টেলিগ্রামে ফাঁদ পেতে কোটি টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২

টেলিগ্রামে ফাঁদ পেতে কোটি টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২
নিজস্ব প্রতিবেদক

টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে ভুয়া চাকরির প্রস্তাব দিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডি বলছে, এই চক্রটি ভুয়া ওয়েবসাইটে খুলে বেশি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ‘এক ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন দফায় ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়’।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন–কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার দামপাড়া এলাকার মো. জুলহাস উদ্দিন ও করিমগঞ্জ উপজেলার গুনধর এলাকার প্রহর।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুলহাস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে প্রহরকেও গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বাদী মেহেদি হক নিয়নকে ২০২৫ সালের ২৪ অগাস্ট টেলিগ্রামের একটি আইডি থেকে ‘জেলস’ নামের একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বাদী প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট দেখে চাকরিতে আগ্রহী হলে প্রতারকরা একটি ফিশিং লিংকের মাধ্যমে তাকে ভুয়া ওয়েবসাইটে যুক্ত করে। সেখানে অনলাইনে অর্ডার সম্পন্নের মাধ্যমে কমিশন পাওয়ার সুযোগ দেখানো হয়। পরে বেশি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হয়। একপর্যায়ে ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করার কথা বলে বাদীর অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন অঙ্কের মুনাফা দেখাতে থাকে চক্রটি।
পরবর্তী অর্ডার সম্পন্ন এবং প্রদর্শিত মুনাফার টাকা উত্তোলনের কথা বলে বিভিন্ন অজুহাতে আরও টাকা জমা দিতে বলা হয়। প্রতারকদের কথায় বিশ্বাস করে বাদী বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে কয়েক দফায় টাকা পাঠান। এভাবে তার কাছ থেকে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে সিআইডি দাবি করছে।
এ ঘটনায় বাদী চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি পল্টন থানায় মামলা করেন।
সিআইডি বলছে, মামলাটির তদন্তভার নেওয়ার পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। তদন্তে এরই মধ্যে কয়েক দফায় এই চক্রের আরও ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো। এরই ধারাবাহিকতায় জুলহাস উদ্দিনের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজনকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানিয়েছে।

টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে ভুয়া চাকরির প্রস্তাব দিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডি বলছে, এই চক্রটি ভুয়া ওয়েবসাইটে খুলে বেশি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ‘এক ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন দফায় ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়’।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন–কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার দামপাড়া এলাকার মো. জুলহাস উদ্দিন ও করিমগঞ্জ উপজেলার গুনধর এলাকার প্রহর।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুলহাস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে প্রহরকেও গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বাদী মেহেদি হক নিয়নকে ২০২৫ সালের ২৪ অগাস্ট টেলিগ্রামের একটি আইডি থেকে ‘জেলস’ নামের একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বাদী প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট দেখে চাকরিতে আগ্রহী হলে প্রতারকরা একটি ফিশিং লিংকের মাধ্যমে তাকে ভুয়া ওয়েবসাইটে যুক্ত করে। সেখানে অনলাইনে অর্ডার সম্পন্নের মাধ্যমে কমিশন পাওয়ার সুযোগ দেখানো হয়। পরে বেশি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হয়। একপর্যায়ে ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করার কথা বলে বাদীর অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন অঙ্কের মুনাফা দেখাতে থাকে চক্রটি।
পরবর্তী অর্ডার সম্পন্ন এবং প্রদর্শিত মুনাফার টাকা উত্তোলনের কথা বলে বিভিন্ন অজুহাতে আরও টাকা জমা দিতে বলা হয়। প্রতারকদের কথায় বিশ্বাস করে বাদী বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে কয়েক দফায় টাকা পাঠান। এভাবে তার কাছ থেকে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে সিআইডি দাবি করছে।
এ ঘটনায় বাদী চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি পল্টন থানায় মামলা করেন।
সিআইডি বলছে, মামলাটির তদন্তভার নেওয়ার পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। তদন্তে এরই মধ্যে কয়েক দফায় এই চক্রের আরও ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো। এরই ধারাবাহিকতায় জুলহাস উদ্দিনের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজনকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানিয়েছে।

টেলিগ্রামে ফাঁদ পেতে কোটি টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২
নিজস্ব প্রতিবেদক

টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে ভুয়া চাকরির প্রস্তাব দিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডি বলছে, এই চক্রটি ভুয়া ওয়েবসাইটে খুলে বেশি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ‘এক ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন দফায় ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়’।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন–কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার দামপাড়া এলাকার মো. জুলহাস উদ্দিন ও করিমগঞ্জ উপজেলার গুনধর এলাকার প্রহর।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুলহাস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে প্রহরকেও গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বাদী মেহেদি হক নিয়নকে ২০২৫ সালের ২৪ অগাস্ট টেলিগ্রামের একটি আইডি থেকে ‘জেলস’ নামের একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বাদী প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট দেখে চাকরিতে আগ্রহী হলে প্রতারকরা একটি ফিশিং লিংকের মাধ্যমে তাকে ভুয়া ওয়েবসাইটে যুক্ত করে। সেখানে অনলাইনে অর্ডার সম্পন্নের মাধ্যমে কমিশন পাওয়ার সুযোগ দেখানো হয়। পরে বেশি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হয়। একপর্যায়ে ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করার কথা বলে বাদীর অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন অঙ্কের মুনাফা দেখাতে থাকে চক্রটি।
পরবর্তী অর্ডার সম্পন্ন এবং প্রদর্শিত মুনাফার টাকা উত্তোলনের কথা বলে বিভিন্ন অজুহাতে আরও টাকা জমা দিতে বলা হয়। প্রতারকদের কথায় বিশ্বাস করে বাদী বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে কয়েক দফায় টাকা পাঠান। এভাবে তার কাছ থেকে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে সিআইডি দাবি করছে।
এ ঘটনায় বাদী চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি পল্টন থানায় মামলা করেন।
সিআইডি বলছে, মামলাটির তদন্তভার নেওয়ার পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। তদন্তে এরই মধ্যে কয়েক দফায় এই চক্রের আরও ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো। এরই ধারাবাহিকতায় জুলহাস উদ্দিনের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজনকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানিয়েছে।









