বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের বাড়াবাড়ি এবং নির্বিচারে আটকের ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। রবিবার (১১ অক্টোবর) এক বিশেষ শুনানিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, বেআইনিভাবে কোনো বিক্ষোভকারীকে আটক করা যাবে না। বিশেষ করে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-এর ১৬৩ ধারার নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন এলাকার বাইরে এ নিয়ম কঠোরভাবে মানতে হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিক্ষোভে রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে আইনজীবী, সাংবাদিক ও সাধারণ নাগরিকদের যেভাবে আটকে রাখা হয়েছিল, তার বৈধতার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ বিশেষ শুনানি হয়। আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, বিক্ষোভের নামে ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, ইন্টারনেট পরিষেবা সীমিত করা হয়েছিল এবং গণমাধ্যমকর্মী ও আইনজীবীদের ওপরও হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ শোনার পর বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও ভি মোহনার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ কড়া বার্তা দেয়। আদালত জানিয়েছে, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার অতি জরুরি প্রয়োজন না থাকলে মেট্রো ও রেল পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে। একই সঙ্গে আইন মেনে ইন্টারনেট পরিষেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখা এবং সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।
আইনজীবীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এমনকি সুপ্রিম কোর্ট চত্বরের ভেতরে বা আশেপাশে ১৬৩ ধারা জারির যেসব নোটিশ এখনো সরানো হয়নি, সেগুলো অবিলম্বে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ভারতের সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের বাড়াবাড়ি এবং নির্বিচারে আটকের ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। রবিবার (১১ অক্টোবর) এক বিশেষ শুনানিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, বেআইনিভাবে কোনো বিক্ষোভকারীকে আটক করা যাবে না। বিশেষ করে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-এর ১৬৩ ধারার নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন এলাকার বাইরে এ নিয়ম কঠোরভাবে মানতে হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিক্ষোভে রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে আইনজীবী, সাংবাদিক ও সাধারণ নাগরিকদের যেভাবে আটকে রাখা হয়েছিল, তার বৈধতার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ বিশেষ শুনানি হয়। আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, বিক্ষোভের নামে ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, ইন্টারনেট পরিষেবা সীমিত করা হয়েছিল এবং গণমাধ্যমকর্মী ও আইনজীবীদের ওপরও হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ শোনার পর বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও ভি মোহনার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ কড়া বার্তা দেয়। আদালত জানিয়েছে, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার অতি জরুরি প্রয়োজন না থাকলে মেট্রো ও রেল পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে। একই সঙ্গে আইন মেনে ইন্টারনেট পরিষেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখা এবং সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।
আইনজীবীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এমনকি সুপ্রিম কোর্ট চত্বরের ভেতরে বা আশেপাশে ১৬৩ ধারা জারির যেসব নোটিশ এখনো সরানো হয়নি, সেগুলো অবিলম্বে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের বাড়াবাড়ি এবং নির্বিচারে আটকের ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। রবিবার (১১ অক্টোবর) এক বিশেষ শুনানিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, বেআইনিভাবে কোনো বিক্ষোভকারীকে আটক করা যাবে না। বিশেষ করে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-এর ১৬৩ ধারার নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন এলাকার বাইরে এ নিয়ম কঠোরভাবে মানতে হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিক্ষোভে রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে আইনজীবী, সাংবাদিক ও সাধারণ নাগরিকদের যেভাবে আটকে রাখা হয়েছিল, তার বৈধতার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ বিশেষ শুনানি হয়। আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, বিক্ষোভের নামে ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, ইন্টারনেট পরিষেবা সীমিত করা হয়েছিল এবং গণমাধ্যমকর্মী ও আইনজীবীদের ওপরও হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ শোনার পর বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও ভি মোহনার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ কড়া বার্তা দেয়। আদালত জানিয়েছে, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার অতি জরুরি প্রয়োজন না থাকলে মেট্রো ও রেল পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে। একই সঙ্গে আইন মেনে ইন্টারনেট পরিষেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখা এবং সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।
আইনজীবীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এমনকি সুপ্রিম কোর্ট চত্বরের ভেতরে বা আশেপাশে ১৬৩ ধারা জারির যেসব নোটিশ এখনো সরানো হয়নি, সেগুলো অবিলম্বে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

মোদি ভারতের জন্য লজ্জা: অভিজিৎ দীপকে







