মেয়াদ শেষের আগেই পদত্যাগের ঘোষণা ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংকপ্রধানের

মেয়াদ শেষের আগেই পদত্যাগের ঘোষণা ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংকপ্রধানের
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মেয়াদ শেষের নয় মাস আগেই ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন ক্রিস্টিন লাগার্দ। আগামী বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ইসিবির পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তার দ্বায়িত্বে থাকার কথা ছিল। ইউরোজোনের সুদের হার নির্ধারণ নিয়ে ইসিবির গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকেই লাগার্দের পদত্যাগের বিষয়টি সামনে আসে।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় লাগার্দ বলেন, ইসিবির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তার জন্য ‘গর্বের ও বিশাল সম্মানের’ বিষয় ছিল। তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব ছাড়ার সময় তার মনে হচ্ছে, তিনি ভালো কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম একটি প্রতিষ্ঠান রেখে যাচ্ছেন।
লাগার্দ পরবর্তীতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে (ডব্লিউইএফ) যোগ দিতে পারেন বলে গুঞ্জন চলছে। গত বছর আর্থিক ও নৈতিক অসদাচরণের অভিযোগ মাথায় নিয়ে ডব্লিউইএফের প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস শোয়াব পদ ছাড়লেও তিনি অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। এখন সেই সংস্থার শীর্ষ পদে লাগার্দের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে।
তার এ আগাম বিদায়ের ফলে এখন ইসিবির পরবর্তী প্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। এই মুহূর্তে ইউরোজোন দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই নতুন প্রধান নির্বাচন করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তারা হলেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যাংকপ্রধান ক্লাস নট, স্পেনের ব্যাংকার পাবলো হার্নান্দেজ দে কোস, জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংকপ্রধান ইয়োয়াখিম নাগেল এবং ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নাদিয়া কালভিনো। সাধারণত ইউরোপীয় কাউন্সিলই ইসিবির প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দিয়ে থাকে।
২০১৯ সালের শেষ দিকে ইসিবির দায়িত্ব নেন লাগার্দ। তার এ দীর্ঘ মেয়াদে করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির মতো বড় বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা ও চাপ সামলাতে হয়েছে ইসিবিকে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মেয়াদ শেষের নয় মাস আগেই ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন ক্রিস্টিন লাগার্দ। আগামী বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ইসিবির পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তার দ্বায়িত্বে থাকার কথা ছিল। ইউরোজোনের সুদের হার নির্ধারণ নিয়ে ইসিবির গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকেই লাগার্দের পদত্যাগের বিষয়টি সামনে আসে।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় লাগার্দ বলেন, ইসিবির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তার জন্য ‘গর্বের ও বিশাল সম্মানের’ বিষয় ছিল। তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব ছাড়ার সময় তার মনে হচ্ছে, তিনি ভালো কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম একটি প্রতিষ্ঠান রেখে যাচ্ছেন।
লাগার্দ পরবর্তীতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে (ডব্লিউইএফ) যোগ দিতে পারেন বলে গুঞ্জন চলছে। গত বছর আর্থিক ও নৈতিক অসদাচরণের অভিযোগ মাথায় নিয়ে ডব্লিউইএফের প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস শোয়াব পদ ছাড়লেও তিনি অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। এখন সেই সংস্থার শীর্ষ পদে লাগার্দের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে।
তার এ আগাম বিদায়ের ফলে এখন ইসিবির পরবর্তী প্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। এই মুহূর্তে ইউরোজোন দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই নতুন প্রধান নির্বাচন করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তারা হলেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যাংকপ্রধান ক্লাস নট, স্পেনের ব্যাংকার পাবলো হার্নান্দেজ দে কোস, জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংকপ্রধান ইয়োয়াখিম নাগেল এবং ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নাদিয়া কালভিনো। সাধারণত ইউরোপীয় কাউন্সিলই ইসিবির প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দিয়ে থাকে।
২০১৯ সালের শেষ দিকে ইসিবির দায়িত্ব নেন লাগার্দ। তার এ দীর্ঘ মেয়াদে করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির মতো বড় বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা ও চাপ সামলাতে হয়েছে ইসিবিকে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মেয়াদ শেষের আগেই পদত্যাগের ঘোষণা ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংকপ্রধানের
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মেয়াদ শেষের নয় মাস আগেই ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন ক্রিস্টিন লাগার্দ। আগামী বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ইসিবির পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তার দ্বায়িত্বে থাকার কথা ছিল। ইউরোজোনের সুদের হার নির্ধারণ নিয়ে ইসিবির গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকেই লাগার্দের পদত্যাগের বিষয়টি সামনে আসে।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় লাগার্দ বলেন, ইসিবির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তার জন্য ‘গর্বের ও বিশাল সম্মানের’ বিষয় ছিল। তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব ছাড়ার সময় তার মনে হচ্ছে, তিনি ভালো কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম একটি প্রতিষ্ঠান রেখে যাচ্ছেন।
লাগার্দ পরবর্তীতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে (ডব্লিউইএফ) যোগ দিতে পারেন বলে গুঞ্জন চলছে। গত বছর আর্থিক ও নৈতিক অসদাচরণের অভিযোগ মাথায় নিয়ে ডব্লিউইএফের প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস শোয়াব পদ ছাড়লেও তিনি অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। এখন সেই সংস্থার শীর্ষ পদে লাগার্দের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে।
তার এ আগাম বিদায়ের ফলে এখন ইসিবির পরবর্তী প্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। এই মুহূর্তে ইউরোজোন দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই নতুন প্রধান নির্বাচন করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তারা হলেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যাংকপ্রধান ক্লাস নট, স্পেনের ব্যাংকার পাবলো হার্নান্দেজ দে কোস, জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংকপ্রধান ইয়োয়াখিম নাগেল এবং ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নাদিয়া কালভিনো। সাধারণত ইউরোপীয় কাউন্সিলই ইসিবির প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দিয়ে থাকে।
২০১৯ সালের শেষ দিকে ইসিবির দায়িত্ব নেন লাগার্দ। তার এ দীর্ঘ মেয়াদে করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির মতো বড় বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা ও চাপ সামলাতে হয়েছে ইসিবিকে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

হাইতিতে ২ হাজার সেনা পাঠিয়েছে এল সালভাদর 







