ্দা এবং তাবুক অঞ্চলেও পাঠানো হয়। তবে এ সতর্কবার্তা জারির মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা আবার তুলে নেওয়া হয়। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বলছে, ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা কোনো হামলার ঠিক আগমুহূর্তেই সাধারণত এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় সতর্কসংকেত চালু হয়ে থাকে।
গত সপ্তাহেই রিয়াদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, ২০১৭ সালের পর এ প্রথমবার পবিত্র মক্কা নগরীকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টা চালিয়েছে হুথিরা। যদিও হুথি গোষ্ঠী এ অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ইয়েমেনের এ সশস্ত্র গোষ্ঠীটি কয়েক বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সৌদির রাজধানী রিয়াদেও বড় ধরনের হামলা চালায়। এটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
২০১৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের পক্ষে দেশটিতে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে হুথিদের হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের আগুনে যেন নতুন করে ঘি ঢেলেছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীকে পিছু হটিয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু এলাকা নিজেদের দখলে নেয় হুথিরা। এর মধ্য দিয়ে সৌদির তেল রপ্তানির মূল রুট বাব আল-মান্দেব প্রণালির উপকূলীয় অঞ্চলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে যায় তাদের হাতে।
এর আগে জুলাইয়ে ইয়েমেনের আকাশসীমায় রিয়াদের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকলেও তা উপেক্ষা করে সানায় একটি ইরানি বিমান অবতরণের অনুমতি দেয় হুথিরা। এর ফলে ২০২২ সাল থেকে চলা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি ভেঙে যায় এবং শুরু হয় একের পর এক আক্রমণ। পরবর্তী সময়ে সৌদি আরবের ওপর আনুষ্ঠানিক সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দিয়ে দেশটির তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও বিভিন্ন ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালাতে শুরু করে হুথিরা। গোষ্ঠীটির এ ধারাবাহিক অগ্রগতি বিশ্ববাজারের অন্যতম শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবসহ পুরো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল পরিবহনের প্রধান নৌপথগুলোর ওপর ইরান ও তার মিত্রদের নিয়ন্ত্রণ আরও সুসংহত করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

মক্কা-রিয়াদসহ সৌদি আরবের একাধিক অঞ্চলে উচ্চ সতর্কতা জারি
সিজেডএন ডেস্ক

পবিত্র মক্কা নগরীসহ সৌদি আরবের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে হঠাৎ করেই সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ। সাধারণত ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা ড্রোন হামলার সুনির্দিষ্ট শঙ্কা তৈরি হলেই কেবল দেশটির জাতীয় আগাম সতর্কীকরণ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এ ধরনের অ্যালার্ট দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি জরুরি বার্তা মক্কার পাশাপাশি লোহিত সাগর উপকূলের ইয়ানবু, তায়েফ, জেদ্দা এবং তাবুক অঞ্চলেও পাঠানো হয়। তবে এ সতর্কবার্তা জারির মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা আবার তুলে নেওয়া হয়। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বলছে, ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা কোনো হামলার ঠিক আগমুহূর্তেই সাধারণত এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় সতর্কসংকেত চালু হয়ে থাকে।
গত সপ্তাহেই রিয়াদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, ২০১৭ সালের পর এ প্রথমবার পবিত্র মক্কা নগরীকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টা চালিয়েছে হুথিরা। যদিও হুথি গোষ্ঠী এ অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ইয়েমেনের এ সশস্ত্র গোষ্ঠীটি কয়েক বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সৌদির রাজধানী রিয়াদেও বড় ধরনের হামলা চালায়। এটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
২০১৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের পক্ষে দেশটিতে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে হুথিদের হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের আগুনে যেন নতুন করে ঘি ঢেলেছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীকে পিছু হটিয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু এলাকা নিজেদের দখলে নেয় হুথিরা। এর মধ্য দিয়ে সৌদির তেল রপ্তানির মূল রুট বাব আল-মান্দেব প্রণালির উপকূলীয় অঞ্চলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে যায় তাদের হাতে।
এর আগে জুলাইয়ে ইয়েমেনের আকাশসীমায় রিয়াদের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকলেও তা উপেক্ষা করে সানায় একটি ইরানি বিমান অবতরণের অনুমতি দেয় হুথিরা। এর ফলে ২০২২ সাল থেকে চলা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি ভেঙে যায় এবং শুরু হয় একের পর এক আক্রমণ। পরবর্তী সময়ে সৌদি আরবের ওপর আনুষ্ঠানিক সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দিয়ে দেশটির তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও বিভিন্ন ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালাতে শুরু করে হুথিরা। গোষ্ঠীটির এ ধারাবাহিক অগ্রগতি বিশ্ববাজারের অন্যতম শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবসহ পুরো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল পরিবহনের প্রধান নৌপথগুলোর ওপর ইরান ও তার মিত্রদের নিয়ন্ত্রণ আরও সুসংহত করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার দায় স্বীকার হুথিদের







