আমার বাবা সব জানে: শবনম ফারিয়া

আমার বাবা সব জানে: শবনম ফারিয়া
বিনোদন ডেস্ক

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। দীর্ঘদিন ধরেই নাটকে অনিয়মিত তিনি। তবে সামাজিকমাধ্যমে সরব এই অভিনেত্রী। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ভক্তদের মাঝে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। এবার প্রয়াত বাবা মীর আবদুল্লাহকে নিয়ে আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ফারিয়া বলেন, আমি ছোট থেকে বড় হয়েছি একটা বিশ্বাস নিয়ে- ‘আমার বাবা সব জানে।’
তিনি বলেন, আমি যখন বড় হয়েছি, তখন গুগল করার সুযোগ ছিল না। আমার বাবাই ছিলেন আমার গুগল, আমার এনসাইক্লোপিডিয়া। কিংবা আজকের ভাষায় বললে, আমার চ্যাটজিপিটি! দুনিয়াতে এমন কোনো বিষয় ছিল না, যেটা নিয়ে জানতে চাইলে বাবার কাছে কোনো না কোনো উত্তর পাওয়া যেত না। এইটা এমন কেন? ওইটা কবে হয়েছিল? ওমোটা কীভাবে হলো? এইটা কীভাবে হবে? এমনটা কেন হবে না? আমার প্রশ্নের কোনো শেষ ছিল না। কিন্তু আমার বাবার ধৈর্যেরও যেন কোনো শেষ ছিল না। আমি একইভাবে একশোটা প্রশ্ন করলেও বাবা কখনো বিরক্ত হতেন না। বরং আমার প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মধ্যে যেন একটা আনন্দ ছিল তাঁর।
অভিনেত্রী বলেন, বাবা চলে যাওয়ার পর বুঝেছি, মানুষ শুধু একজন প্রিয় মানুষকে হারায় না, কখনো কখনো নিজের সবচেয়ে বড় জানার জায়গাটাকেও হারিয়ে ফেলে। দিন যায়, মাস যায়, বছর যায়। অথচ প্রতিদিনের ২৪ ঘণ্টায় এমন কোনো না কোনো একটা মুহূর্ত আসে, যখন মনে হয়, এই কথাটা বাবাকে বললে বাবা খুব মজা পেত। এইটা শুনলে বাবার ভালো লাগতো। এই জায়গাটায় বাবাকে নিয়ে গেলে বাবা এর কত ডিটেইলস বলতে পারতো! কোন সমস্যায় পড়লে মনে হয়, বাবা থাকলে সলভ হয়ে যেত।
ফারিয়া বলেন, জীবন এগিয়ে যায়, কিন্তু এই ছোট ছোট ‘বাবাকে বলার ছিল’ মুহূর্তগুলো বোধহয় কখনো শেষ হয় না। হ্যাপি বার্থ ডে বাবা, আই মিস ইউ, অলওয়েজ।
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা,’ অর্থাৎ, হে আমার পালনকর্তা, তাদের উভয়ের (বাবা-মা) প্রতি রহম করুন, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। দীর্ঘদিন ধরেই নাটকে অনিয়মিত তিনি। তবে সামাজিকমাধ্যমে সরব এই অভিনেত্রী। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ভক্তদের মাঝে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। এবার প্রয়াত বাবা মীর আবদুল্লাহকে নিয়ে আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ফারিয়া বলেন, আমি ছোট থেকে বড় হয়েছি একটা বিশ্বাস নিয়ে- ‘আমার বাবা সব জানে।’
তিনি বলেন, আমি যখন বড় হয়েছি, তখন গুগল করার সুযোগ ছিল না। আমার বাবাই ছিলেন আমার গুগল, আমার এনসাইক্লোপিডিয়া। কিংবা আজকের ভাষায় বললে, আমার চ্যাটজিপিটি! দুনিয়াতে এমন কোনো বিষয় ছিল না, যেটা নিয়ে জানতে চাইলে বাবার কাছে কোনো না কোনো উত্তর পাওয়া যেত না। এইটা এমন কেন? ওইটা কবে হয়েছিল? ওমোটা কীভাবে হলো? এইটা কীভাবে হবে? এমনটা কেন হবে না? আমার প্রশ্নের কোনো শেষ ছিল না। কিন্তু আমার বাবার ধৈর্যেরও যেন কোনো শেষ ছিল না। আমি একইভাবে একশোটা প্রশ্ন করলেও বাবা কখনো বিরক্ত হতেন না। বরং আমার প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মধ্যে যেন একটা আনন্দ ছিল তাঁর।
অভিনেত্রী বলেন, বাবা চলে যাওয়ার পর বুঝেছি, মানুষ শুধু একজন প্রিয় মানুষকে হারায় না, কখনো কখনো নিজের সবচেয়ে বড় জানার জায়গাটাকেও হারিয়ে ফেলে। দিন যায়, মাস যায়, বছর যায়। অথচ প্রতিদিনের ২৪ ঘণ্টায় এমন কোনো না কোনো একটা মুহূর্ত আসে, যখন মনে হয়, এই কথাটা বাবাকে বললে বাবা খুব মজা পেত। এইটা শুনলে বাবার ভালো লাগতো। এই জায়গাটায় বাবাকে নিয়ে গেলে বাবা এর কত ডিটেইলস বলতে পারতো! কোন সমস্যায় পড়লে মনে হয়, বাবা থাকলে সলভ হয়ে যেত।
ফারিয়া বলেন, জীবন এগিয়ে যায়, কিন্তু এই ছোট ছোট ‘বাবাকে বলার ছিল’ মুহূর্তগুলো বোধহয় কখনো শেষ হয় না। হ্যাপি বার্থ ডে বাবা, আই মিস ইউ, অলওয়েজ।
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা,’ অর্থাৎ, হে আমার পালনকর্তা, তাদের উভয়ের (বাবা-মা) প্রতি রহম করুন, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।

আমার বাবা সব জানে: শবনম ফারিয়া
বিনোদন ডেস্ক

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। দীর্ঘদিন ধরেই নাটকে অনিয়মিত তিনি। তবে সামাজিকমাধ্যমে সরব এই অভিনেত্রী। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ভক্তদের মাঝে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। এবার প্রয়াত বাবা মীর আবদুল্লাহকে নিয়ে আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ফারিয়া বলেন, আমি ছোট থেকে বড় হয়েছি একটা বিশ্বাস নিয়ে- ‘আমার বাবা সব জানে।’
তিনি বলেন, আমি যখন বড় হয়েছি, তখন গুগল করার সুযোগ ছিল না। আমার বাবাই ছিলেন আমার গুগল, আমার এনসাইক্লোপিডিয়া। কিংবা আজকের ভাষায় বললে, আমার চ্যাটজিপিটি! দুনিয়াতে এমন কোনো বিষয় ছিল না, যেটা নিয়ে জানতে চাইলে বাবার কাছে কোনো না কোনো উত্তর পাওয়া যেত না। এইটা এমন কেন? ওইটা কবে হয়েছিল? ওমোটা কীভাবে হলো? এইটা কীভাবে হবে? এমনটা কেন হবে না? আমার প্রশ্নের কোনো শেষ ছিল না। কিন্তু আমার বাবার ধৈর্যেরও যেন কোনো শেষ ছিল না। আমি একইভাবে একশোটা প্রশ্ন করলেও বাবা কখনো বিরক্ত হতেন না। বরং আমার প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মধ্যে যেন একটা আনন্দ ছিল তাঁর।
অভিনেত্রী বলেন, বাবা চলে যাওয়ার পর বুঝেছি, মানুষ শুধু একজন প্রিয় মানুষকে হারায় না, কখনো কখনো নিজের সবচেয়ে বড় জানার জায়গাটাকেও হারিয়ে ফেলে। দিন যায়, মাস যায়, বছর যায়। অথচ প্রতিদিনের ২৪ ঘণ্টায় এমন কোনো না কোনো একটা মুহূর্ত আসে, যখন মনে হয়, এই কথাটা বাবাকে বললে বাবা খুব মজা পেত। এইটা শুনলে বাবার ভালো লাগতো। এই জায়গাটায় বাবাকে নিয়ে গেলে বাবা এর কত ডিটেইলস বলতে পারতো! কোন সমস্যায় পড়লে মনে হয়, বাবা থাকলে সলভ হয়ে যেত।
ফারিয়া বলেন, জীবন এগিয়ে যায়, কিন্তু এই ছোট ছোট ‘বাবাকে বলার ছিল’ মুহূর্তগুলো বোধহয় কখনো শেষ হয় না। হ্যাপি বার্থ ডে বাবা, আই মিস ইউ, অলওয়েজ।
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা,’ অর্থাৎ, হে আমার পালনকর্তা, তাদের উভয়ের (বাবা-মা) প্রতি রহম করুন, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।

ফেসবুকে শবনম ফারিয়ার রহস্যঘেরা স্ট্যাটাস







