তাইওয়ানকে লণ্ডভণ্ড চীনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে টাইফুন চাম্পি

তাইওয়ানকে লণ্ডভণ্ড চীনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে টাইফুন চাম্পি
সিজেডএন ডেস্ক

ঘণ্টায় প্রায় ১২৬ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া ও প্রবল বৃষ্টি নিয়ে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে শক্তিশালী টাইফুন চাম্পি। এ দুর্যোগে দ্বীপটিতে অন্তত ১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন পাঁচ শতাধিক মানুষ। প্রবল বাতাসে বহু গাছপালা উপড়ে পড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে লক্ষাধিক ঘরবাড়ি। এলাকাটিতে তাণ্ডব চালানোর পর ঝড়টি কিছুটা দুর্বল হয়ে এখন চীনের উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসন (সিডব্লিউএ) জানায়, শনিবার (২৩ অক্টোবর) ভোররাতে ঝড়টি তাইওয়ানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে আঘাত হানার পর দ্বীপটির প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থান করছিল। আবহাওয়াবিদদের মতে, পূর্বে এটি সুপার টাইফুন এবং এ বছর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম শক্তিশালী ঝড়। বর্তমানে এর গতি কিছুটা কমলেও তাণ্ডব চালানোর ক্ষমতা এখনো রয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, চাম্পি প্রথমে চীনের উপকূলের দিকে উত্তরমুখী হয়ে এগোবে এবং অবশেষে দক্ষিণ জাপানে প্রবেশ করতে পারে।
ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তাইওয়ানের ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, লিউকিউ দ্বীপ থেকে আসা ঢেউয়ে ভেসে গিয়ে একজন নিহত হয়েছে। প্রবল বাতাস ও মুষলধারে বৃষ্টির কারণে আরও ৫২৭ জন আহত হয়েছেন।
হঠাৎ তীব্র ঝড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা তাইপাওয়ার জানিয়েছে, ১ লাখ ৬৭ হাজারেরও বেশি বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ছিল, তবে সেগুলোর বেশিরভাগেই পুনরায় সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সাধারণ জীবনযাত্রা থমকে গেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় তাইপেসহ উত্তর ও মধ্য তাইওয়ানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে শনিবার দ্বিতীয় দিনের মতো অফিস ও স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং কিছু ফ্লাইটও বাতিল করা হয় ।
সাধারণত টাইফুনের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় তাইওয়ান বেশ সংগঠিত। এর ফলে বড় ধরনের বিপর্যয় সত্ত্বেও প্রাণহানির সংখ্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ঘণ্টায় প্রায় ১২৬ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া ও প্রবল বৃষ্টি নিয়ে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে শক্তিশালী টাইফুন চাম্পি। এ দুর্যোগে দ্বীপটিতে অন্তত ১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন পাঁচ শতাধিক মানুষ। প্রবল বাতাসে বহু গাছপালা উপড়ে পড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে লক্ষাধিক ঘরবাড়ি। এলাকাটিতে তাণ্ডব চালানোর পর ঝড়টি কিছুটা দুর্বল হয়ে এখন চীনের উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসন (সিডব্লিউএ) জানায়, শনিবার (২৩ অক্টোবর) ভোররাতে ঝড়টি তাইওয়ানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে আঘাত হানার পর দ্বীপটির প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থান করছিল। আবহাওয়াবিদদের মতে, পূর্বে এটি সুপার টাইফুন এবং এ বছর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম শক্তিশালী ঝড়। বর্তমানে এর গতি কিছুটা কমলেও তাণ্ডব চালানোর ক্ষমতা এখনো রয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, চাম্পি প্রথমে চীনের উপকূলের দিকে উত্তরমুখী হয়ে এগোবে এবং অবশেষে দক্ষিণ জাপানে প্রবেশ করতে পারে।
ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তাইওয়ানের ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, লিউকিউ দ্বীপ থেকে আসা ঢেউয়ে ভেসে গিয়ে একজন নিহত হয়েছে। প্রবল বাতাস ও মুষলধারে বৃষ্টির কারণে আরও ৫২৭ জন আহত হয়েছেন।
হঠাৎ তীব্র ঝড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা তাইপাওয়ার জানিয়েছে, ১ লাখ ৬৭ হাজারেরও বেশি বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ছিল, তবে সেগুলোর বেশিরভাগেই পুনরায় সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সাধারণ জীবনযাত্রা থমকে গেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় তাইপেসহ উত্তর ও মধ্য তাইওয়ানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে শনিবার দ্বিতীয় দিনের মতো অফিস ও স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং কিছু ফ্লাইটও বাতিল করা হয় ।
সাধারণত টাইফুনের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় তাইওয়ান বেশ সংগঠিত। এর ফলে বড় ধরনের বিপর্যয় সত্ত্বেও প্রাণহানির সংখ্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

তাইওয়ানকে লণ্ডভণ্ড চীনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে টাইফুন চাম্পি
সিজেডএন ডেস্ক

ঘণ্টায় প্রায় ১২৬ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া ও প্রবল বৃষ্টি নিয়ে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে শক্তিশালী টাইফুন চাম্পি। এ দুর্যোগে দ্বীপটিতে অন্তত ১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন পাঁচ শতাধিক মানুষ। প্রবল বাতাসে বহু গাছপালা উপড়ে পড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে লক্ষাধিক ঘরবাড়ি। এলাকাটিতে তাণ্ডব চালানোর পর ঝড়টি কিছুটা দুর্বল হয়ে এখন চীনের উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসন (সিডব্লিউএ) জানায়, শনিবার (২৩ অক্টোবর) ভোররাতে ঝড়টি তাইওয়ানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে আঘাত হানার পর দ্বীপটির প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থান করছিল। আবহাওয়াবিদদের মতে, পূর্বে এটি সুপার টাইফুন এবং এ বছর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম শক্তিশালী ঝড়। বর্তমানে এর গতি কিছুটা কমলেও তাণ্ডব চালানোর ক্ষমতা এখনো রয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, চাম্পি প্রথমে চীনের উপকূলের দিকে উত্তরমুখী হয়ে এগোবে এবং অবশেষে দক্ষিণ জাপানে প্রবেশ করতে পারে।
ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তাইওয়ানের ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, লিউকিউ দ্বীপ থেকে আসা ঢেউয়ে ভেসে গিয়ে একজন নিহত হয়েছে। প্রবল বাতাস ও মুষলধারে বৃষ্টির কারণে আরও ৫২৭ জন আহত হয়েছেন।
হঠাৎ তীব্র ঝড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা তাইপাওয়ার জানিয়েছে, ১ লাখ ৬৭ হাজারেরও বেশি বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ছিল, তবে সেগুলোর বেশিরভাগেই পুনরায় সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সাধারণ জীবনযাত্রা থমকে গেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় তাইপেসহ উত্তর ও মধ্য তাইওয়ানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে শনিবার দ্বিতীয় দিনের মতো অফিস ও স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং কিছু ফ্লাইটও বাতিল করা হয় ।
সাধারণত টাইফুনের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় তাইওয়ান বেশ সংগঠিত। এর ফলে বড় ধরনের বিপর্যয় সত্ত্বেও প্রাণহানির সংখ্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান









