আসন্ন নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সরাসরি সমর্থন দিতে নারাজ ট্রাম্প

আসন্ন নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সরাসরি সমর্থন দিতে নারাজ ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইসরায়েলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পুনর্নির্বাচনি প্রচারে এখনই সমর্থন জানাতে রাজি হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নেতানিয়াহুর সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক বেশ চমৎকার উল্লেখ করলেও রাজনীতিতে কাউকে বিশ্বাস করেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনে কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, নেতানিয়াহুর দলীয় নেতাকর্মীরা চান তিনি যেন এ নির্বাচনে ভূমিকা রাখেন। তবে কোনো প্রার্থীকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে সরাসরি প্রতিশ্রুতি দেননি তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, সত্যি বলতে, আমি কাউকে বিশ্বাস করি না। কাউকেই না। রাজনীতির জগতে আমি কাউকে বিশ্বাস করি না।
তার দাবি, ইসরায়েলের সাধারণ মানুষ যদি তাকে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে লড়াই করতে বলে, তবে অন্তত ৯৯ শতাংশ মানুষ তাকেই ভোট দেবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার বর্তমান সামরিক সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি মন্তব্য করেন, দুই দেশের সামরিক অংশীদারত্ব অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ককেও ‘খুব ভালো’ বলে অভিহিত করেন তিনি।
অবশ্য নেতানিয়াহুর নির্বাচনি প্রচারে সরাসরি সমর্থন দেওয়া থেকে ট্রাম্পের এমন দূরত্ব বজায় রাখার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে অনেকটা মেপে জবাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, আমরা এখনো এ নিয়ে ভাবিইনি। তবে একেবারে সম্ভাবনা নাকচও করেননি।
শুধু নেতানিয়াহুই নন, নিউজম্যাক্স ও টাইম ম্যাগাজিনের আলাপে নেতানিয়াহুর অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটকে নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। আইজেনকট সম্পর্কে তিনি জানান, তার বিষয়ে তিনি খারাপ কিছু শোনেন না।
এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ইসরায়েলের চ্যানেল ১৩-এর প্রকাশিত একটি জনমত জরিপ নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছিলেন ট্রাম্প। ওই জরিপে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট নেসেটে সর্বমোট ৫৪টি আসন পেতে পারে। তবে একক দল হিসেবে গাদি আইজেনকটের দল ‘ইয়াশার’ ২২টি আসন পেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল, যেখানে নেতানিয়াহুর দল ‘লিকুদ’-এর আসনসংখ্যা কমে ১৮-তে নেমে আসার আভাস দেওয়া হয়।
সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট

ইসরায়েলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পুনর্নির্বাচনি প্রচারে এখনই সমর্থন জানাতে রাজি হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নেতানিয়াহুর সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক বেশ চমৎকার উল্লেখ করলেও রাজনীতিতে কাউকে বিশ্বাস করেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনে কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, নেতানিয়াহুর দলীয় নেতাকর্মীরা চান তিনি যেন এ নির্বাচনে ভূমিকা রাখেন। তবে কোনো প্রার্থীকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে সরাসরি প্রতিশ্রুতি দেননি তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, সত্যি বলতে, আমি কাউকে বিশ্বাস করি না। কাউকেই না। রাজনীতির জগতে আমি কাউকে বিশ্বাস করি না।
তার দাবি, ইসরায়েলের সাধারণ মানুষ যদি তাকে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে লড়াই করতে বলে, তবে অন্তত ৯৯ শতাংশ মানুষ তাকেই ভোট দেবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার বর্তমান সামরিক সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি মন্তব্য করেন, দুই দেশের সামরিক অংশীদারত্ব অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ককেও ‘খুব ভালো’ বলে অভিহিত করেন তিনি।
অবশ্য নেতানিয়াহুর নির্বাচনি প্রচারে সরাসরি সমর্থন দেওয়া থেকে ট্রাম্পের এমন দূরত্ব বজায় রাখার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে অনেকটা মেপে জবাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, আমরা এখনো এ নিয়ে ভাবিইনি। তবে একেবারে সম্ভাবনা নাকচও করেননি।
শুধু নেতানিয়াহুই নন, নিউজম্যাক্স ও টাইম ম্যাগাজিনের আলাপে নেতানিয়াহুর অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটকে নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। আইজেনকট সম্পর্কে তিনি জানান, তার বিষয়ে তিনি খারাপ কিছু শোনেন না।
এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ইসরায়েলের চ্যানেল ১৩-এর প্রকাশিত একটি জনমত জরিপ নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছিলেন ট্রাম্প। ওই জরিপে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট নেসেটে সর্বমোট ৫৪টি আসন পেতে পারে। তবে একক দল হিসেবে গাদি আইজেনকটের দল ‘ইয়াশার’ ২২টি আসন পেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল, যেখানে নেতানিয়াহুর দল ‘লিকুদ’-এর আসনসংখ্যা কমে ১৮-তে নেমে আসার আভাস দেওয়া হয়।
সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট

আসন্ন নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সরাসরি সমর্থন দিতে নারাজ ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইসরায়েলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পুনর্নির্বাচনি প্রচারে এখনই সমর্থন জানাতে রাজি হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নেতানিয়াহুর সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক বেশ চমৎকার উল্লেখ করলেও রাজনীতিতে কাউকে বিশ্বাস করেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনে কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, নেতানিয়াহুর দলীয় নেতাকর্মীরা চান তিনি যেন এ নির্বাচনে ভূমিকা রাখেন। তবে কোনো প্রার্থীকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে সরাসরি প্রতিশ্রুতি দেননি তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, সত্যি বলতে, আমি কাউকে বিশ্বাস করি না। কাউকেই না। রাজনীতির জগতে আমি কাউকে বিশ্বাস করি না।
তার দাবি, ইসরায়েলের সাধারণ মানুষ যদি তাকে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে লড়াই করতে বলে, তবে অন্তত ৯৯ শতাংশ মানুষ তাকেই ভোট দেবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার বর্তমান সামরিক সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি মন্তব্য করেন, দুই দেশের সামরিক অংশীদারত্ব অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ককেও ‘খুব ভালো’ বলে অভিহিত করেন তিনি।
অবশ্য নেতানিয়াহুর নির্বাচনি প্রচারে সরাসরি সমর্থন দেওয়া থেকে ট্রাম্পের এমন দূরত্ব বজায় রাখার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে অনেকটা মেপে জবাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, আমরা এখনো এ নিয়ে ভাবিইনি। তবে একেবারে সম্ভাবনা নাকচও করেননি।
শুধু নেতানিয়াহুই নন, নিউজম্যাক্স ও টাইম ম্যাগাজিনের আলাপে নেতানিয়াহুর অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটকে নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। আইজেনকট সম্পর্কে তিনি জানান, তার বিষয়ে তিনি খারাপ কিছু শোনেন না।
এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ইসরায়েলের চ্যানেল ১৩-এর প্রকাশিত একটি জনমত জরিপ নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছিলেন ট্রাম্প। ওই জরিপে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট নেসেটে সর্বমোট ৫৪টি আসন পেতে পারে। তবে একক দল হিসেবে গাদি আইজেনকটের দল ‘ইয়াশার’ ২২টি আসন পেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল, যেখানে নেতানিয়াহুর দল ‘লিকুদ’-এর আসনসংখ্যা কমে ১৮-তে নেমে আসার আভাস দেওয়া হয়।
সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট

ইউক্রেনে ইন্টারনেটের গতি কমানোর নির্দেশ দিয়েছিল হোয়াইট হাউস







