ইসরায়েলি নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার কাতারের

সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক
ইসরায়েলি নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার কাতারের
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ কিংবা প্রভাব খাটানোর জন্য অর্থ দেওয়ার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে কাতার। দেশটিকে জড়িয়ে ইসরায়েলি রাজনীতিবিদদের এমন দাবিকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছে দোহা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করে।

কাতারের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এক বিবৃতিতে বলেন, কাতার ইসরায়েলের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছে বা ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে কোনও কার্যক্রমে অর্থায়ন করেছে, এমন অভিযোগ আমরা সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করছি। তিনি জানান, নিজেদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকতেই ইসরায়েলের কিছু রাজনৈতিক নেতা ও সংবাদমাধ্যম কাতারকে বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি ইসরায়েলের নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান নোয়াম সোহলবার্গ দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো বৈরী বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতকে তদন্তের অনুরোধ জানান। বিশেষ করে আরব দলগুলোর পেছনে বিদেশি অর্থের লেনদেন রয়েছে কি না, সে বিষয়ে নজর দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি। এর পরপরই ইসরায়েলি রাজনীতিবিদদের একাংশ কোনো প্রমাণ ছাড়াই সরাসরি কাতারের দিকে আঙুল তুলতে শুরু করে। দোহা থেকে আসা এ কড়া বার্তা মূলত তারই স্পষ্ট জবাব।

এদিকে সব সাধারণ ব্যালট গণনা শেষে দেখা গেছে, ১২০ আসনের ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৪৮টি আসন ও বিভিন্ন আরব দল যৌথভাবে ১৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। সরকার গঠনের জন্য ন্যূনতম ৬১টি আসনের প্রয়োজন হলেও প্রধান দুই জোটের কেউই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে জটিল এ রাজনৈতিক সমীকরণে সরকার গঠনে আরব আইনপ্রণেতারাই এখন মূল ক্ষমতার চাবিকাঠি হয়ে উঠেছেন।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

/এমএকে/