যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হতে যাচ্ছেন হাকিম জেফ্রিস

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হতে যাচ্ছেন হাকিম জেফ্রিস
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মার্কিন রাজনীতিতে এক বড় পরিবর্তন হতে চলেছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর দেশটির কংগ্রেসে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস। সব ঠিকঠাক থাকলে মার্কিন ইতিহাসের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন তিনি।
৩ জানুয়ারি নতুন কংগ্রেস অধিবেশন শুরু হওয়ার পর স্পিকার পদের জন্য সহকর্মীদের ভোটে লড়বেন ৫৬ বছর বয়সী এ নেতা। দায়িত্ব পেলে তিনি হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সারিতে দ্বিতীয় এবং সংবিধিবদ্ধ একমাত্র শীর্ষ নেতৃত্ব।
ওয়াশিংটনে ডেমোক্র্যাটদের বিজয় উৎসবে ‘স্পিকার! স্পিকার!’ স্লোগানে তাকে বরণ করে নেওয়া হয়। এর পর হাকিম জেফ্রিস বলেন, এটি কোনও দলীয় মুহূর্ত নয়। এটি একটি দেশপ্রেমের মুহূর্ত। আমেরিকান জনগণ পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা আপনাদের কথা শুনতে পেয়েছি। আপনাদের চাওয়া বাস্তবায়ন করতে আমরা কঠোর পরিশ্রম করব।
ব্রুকলিনের সাধারণ এক কৃষ্ণাঙ্গ পরিবারে বেড়ে ওঠা জেফ্রিস স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্ক, জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি ও নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনা শেষ করে আইন পেশায় যুক্ত হন। নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলিতে দায়িত্ব পালনের পর ২০১৩ সাল থেকে তিনি কংগ্রেসে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১৮৭০ সালে প্রতিনিধি পরিষদে প্রথম নির্বাচিত কৃষ্ণাঙ্গ আইনপ্রণেতা জোসেফ রেইনির পথ ধরেই এবার হাউস স্পিকারের আসনে বসতে চলেছেন তিনি। বর্তমান রিপাবলিকান স্পিকার মাইক জনসনের স্থলাভিষিক্ত হবেন এই ডেমোক্র্যাট নেতা। অতীতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ছবি পোস্ট করে তার সমালোচনা করলেও ট্রাম্পের শেষ দুই বছরের মেয়াদ মোকাবিলায় তিনি এখন পুরোপুরি বদ্ধপরিকর।
ডেমোক্র্যাট দলের অন্য শীর্ষ নেতা ক্যাথরিন ক্লার্ক ও পিটে আগুইলারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন জেফ্রিস। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, ট্রাম্প প্রশাসনকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং প্রয়োজনে অভিশংসনের পথ খোলা রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইতোমধ্যে ১০০ দিনের রাজনৈতিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছেন তিনি।
সূত্র: এপি

মার্কিন রাজনীতিতে এক বড় পরিবর্তন হতে চলেছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর দেশটির কংগ্রেসে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস। সব ঠিকঠাক থাকলে মার্কিন ইতিহাসের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন তিনি।
৩ জানুয়ারি নতুন কংগ্রেস অধিবেশন শুরু হওয়ার পর স্পিকার পদের জন্য সহকর্মীদের ভোটে লড়বেন ৫৬ বছর বয়সী এ নেতা। দায়িত্ব পেলে তিনি হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সারিতে দ্বিতীয় এবং সংবিধিবদ্ধ একমাত্র শীর্ষ নেতৃত্ব।
ওয়াশিংটনে ডেমোক্র্যাটদের বিজয় উৎসবে ‘স্পিকার! স্পিকার!’ স্লোগানে তাকে বরণ করে নেওয়া হয়। এর পর হাকিম জেফ্রিস বলেন, এটি কোনও দলীয় মুহূর্ত নয়। এটি একটি দেশপ্রেমের মুহূর্ত। আমেরিকান জনগণ পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা আপনাদের কথা শুনতে পেয়েছি। আপনাদের চাওয়া বাস্তবায়ন করতে আমরা কঠোর পরিশ্রম করব।
ব্রুকলিনের সাধারণ এক কৃষ্ণাঙ্গ পরিবারে বেড়ে ওঠা জেফ্রিস স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্ক, জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি ও নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনা শেষ করে আইন পেশায় যুক্ত হন। নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলিতে দায়িত্ব পালনের পর ২০১৩ সাল থেকে তিনি কংগ্রেসে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১৮৭০ সালে প্রতিনিধি পরিষদে প্রথম নির্বাচিত কৃষ্ণাঙ্গ আইনপ্রণেতা জোসেফ রেইনির পথ ধরেই এবার হাউস স্পিকারের আসনে বসতে চলেছেন তিনি। বর্তমান রিপাবলিকান স্পিকার মাইক জনসনের স্থলাভিষিক্ত হবেন এই ডেমোক্র্যাট নেতা। অতীতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ছবি পোস্ট করে তার সমালোচনা করলেও ট্রাম্পের শেষ দুই বছরের মেয়াদ মোকাবিলায় তিনি এখন পুরোপুরি বদ্ধপরিকর।
ডেমোক্র্যাট দলের অন্য শীর্ষ নেতা ক্যাথরিন ক্লার্ক ও পিটে আগুইলারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন জেফ্রিস। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, ট্রাম্প প্রশাসনকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং প্রয়োজনে অভিশংসনের পথ খোলা রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইতোমধ্যে ১০০ দিনের রাজনৈতিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছেন তিনি।
সূত্র: এপি

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হতে যাচ্ছেন হাকিম জেফ্রিস
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মার্কিন রাজনীতিতে এক বড় পরিবর্তন হতে চলেছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর দেশটির কংগ্রেসে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস। সব ঠিকঠাক থাকলে মার্কিন ইতিহাসের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন তিনি।
৩ জানুয়ারি নতুন কংগ্রেস অধিবেশন শুরু হওয়ার পর স্পিকার পদের জন্য সহকর্মীদের ভোটে লড়বেন ৫৬ বছর বয়সী এ নেতা। দায়িত্ব পেলে তিনি হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সারিতে দ্বিতীয় এবং সংবিধিবদ্ধ একমাত্র শীর্ষ নেতৃত্ব।
ওয়াশিংটনে ডেমোক্র্যাটদের বিজয় উৎসবে ‘স্পিকার! স্পিকার!’ স্লোগানে তাকে বরণ করে নেওয়া হয়। এর পর হাকিম জেফ্রিস বলেন, এটি কোনও দলীয় মুহূর্ত নয়। এটি একটি দেশপ্রেমের মুহূর্ত। আমেরিকান জনগণ পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা আপনাদের কথা শুনতে পেয়েছি। আপনাদের চাওয়া বাস্তবায়ন করতে আমরা কঠোর পরিশ্রম করব।
ব্রুকলিনের সাধারণ এক কৃষ্ণাঙ্গ পরিবারে বেড়ে ওঠা জেফ্রিস স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্ক, জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি ও নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনা শেষ করে আইন পেশায় যুক্ত হন। নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলিতে দায়িত্ব পালনের পর ২০১৩ সাল থেকে তিনি কংগ্রেসে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১৮৭০ সালে প্রতিনিধি পরিষদে প্রথম নির্বাচিত কৃষ্ণাঙ্গ আইনপ্রণেতা জোসেফ রেইনির পথ ধরেই এবার হাউস স্পিকারের আসনে বসতে চলেছেন তিনি। বর্তমান রিপাবলিকান স্পিকার মাইক জনসনের স্থলাভিষিক্ত হবেন এই ডেমোক্র্যাট নেতা। অতীতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ছবি পোস্ট করে তার সমালোচনা করলেও ট্রাম্পের শেষ দুই বছরের মেয়াদ মোকাবিলায় তিনি এখন পুরোপুরি বদ্ধপরিকর।
ডেমোক্র্যাট দলের অন্য শীর্ষ নেতা ক্যাথরিন ক্লার্ক ও পিটে আগুইলারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন জেফ্রিস। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, ট্রাম্প প্রশাসনকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং প্রয়োজনে অভিশংসনের পথ খোলা রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইতোমধ্যে ১০০ দিনের রাজনৈতিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছেন তিনি।
সূত্র: এপি

যুক্তরাষ্ট্রকে মোজতবা খামেনির কড়া বার্তা







