মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার মূল কারণ ইসরায়েলের দখলদারিত্ব: ৪ দেশের যৌথ বিবৃতি

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার মূল কারণ ইসরায়েলের দখলদারিত্ব: ৪ দেশের যৌথ বিবৃতি
সিজেডএন ডেস্ক

গত কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। সম্প্রতি এটা তীব্র আকার ধারণ করেছে। একদিকে ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিন ও লেবাননে ধ্বংসযজ্ঞ, অন্যদিকে ইরানে হামলা। আর এখন সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যকার সংঘাত ছড়িয়ে পড়ছে। তবে মধ্যপ্রাচ্য ও এর বাইরের অঞ্চলের অস্থিরতার জন্য ইসরায়েলের দখলদারিত্ব মূল দায়ী বলে জানিয়েছে ৪ মুসলিম দেশ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে এমন কথা বলেছে সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান ও মিসর।
তুরস্কের প্রাচীন শহর ইস্তাম্বুলে গতকাল এ চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে বসেন। এরপর তারা এ যৌথ বিবৃতি দেন।
এতে বলা হয়, ‘বিশ্বজুড়ে যেসব অন্যায় হচ্ছে সেগুলো আরও বাড়িয়ে তুলছে ইসরায়েলের সরকারি নীতি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেছেন, ‘বিশ্বজুড়ে যেসব অন্যায় হচ্ছে সেগুলো আরও বাড়িয়ে তুলছে ইসরায়েলের সরকারি নীতি।’ তারা ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য নিজ নিজ দেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তারা অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ এবং বসতি স্থাপনকারীদের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান। সেইসঙ্গে গাজায় মানবিক সহায়তা নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ এবং ওই অঞ্চলে পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
মন্ত্রীরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আরও বিস্তার রোধে নতুন করে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোরও আহ্বান জানিয়েছেন। তারা জোর দিয়ে বলেছেন, এই সংকট ‘শুধুমাত্র সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই’ সমাধান হবে।
বিবৃতিতে জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি উভয় পক্ষকে একটি স্থায়ী ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এই বিবৃতি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের ওপর হামলা তীব্রতর করেছে। অন্যদিকে আগামী ৩ নভেম্বরের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো এবং ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার ওপর সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা করেছে। যা নতুন করে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।
মন্ত্রীরা ইয়েমেন ও সৌদি আরবে হুথি মিলিশিয়াদের ‘অগ্রহণযোগ্য উস্কানি’ এবং বেসামরিক নাগরিক ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।
তারা সৌদি আরব এবং ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকারের প্রতি তাদের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং হুথিদের অবিলম্বে সামরিক কার্যকলাপ বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলারও নিন্দা জানানো হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, আরব নিউজ

গত কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। সম্প্রতি এটা তীব্র আকার ধারণ করেছে। একদিকে ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিন ও লেবাননে ধ্বংসযজ্ঞ, অন্যদিকে ইরানে হামলা। আর এখন সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যকার সংঘাত ছড়িয়ে পড়ছে। তবে মধ্যপ্রাচ্য ও এর বাইরের অঞ্চলের অস্থিরতার জন্য ইসরায়েলের দখলদারিত্ব মূল দায়ী বলে জানিয়েছে ৪ মুসলিম দেশ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে এমন কথা বলেছে সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান ও মিসর।
তুরস্কের প্রাচীন শহর ইস্তাম্বুলে গতকাল এ চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে বসেন। এরপর তারা এ যৌথ বিবৃতি দেন।
এতে বলা হয়, ‘বিশ্বজুড়ে যেসব অন্যায় হচ্ছে সেগুলো আরও বাড়িয়ে তুলছে ইসরায়েলের সরকারি নীতি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেছেন, ‘বিশ্বজুড়ে যেসব অন্যায় হচ্ছে সেগুলো আরও বাড়িয়ে তুলছে ইসরায়েলের সরকারি নীতি।’ তারা ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য নিজ নিজ দেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তারা অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ এবং বসতি স্থাপনকারীদের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান। সেইসঙ্গে গাজায় মানবিক সহায়তা নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ এবং ওই অঞ্চলে পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
মন্ত্রীরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আরও বিস্তার রোধে নতুন করে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোরও আহ্বান জানিয়েছেন। তারা জোর দিয়ে বলেছেন, এই সংকট ‘শুধুমাত্র সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই’ সমাধান হবে।
বিবৃতিতে জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি উভয় পক্ষকে একটি স্থায়ী ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এই বিবৃতি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের ওপর হামলা তীব্রতর করেছে। অন্যদিকে আগামী ৩ নভেম্বরের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো এবং ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার ওপর সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা করেছে। যা নতুন করে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।
মন্ত্রীরা ইয়েমেন ও সৌদি আরবে হুথি মিলিশিয়াদের ‘অগ্রহণযোগ্য উস্কানি’ এবং বেসামরিক নাগরিক ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।
তারা সৌদি আরব এবং ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকারের প্রতি তাদের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং হুথিদের অবিলম্বে সামরিক কার্যকলাপ বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলারও নিন্দা জানানো হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, আরব নিউজ

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার মূল কারণ ইসরায়েলের দখলদারিত্ব: ৪ দেশের যৌথ বিবৃতি
সিজেডএন ডেস্ক

গত কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। সম্প্রতি এটা তীব্র আকার ধারণ করেছে। একদিকে ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিন ও লেবাননে ধ্বংসযজ্ঞ, অন্যদিকে ইরানে হামলা। আর এখন সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যকার সংঘাত ছড়িয়ে পড়ছে। তবে মধ্যপ্রাচ্য ও এর বাইরের অঞ্চলের অস্থিরতার জন্য ইসরায়েলের দখলদারিত্ব মূল দায়ী বলে জানিয়েছে ৪ মুসলিম দেশ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে এমন কথা বলেছে সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান ও মিসর।
তুরস্কের প্রাচীন শহর ইস্তাম্বুলে গতকাল এ চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে বসেন। এরপর তারা এ যৌথ বিবৃতি দেন।
এতে বলা হয়, ‘বিশ্বজুড়ে যেসব অন্যায় হচ্ছে সেগুলো আরও বাড়িয়ে তুলছে ইসরায়েলের সরকারি নীতি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেছেন, ‘বিশ্বজুড়ে যেসব অন্যায় হচ্ছে সেগুলো আরও বাড়িয়ে তুলছে ইসরায়েলের সরকারি নীতি।’ তারা ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য নিজ নিজ দেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তারা অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ এবং বসতি স্থাপনকারীদের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান। সেইসঙ্গে গাজায় মানবিক সহায়তা নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ এবং ওই অঞ্চলে পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
মন্ত্রীরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আরও বিস্তার রোধে নতুন করে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোরও আহ্বান জানিয়েছেন। তারা জোর দিয়ে বলেছেন, এই সংকট ‘শুধুমাত্র সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই’ সমাধান হবে।
বিবৃতিতে জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি উভয় পক্ষকে একটি স্থায়ী ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এই বিবৃতি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের ওপর হামলা তীব্রতর করেছে। অন্যদিকে আগামী ৩ নভেম্বরের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো এবং ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার ওপর সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা করেছে। যা নতুন করে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।
মন্ত্রীরা ইয়েমেন ও সৌদি আরবে হুথি মিলিশিয়াদের ‘অগ্রহণযোগ্য উস্কানি’ এবং বেসামরিক নাগরিক ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।
তারা সৌদি আরব এবং ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকারের প্রতি তাদের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং হুথিদের অবিলম্বে সামরিক কার্যকলাপ বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলারও নিন্দা জানানো হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, আরব নিউজ

দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত, পশ্চিম তীরে বড় সামরিক অভিযানের ঘোষণা নেতানিয়াহুর
ইরানে ইসরায়েলের লক্ষ্য কী, জানালেন নেতানিয়াহু






