ইউরোপে গ্রেপ্তার হলে উদ্ধারে আসবে ইসরায়েলের বিশেষ বাহিনী: নেতানিয়াহু

ইউরোপে গ্রেপ্তার হলে উদ্ধারে আসবে ইসরায়েলের বিশেষ বাহিনী: নেতানিয়াহু
সিজেডএন ডেস্ক

গাজায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পর থেকেই আন্তর্জাতিক চাপে রয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তবে ইউরোপের কোনো দেশে যদি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে ইসরায়েল হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।
মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ইউরোপীয় কোনো দেশে তিনি আটক হলে তাকে উদ্ধার করতে সরাসরি অভিযান চালাবে ইসরায়েলি বিশেষ সামরিক বাহিনী।
নিজের অতীত সামরিক জীবনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে নেতানিয়াহু জানান, তিনি অতীতে পাঁচ বছর বিশেষ কমান্ডো ইউনিটে কাজ করেছেন। পুরোনো স্মৃতি টেনে তিনি ইঙ্গিত দেন, ইউরোপে তাকে আটক করা হলে সেই এলিট ফোর্সকেই নতুন মিশন দিয়ে তাকে উদ্ধারের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে এক দেশের সম্মতি ছাড়া অন্য কোনো স্বাধীন দেশের ভূখণ্ডে এই ধরনের উদ্ধার অভিযান চালানো আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে বড় ধরনের অপরাধ।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইসরায়েল এমন কিছু করলে তা অভূতপূর্ব এক কূটনৈতিক সংকট তৈরি করবে। অবশ্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভিযান কীভাবে চালানো হবে, সে সম্পর্কে নেতানিয়াহু বিস্তারিত কিছু বলেননি।
রোম সংবিধি অনুযায়ী আইসিসির সদস্য দেশগুলো আদালতের পরোয়ানা মেনে চলতে বাধ্য। ইতোমধ্যে ইউরোপের কয়েকটি দেশ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নেতানিয়াহু তাদের দেশে পা রাখলে তারা আন্তর্জাতিক আইন বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেবে। এতে করে আইসিসির বাধ্যবাধকতা নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় আইনি বিতর্ক শুরু হয়েছে। মূলত এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কারণে নেতানিয়াহুর বিদেশ সফর এখন বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। পরোয়ানা কার্যকর হতে পারে- এমন যেকোনো গন্তব্যে ভ্রমণের আগে এখন তাকে চরম সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

গাজায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পর থেকেই আন্তর্জাতিক চাপে রয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তবে ইউরোপের কোনো দেশে যদি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে ইসরায়েল হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।
মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ইউরোপীয় কোনো দেশে তিনি আটক হলে তাকে উদ্ধার করতে সরাসরি অভিযান চালাবে ইসরায়েলি বিশেষ সামরিক বাহিনী।
নিজের অতীত সামরিক জীবনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে নেতানিয়াহু জানান, তিনি অতীতে পাঁচ বছর বিশেষ কমান্ডো ইউনিটে কাজ করেছেন। পুরোনো স্মৃতি টেনে তিনি ইঙ্গিত দেন, ইউরোপে তাকে আটক করা হলে সেই এলিট ফোর্সকেই নতুন মিশন দিয়ে তাকে উদ্ধারের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে এক দেশের সম্মতি ছাড়া অন্য কোনো স্বাধীন দেশের ভূখণ্ডে এই ধরনের উদ্ধার অভিযান চালানো আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে বড় ধরনের অপরাধ।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইসরায়েল এমন কিছু করলে তা অভূতপূর্ব এক কূটনৈতিক সংকট তৈরি করবে। অবশ্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভিযান কীভাবে চালানো হবে, সে সম্পর্কে নেতানিয়াহু বিস্তারিত কিছু বলেননি।
রোম সংবিধি অনুযায়ী আইসিসির সদস্য দেশগুলো আদালতের পরোয়ানা মেনে চলতে বাধ্য। ইতোমধ্যে ইউরোপের কয়েকটি দেশ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নেতানিয়াহু তাদের দেশে পা রাখলে তারা আন্তর্জাতিক আইন বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেবে। এতে করে আইসিসির বাধ্যবাধকতা নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় আইনি বিতর্ক শুরু হয়েছে। মূলত এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কারণে নেতানিয়াহুর বিদেশ সফর এখন বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। পরোয়ানা কার্যকর হতে পারে- এমন যেকোনো গন্তব্যে ভ্রমণের আগে এখন তাকে চরম সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

ইউরোপে গ্রেপ্তার হলে উদ্ধারে আসবে ইসরায়েলের বিশেষ বাহিনী: নেতানিয়াহু
সিজেডএন ডেস্ক

গাজায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পর থেকেই আন্তর্জাতিক চাপে রয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তবে ইউরোপের কোনো দেশে যদি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে ইসরায়েল হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।
মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ইউরোপীয় কোনো দেশে তিনি আটক হলে তাকে উদ্ধার করতে সরাসরি অভিযান চালাবে ইসরায়েলি বিশেষ সামরিক বাহিনী।
নিজের অতীত সামরিক জীবনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে নেতানিয়াহু জানান, তিনি অতীতে পাঁচ বছর বিশেষ কমান্ডো ইউনিটে কাজ করেছেন। পুরোনো স্মৃতি টেনে তিনি ইঙ্গিত দেন, ইউরোপে তাকে আটক করা হলে সেই এলিট ফোর্সকেই নতুন মিশন দিয়ে তাকে উদ্ধারের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে এক দেশের সম্মতি ছাড়া অন্য কোনো স্বাধীন দেশের ভূখণ্ডে এই ধরনের উদ্ধার অভিযান চালানো আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে বড় ধরনের অপরাধ।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইসরায়েল এমন কিছু করলে তা অভূতপূর্ব এক কূটনৈতিক সংকট তৈরি করবে। অবশ্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভিযান কীভাবে চালানো হবে, সে সম্পর্কে নেতানিয়াহু বিস্তারিত কিছু বলেননি।
রোম সংবিধি অনুযায়ী আইসিসির সদস্য দেশগুলো আদালতের পরোয়ানা মেনে চলতে বাধ্য। ইতোমধ্যে ইউরোপের কয়েকটি দেশ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নেতানিয়াহু তাদের দেশে পা রাখলে তারা আন্তর্জাতিক আইন বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেবে। এতে করে আইসিসির বাধ্যবাধকতা নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় আইনি বিতর্ক শুরু হয়েছে। মূলত এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কারণে নেতানিয়াহুর বিদেশ সফর এখন বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। পরোয়ানা কার্যকর হতে পারে- এমন যেকোনো গন্তব্যে ভ্রমণের আগে এখন তাকে চরম সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

ফিলিস্তিনি বন্দীদের দমনে কুমির ও কুকুর ব্যবহারের পরিকল্পনা ইসরায়েলের
ইসরায়েলকে স্বীকৃতি ছাড়া পারমাণবিক চুক্তি কার্যকর নয়: ট্রাম্প







