বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ, অঘোষিত গৃহবন্দিতে ধ্রুব রাঠি

বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ, অঘোষিত গৃহবন্দিতে ধ্রুব রাঠি
সিজেডএন ডেস্ক

ধ্রুব রাঠিকে ঘিরে ভারতে তৈরি হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা। পুলিশ তাকে অঘোষিতভাবে গৃহবন্দি করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন এ জনপ্রিয় ইউটিউবার। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তার বাড়ির চারপাশে ৫০ জনেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন রয়েছে এবং তিনি কোনও প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দিলেই তাকে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
জনপ্রিয় ও ইউটিউবার বলেন, ইন্ডিয়া জোটের সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে যোগ দিতে চাই। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে পথে নামতে চাই। কিন্তু বাড়ির চারপাশ ঘিরে রেখেছে ৫০ জন পুলিশ কর্মী। আমি যেখানেই যাই, আমায় অনুসরণ করছে ওরা। আমাকে বলা হচ্ছে, যদি কোনও আন্দোলনে সামিল হই তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আমায় তুলে নেওয়া হবে। এটাই হয়তো অঘোষিত গৃহবন্দি।"তিনি আরও জানান, তাকে গাড়িতে করে টানা ফলো করা হচ্ছে এবং তার ওপর কড়া নজরদারি চলছে।
এদিকে ধ্রুবর নাগরিকত্ব নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি। বিজেপি নেতা ভাস্কর রাও দাবি করেছিলেন যে ধ্রুব একজন জার্মান নাগরিক এবং ভিনদেশি হয়ে ভারতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া সংবিধানের নিয়ম লঙ্ঘন। এ গুঞ্জন উড়িয়ে রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালেই একটি ভিডিও প্রকাশ করে নিজের ভারতীয় পাসপোর্ট সবার সামনে আনেন ধ্রুব রাঠি। তিনি বলেন, আমি একজন ভারতীয় নাগরিক ছিলাম, আছি এবং থাকব। গুজব ছড়ানো হচ্ছে, আমি বিদেশ নাগরিক বলে নাকি আন্দোলনে অংশ নিতে পারব না। সে কারণেই নাকি আমায় আটক করা হয়েছে, এগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা। একজন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে বাকি ৫ জনের যা অধিকার রয়েছে, আমারও তাই আছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) যন্তর মন্তরে একটি রাজনৈতিক অভিযানে তার যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই পুলিশ তাকে আটক করে বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি তাকে অপহরণ করা হয়েছিল বলেও চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তিনি। তার কথায়, গতকাল সকাল ৭টা নাগাদ আমি নিজের বেডরুমে শুয়েছিলাম। বাইরে সাদা পোশাকে অনেক লোকজন ঘুরছিল, মা কৌতুহল বশত দরজা খোলেন। হঠাৎ করে প্রায় ২০ জন তাকে ধাক্কা মেরে ঘরে ঢুকে পড়েন। মায়ের চিৎকার শুনে আমি উঠে পড়ি। বেডরুমের দরজা খুলে ওই মানুষগুলো ঢুকে পড়েন। আমি কিছু বোঝার আগেই আমায় কিডন্যাপ করেন ওরা। গুন্ডা পাঠিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বেডরুম থেকে। টানতে টানতে সিঁড়ি দিয়ে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল আমায়। যেন আমি ক্রিমিনাল। ফোন ছিনিয়ে নিয়েছিল। ২২-২৩ ঘণ্টা আমায় আটকে রাখা হয়েছিল।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ধ্রুব রাঠিকে ঘিরে ভারতে তৈরি হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা। পুলিশ তাকে অঘোষিতভাবে গৃহবন্দি করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন এ জনপ্রিয় ইউটিউবার। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তার বাড়ির চারপাশে ৫০ জনেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন রয়েছে এবং তিনি কোনও প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দিলেই তাকে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
জনপ্রিয় ও ইউটিউবার বলেন, ইন্ডিয়া জোটের সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে যোগ দিতে চাই। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে পথে নামতে চাই। কিন্তু বাড়ির চারপাশ ঘিরে রেখেছে ৫০ জন পুলিশ কর্মী। আমি যেখানেই যাই, আমায় অনুসরণ করছে ওরা। আমাকে বলা হচ্ছে, যদি কোনও আন্দোলনে সামিল হই তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আমায় তুলে নেওয়া হবে। এটাই হয়তো অঘোষিত গৃহবন্দি।"তিনি আরও জানান, তাকে গাড়িতে করে টানা ফলো করা হচ্ছে এবং তার ওপর কড়া নজরদারি চলছে।
এদিকে ধ্রুবর নাগরিকত্ব নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি। বিজেপি নেতা ভাস্কর রাও দাবি করেছিলেন যে ধ্রুব একজন জার্মান নাগরিক এবং ভিনদেশি হয়ে ভারতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া সংবিধানের নিয়ম লঙ্ঘন। এ গুঞ্জন উড়িয়ে রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালেই একটি ভিডিও প্রকাশ করে নিজের ভারতীয় পাসপোর্ট সবার সামনে আনেন ধ্রুব রাঠি। তিনি বলেন, আমি একজন ভারতীয় নাগরিক ছিলাম, আছি এবং থাকব। গুজব ছড়ানো হচ্ছে, আমি বিদেশ নাগরিক বলে নাকি আন্দোলনে অংশ নিতে পারব না। সে কারণেই নাকি আমায় আটক করা হয়েছে, এগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা। একজন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে বাকি ৫ জনের যা অধিকার রয়েছে, আমারও তাই আছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) যন্তর মন্তরে একটি রাজনৈতিক অভিযানে তার যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই পুলিশ তাকে আটক করে বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি তাকে অপহরণ করা হয়েছিল বলেও চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তিনি। তার কথায়, গতকাল সকাল ৭টা নাগাদ আমি নিজের বেডরুমে শুয়েছিলাম। বাইরে সাদা পোশাকে অনেক লোকজন ঘুরছিল, মা কৌতুহল বশত দরজা খোলেন। হঠাৎ করে প্রায় ২০ জন তাকে ধাক্কা মেরে ঘরে ঢুকে পড়েন। মায়ের চিৎকার শুনে আমি উঠে পড়ি। বেডরুমের দরজা খুলে ওই মানুষগুলো ঢুকে পড়েন। আমি কিছু বোঝার আগেই আমায় কিডন্যাপ করেন ওরা। গুন্ডা পাঠিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বেডরুম থেকে। টানতে টানতে সিঁড়ি দিয়ে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল আমায়। যেন আমি ক্রিমিনাল। ফোন ছিনিয়ে নিয়েছিল। ২২-২৩ ঘণ্টা আমায় আটকে রাখা হয়েছিল।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ, অঘোষিত গৃহবন্দিতে ধ্রুব রাঠি
সিজেডএন ডেস্ক

ধ্রুব রাঠিকে ঘিরে ভারতে তৈরি হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা। পুলিশ তাকে অঘোষিতভাবে গৃহবন্দি করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন এ জনপ্রিয় ইউটিউবার। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তার বাড়ির চারপাশে ৫০ জনেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন রয়েছে এবং তিনি কোনও প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দিলেই তাকে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
জনপ্রিয় ও ইউটিউবার বলেন, ইন্ডিয়া জোটের সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে যোগ দিতে চাই। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে পথে নামতে চাই। কিন্তু বাড়ির চারপাশ ঘিরে রেখেছে ৫০ জন পুলিশ কর্মী। আমি যেখানেই যাই, আমায় অনুসরণ করছে ওরা। আমাকে বলা হচ্ছে, যদি কোনও আন্দোলনে সামিল হই তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আমায় তুলে নেওয়া হবে। এটাই হয়তো অঘোষিত গৃহবন্দি।"তিনি আরও জানান, তাকে গাড়িতে করে টানা ফলো করা হচ্ছে এবং তার ওপর কড়া নজরদারি চলছে।
এদিকে ধ্রুবর নাগরিকত্ব নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি। বিজেপি নেতা ভাস্কর রাও দাবি করেছিলেন যে ধ্রুব একজন জার্মান নাগরিক এবং ভিনদেশি হয়ে ভারতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া সংবিধানের নিয়ম লঙ্ঘন। এ গুঞ্জন উড়িয়ে রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালেই একটি ভিডিও প্রকাশ করে নিজের ভারতীয় পাসপোর্ট সবার সামনে আনেন ধ্রুব রাঠি। তিনি বলেন, আমি একজন ভারতীয় নাগরিক ছিলাম, আছি এবং থাকব। গুজব ছড়ানো হচ্ছে, আমি বিদেশ নাগরিক বলে নাকি আন্দোলনে অংশ নিতে পারব না। সে কারণেই নাকি আমায় আটক করা হয়েছে, এগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা। একজন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে বাকি ৫ জনের যা অধিকার রয়েছে, আমারও তাই আছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) যন্তর মন্তরে একটি রাজনৈতিক অভিযানে তার যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই পুলিশ তাকে আটক করে বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি তাকে অপহরণ করা হয়েছিল বলেও চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তিনি। তার কথায়, গতকাল সকাল ৭টা নাগাদ আমি নিজের বেডরুমে শুয়েছিলাম। বাইরে সাদা পোশাকে অনেক লোকজন ঘুরছিল, মা কৌতুহল বশত দরজা খোলেন। হঠাৎ করে প্রায় ২০ জন তাকে ধাক্কা মেরে ঘরে ঢুকে পড়েন। মায়ের চিৎকার শুনে আমি উঠে পড়ি। বেডরুমের দরজা খুলে ওই মানুষগুলো ঢুকে পড়েন। আমি কিছু বোঝার আগেই আমায় কিডন্যাপ করেন ওরা। গুন্ডা পাঠিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বেডরুম থেকে। টানতে টানতে সিঁড়ি দিয়ে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল আমায়। যেন আমি ক্রিমিনাল। ফোন ছিনিয়ে নিয়েছিল। ২২-২৩ ঘণ্টা আমায় আটকে রাখা হয়েছিল।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আমাকে গ্রেপ্তার বা আটক নয়, অপহরণ করা হয়েছিলো: ধ্রুব রাঠি







