ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: মীর শাহে আলম

ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: মীর শাহে আলম
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হচ্ছে। এই কার্ড পেতে কাউকে ঘুষ দিতে হবে না। এই কার্ড সবাই পাবেন পর্যায়ক্রমে। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলির কার্ড পাবেন। এটি বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথমে একবারে হতদরিদ্ররা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এরপর নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত। একবারে চার বছরের শেষ সময়ে গিয়ে পাবেন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী অর্থাৎ ফ্যামিলিরা।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন আনতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাঁচ বছর পর জনগণের কাছে গিয়ে সরকারের কর্মকাণ্ডের হিসাব দেওয়া হবে।
মীর শাহে আলম বলেন, আকস্মিক ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকারি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি হয়ে থাকলে জনগণের কাছে ক্ষমাও চান তিনি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই আমি বাঁশখালীতে এসেছি এবং বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া সড়কটি ৩৪ ফুট প্রশস্ত করার জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়েছে। কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির কাজ আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। বাঁশখালীর অন্যান্য রাস্তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের প্রয়োজন হলে আমাদের সেগুলোর তালিকা দিন। মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় পর বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। দলের দুঃসময়ে যারা কাজ করেছেন, পর্যায়ক্রমে তাদের মূল্যায়ন করা হবে। আইন ও বিধি মেনে চাকরি, বৈধ ডিলারশিপ ও বিভিন্ন কাজের সুযোগ দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হচ্ছে। এই কার্ড পেতে কাউকে ঘুষ দিতে হবে না। এই কার্ড সবাই পাবেন পর্যায়ক্রমে। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলির কার্ড পাবেন। এটি বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথমে একবারে হতদরিদ্ররা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এরপর নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত। একবারে চার বছরের শেষ সময়ে গিয়ে পাবেন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী অর্থাৎ ফ্যামিলিরা।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন আনতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাঁচ বছর পর জনগণের কাছে গিয়ে সরকারের কর্মকাণ্ডের হিসাব দেওয়া হবে।
মীর শাহে আলম বলেন, আকস্মিক ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকারি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি হয়ে থাকলে জনগণের কাছে ক্ষমাও চান তিনি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই আমি বাঁশখালীতে এসেছি এবং বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া সড়কটি ৩৪ ফুট প্রশস্ত করার জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়েছে। কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির কাজ আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। বাঁশখালীর অন্যান্য রাস্তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের প্রয়োজন হলে আমাদের সেগুলোর তালিকা দিন। মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় পর বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। দলের দুঃসময়ে যারা কাজ করেছেন, পর্যায়ক্রমে তাদের মূল্যায়ন করা হবে। আইন ও বিধি মেনে চাকরি, বৈধ ডিলারশিপ ও বিভিন্ন কাজের সুযোগ দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: মীর শাহে আলম
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হচ্ছে। এই কার্ড পেতে কাউকে ঘুষ দিতে হবে না। এই কার্ড সবাই পাবেন পর্যায়ক্রমে। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলির কার্ড পাবেন। এটি বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথমে একবারে হতদরিদ্ররা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এরপর নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত। একবারে চার বছরের শেষ সময়ে গিয়ে পাবেন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী অর্থাৎ ফ্যামিলিরা।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন আনতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাঁচ বছর পর জনগণের কাছে গিয়ে সরকারের কর্মকাণ্ডের হিসাব দেওয়া হবে।
মীর শাহে আলম বলেন, আকস্মিক ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকারি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি হয়ে থাকলে জনগণের কাছে ক্ষমাও চান তিনি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই আমি বাঁশখালীতে এসেছি এবং বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া সড়কটি ৩৪ ফুট প্রশস্ত করার জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়েছে। কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির কাজ আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। বাঁশখালীর অন্যান্য রাস্তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের প্রয়োজন হলে আমাদের সেগুলোর তালিকা দিন। মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় পর বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। দলের দুঃসময়ে যারা কাজ করেছেন, পর্যায়ক্রমে তাদের মূল্যায়ন করা হবে। আইন ও বিধি মেনে চাকরি, বৈধ ডিলারশিপ ও বিভিন্ন কাজের সুযোগ দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নারীদের ওপর নিপীড়নের ঘটনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান শামা ওবায়েদের







