মধ্যরাতে মোদির ভিডিও বার্তা

মধ্যরাতে মোদির ভিডিও বার্তা
সিজেডএন ডেস্ক

প্রথমবারের মতো ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন ইস্যুতে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তা দিয়েছেন তিনি। এতে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শুক্রবার আরও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান।
ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। তাই গত আড়াই মাসে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। দোষীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়, সেটিও সরকারের অন্যতম বড় দায়িত্ব ছিল। তাই দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় এবং প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আয়োজন করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।’
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের শাস্তি দ্রুততর করতে মোদি ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতেই সেই প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার মতামত নেওয়ার পর চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে। আগামী সোমবার সংসদের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হলে যত দ্রুত সম্ভব এ-সংক্রান্ত বিল পাসের চেষ্টা করবে সরকার।’
এর আগে সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় মোদি বলেন, ‘আমাদের যুবসমাজের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। যারা আমাদের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।’
প্রধানমন্ত্রীর ওই বার্তার পর সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, ‘এটা একটা সাময়িক সমাধান। এতে আমাদের দাবি নিশ্চিত হচ্ছে না। এত বছরে এখন পর্যন্ত একটিও সাজা হয়নি, তাই এই পদক্ষেপটি কোনো কাজে আসবে না।’
এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি হলো শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার।
মোদির এই ঘোষণার পর বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীদের মূল দাবি এখনও একই, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।
এদিকে আন্দোলন প্রশমনে বৃহস্পতিবার রাতেই কেন্দ্র সরকার উচ্চশিক্ষা সচিব বিনীত যোশিকে সরিয়ে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ে বদলি করে। তার জায়গায় নরেশ কুমার গাঙ্গোয়ারকে নতুন উচ্চশিক্ষা সচিব এবং টি. কে. অনিল কুমারকে স্কুল শিক্ষা সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি

প্রথমবারের মতো ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন ইস্যুতে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তা দিয়েছেন তিনি। এতে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শুক্রবার আরও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান।
ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। তাই গত আড়াই মাসে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। দোষীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়, সেটিও সরকারের অন্যতম বড় দায়িত্ব ছিল। তাই দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় এবং প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আয়োজন করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।’
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের শাস্তি দ্রুততর করতে মোদি ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতেই সেই প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার মতামত নেওয়ার পর চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে। আগামী সোমবার সংসদের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হলে যত দ্রুত সম্ভব এ-সংক্রান্ত বিল পাসের চেষ্টা করবে সরকার।’
এর আগে সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় মোদি বলেন, ‘আমাদের যুবসমাজের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। যারা আমাদের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।’
প্রধানমন্ত্রীর ওই বার্তার পর সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, ‘এটা একটা সাময়িক সমাধান। এতে আমাদের দাবি নিশ্চিত হচ্ছে না। এত বছরে এখন পর্যন্ত একটিও সাজা হয়নি, তাই এই পদক্ষেপটি কোনো কাজে আসবে না।’
এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি হলো শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার।
মোদির এই ঘোষণার পর বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীদের মূল দাবি এখনও একই, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।
এদিকে আন্দোলন প্রশমনে বৃহস্পতিবার রাতেই কেন্দ্র সরকার উচ্চশিক্ষা সচিব বিনীত যোশিকে সরিয়ে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ে বদলি করে। তার জায়গায় নরেশ কুমার গাঙ্গোয়ারকে নতুন উচ্চশিক্ষা সচিব এবং টি. কে. অনিল কুমারকে স্কুল শিক্ষা সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি

মধ্যরাতে মোদির ভিডিও বার্তা
সিজেডএন ডেস্ক

প্রথমবারের মতো ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন ইস্যুতে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তা দিয়েছেন তিনি। এতে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শুক্রবার আরও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান।
ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। তাই গত আড়াই মাসে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। দোষীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়, সেটিও সরকারের অন্যতম বড় দায়িত্ব ছিল। তাই দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় এবং প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আয়োজন করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।’
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের শাস্তি দ্রুততর করতে মোদি ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতেই সেই প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার মতামত নেওয়ার পর চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে। আগামী সোমবার সংসদের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হলে যত দ্রুত সম্ভব এ-সংক্রান্ত বিল পাসের চেষ্টা করবে সরকার।’
এর আগে সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় মোদি বলেন, ‘আমাদের যুবসমাজের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। যারা আমাদের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।’
প্রধানমন্ত্রীর ওই বার্তার পর সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, ‘এটা একটা সাময়িক সমাধান। এতে আমাদের দাবি নিশ্চিত হচ্ছে না। এত বছরে এখন পর্যন্ত একটিও সাজা হয়নি, তাই এই পদক্ষেপটি কোনো কাজে আসবে না।’
এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি হলো শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার।
মোদির এই ঘোষণার পর বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীদের মূল দাবি এখনও একই, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।
এদিকে আন্দোলন প্রশমনে বৃহস্পতিবার রাতেই কেন্দ্র সরকার উচ্চশিক্ষা সচিব বিনীত যোশিকে সরিয়ে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ে বদলি করে। তার জায়গায় নরেশ কুমার গাঙ্গোয়ারকে নতুন উচ্চশিক্ষা সচিব এবং টি. কে. অনিল কুমারকে স্কুল শিক্ষা সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি

আন্দোলনে নতুন মোড়, উঠতে পারে মোদির পদত্যাগ দাবি
ককরোচ আন্দোলনে সরব বলিউড তারকারা







