প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হামলা: ইয়েমেনে বাড়ছে পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধের শঙ্কা

প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হামলা: ইয়েমেনে বাড়ছে পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধের শঙ্কা
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করছে। একদিকে ইরানে ‘মাদার অব অল বোম্ব’ ফেলার হুমকি দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, অন্যদিকে ইয়েমেনে বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি ও সৌদি জোটের মধ্যে সংঘর্ষ বাড়ছে। গত কয়েকদিন ধরেই ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত বাহিনী ও সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠী। এবার ইয়েমেনের এডেন শহরের প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হুথি যোদ্ধারা। এতে অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবারের (১৫ অক্টোবর) এ হামলার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদকে টার্গেট করেছেতারা। আর এর মাধ্যমে দেশটিতে পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধের শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সদরদপ্তর প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সে অবস্থিত।
গত দুই মাস ধরেই ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুথিদের লড়াই চলছে। এরমধ্যে এবারই প্রথম দেশটির সরকারের প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে হামলার ঘটনা ঘটল।
ইয়েমেনের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রীদের হত্যার উদ্দেশ্যে হুথিরা এ হামলা চালিয়েছে।
এতে লড়াই আরও বাড়ছে এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এটি পরে পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধে রূপ নেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সাধারণ ইয়েমেনিরা। এরসঙ্গে সৌদি আরব ইতোমধ্যেই জড়িয়েছে। অন্যান্য আঞ্চলিক পরাশক্তিগুলোও যুক্ত হতে পারে।
হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিতে অন্যান্য ইসলামিক দেশগুলোর কাছে লবিং করছেন সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ বিন সালমানের প্রশাসন। দেশটি বলছে, হুথিরা আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং নৌ চলাচলের জন্য হুমকি।
বৃহস্পতিবারের হামলার মাধ্যমে হুথিরা দেখিয়েছে তারা ইয়েমেনের সরকারের মূল কেন্দ্রকে টার্গেট করতে চায়। সানা ইয়েমেনের রাজধানী হলেও সেটা হুথিদের দখলে। এজন্য এডেনকে অস্থায়ী রাজধানী হিসেবে ব্যবহার করে আসছে ইয়েমেন সরকার।
এই হামলার জবাবে হুথিদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইয়েমেনি বাহিনী। তবে আল জাজিরা জানিয়েছে, সমস্যা হলো হুথিদের কোনো সদরদপ্তর নেই, যেখানে তারা পাল্টা হামলা চালাবে। এছাড়া সশস্ত্র গোষ্ঠীটির নেতারা বিমান হামলা থেকে বাঁচতে লুকিয়ে থাকার বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন।
ইয়েমেন সরকারের মন্ত্রিসভা বলেছে, এডেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে চালানো হামলা হুথিদের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা সৃষ্টির কর্মকাণ্ডেরই অংশ। এর মধ্যে তাইজ, লাহিজ এবং সৌদি আরবের বেসামরিক এলাকাগুলোতে হামলাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রী শায়া মোহসেন জিনদানি এডেনে হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি একে কাপুরুষোচিত আখ্যা দিয়েছেন। একইসঙ্গে এই হামলা তাদের অপরাধমূলক আচরণের ধারাবাহিকতা বলে অভিহিত করেছেন।
জিনদানি বলেন, ‘ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল ও অন্যান্য যুদ্ধক্ষেত্রে হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তাদের সেনাদের মনোবল এই হামলার ঘটনায় একটুও কমবে না।’ সরকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করছে। একদিকে ইরানে ‘মাদার অব অল বোম্ব’ ফেলার হুমকি দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, অন্যদিকে ইয়েমেনে বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি ও সৌদি জোটের মধ্যে সংঘর্ষ বাড়ছে। গত কয়েকদিন ধরেই ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত বাহিনী ও সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠী। এবার ইয়েমেনের এডেন শহরের প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হুথি যোদ্ধারা। এতে অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবারের (১৫ অক্টোবর) এ হামলার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদকে টার্গেট করেছেতারা। আর এর মাধ্যমে দেশটিতে পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধের শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সদরদপ্তর প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সে অবস্থিত।
গত দুই মাস ধরেই ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুথিদের লড়াই চলছে। এরমধ্যে এবারই প্রথম দেশটির সরকারের প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে হামলার ঘটনা ঘটল।
ইয়েমেনের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রীদের হত্যার উদ্দেশ্যে হুথিরা এ হামলা চালিয়েছে।
এতে লড়াই আরও বাড়ছে এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এটি পরে পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধে রূপ নেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সাধারণ ইয়েমেনিরা। এরসঙ্গে সৌদি আরব ইতোমধ্যেই জড়িয়েছে। অন্যান্য আঞ্চলিক পরাশক্তিগুলোও যুক্ত হতে পারে।
হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিতে অন্যান্য ইসলামিক দেশগুলোর কাছে লবিং করছেন সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ বিন সালমানের প্রশাসন। দেশটি বলছে, হুথিরা আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং নৌ চলাচলের জন্য হুমকি।
বৃহস্পতিবারের হামলার মাধ্যমে হুথিরা দেখিয়েছে তারা ইয়েমেনের সরকারের মূল কেন্দ্রকে টার্গেট করতে চায়। সানা ইয়েমেনের রাজধানী হলেও সেটা হুথিদের দখলে। এজন্য এডেনকে অস্থায়ী রাজধানী হিসেবে ব্যবহার করে আসছে ইয়েমেন সরকার।
এই হামলার জবাবে হুথিদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইয়েমেনি বাহিনী। তবে আল জাজিরা জানিয়েছে, সমস্যা হলো হুথিদের কোনো সদরদপ্তর নেই, যেখানে তারা পাল্টা হামলা চালাবে। এছাড়া সশস্ত্র গোষ্ঠীটির নেতারা বিমান হামলা থেকে বাঁচতে লুকিয়ে থাকার বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন।
ইয়েমেন সরকারের মন্ত্রিসভা বলেছে, এডেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে চালানো হামলা হুথিদের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা সৃষ্টির কর্মকাণ্ডেরই অংশ। এর মধ্যে তাইজ, লাহিজ এবং সৌদি আরবের বেসামরিক এলাকাগুলোতে হামলাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রী শায়া মোহসেন জিনদানি এডেনে হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি একে কাপুরুষোচিত আখ্যা দিয়েছেন। একইসঙ্গে এই হামলা তাদের অপরাধমূলক আচরণের ধারাবাহিকতা বলে অভিহিত করেছেন।
জিনদানি বলেন, ‘ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল ও অন্যান্য যুদ্ধক্ষেত্রে হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তাদের সেনাদের মনোবল এই হামলার ঘটনায় একটুও কমবে না।’ সরকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা

প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হামলা: ইয়েমেনে বাড়ছে পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধের শঙ্কা
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করছে। একদিকে ইরানে ‘মাদার অব অল বোম্ব’ ফেলার হুমকি দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, অন্যদিকে ইয়েমেনে বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি ও সৌদি জোটের মধ্যে সংঘর্ষ বাড়ছে। গত কয়েকদিন ধরেই ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত বাহিনী ও সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠী। এবার ইয়েমেনের এডেন শহরের প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হুথি যোদ্ধারা। এতে অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবারের (১৫ অক্টোবর) এ হামলার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদকে টার্গেট করেছেতারা। আর এর মাধ্যমে দেশটিতে পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধের শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সদরদপ্তর প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সে অবস্থিত।
গত দুই মাস ধরেই ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুথিদের লড়াই চলছে। এরমধ্যে এবারই প্রথম দেশটির সরকারের প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে হামলার ঘটনা ঘটল।
ইয়েমেনের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রীদের হত্যার উদ্দেশ্যে হুথিরা এ হামলা চালিয়েছে।
এতে লড়াই আরও বাড়ছে এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এটি পরে পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধে রূপ নেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সাধারণ ইয়েমেনিরা। এরসঙ্গে সৌদি আরব ইতোমধ্যেই জড়িয়েছে। অন্যান্য আঞ্চলিক পরাশক্তিগুলোও যুক্ত হতে পারে।
হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিতে অন্যান্য ইসলামিক দেশগুলোর কাছে লবিং করছেন সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ বিন সালমানের প্রশাসন। দেশটি বলছে, হুথিরা আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং নৌ চলাচলের জন্য হুমকি।
বৃহস্পতিবারের হামলার মাধ্যমে হুথিরা দেখিয়েছে তারা ইয়েমেনের সরকারের মূল কেন্দ্রকে টার্গেট করতে চায়। সানা ইয়েমেনের রাজধানী হলেও সেটা হুথিদের দখলে। এজন্য এডেনকে অস্থায়ী রাজধানী হিসেবে ব্যবহার করে আসছে ইয়েমেন সরকার।
এই হামলার জবাবে হুথিদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইয়েমেনি বাহিনী। তবে আল জাজিরা জানিয়েছে, সমস্যা হলো হুথিদের কোনো সদরদপ্তর নেই, যেখানে তারা পাল্টা হামলা চালাবে। এছাড়া সশস্ত্র গোষ্ঠীটির নেতারা বিমান হামলা থেকে বাঁচতে লুকিয়ে থাকার বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন।
ইয়েমেন সরকারের মন্ত্রিসভা বলেছে, এডেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে চালানো হামলা হুথিদের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা সৃষ্টির কর্মকাণ্ডেরই অংশ। এর মধ্যে তাইজ, লাহিজ এবং সৌদি আরবের বেসামরিক এলাকাগুলোতে হামলাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রী শায়া মোহসেন জিনদানি এডেনে হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি একে কাপুরুষোচিত আখ্যা দিয়েছেন। একইসঙ্গে এই হামলা তাদের অপরাধমূলক আচরণের ধারাবাহিকতা বলে অভিহিত করেছেন।
জিনদানি বলেন, ‘ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল ও অন্যান্য যুদ্ধক্ষেত্রে হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তাদের সেনাদের মনোবল এই হামলার ঘটনায় একটুও কমবে না।’ সরকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা

সৌদি-হুথি সংঘাত চলতে থাকলে চাপে পড়বে বাংলাদেশের অর্থনীতি







