যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে নিজেকে ব্রাজিলের ‘বৈধ নেতা’ দাবি বোলসোনারোর

যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে নিজেকে ব্রাজিলের ‘বৈধ নেতা’ দাবি বোলসোনারোর
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয় মেনে না নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছেন সদ্য সাবেক ডানপন্থি সিনেটর ফ্লাভিও বোলসোনারো। মায়ামিতে পৌঁছেই নিজেকে ব্রাজিলের একমাত্র ‘বৈধ নেতা’ বলে ঘোষণা করেছেন তিনি। তবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসার অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন এ রাজনীতিক।
রবিবারের (২৫ অক্টোবর) নির্বাচনে বামপন্থি নেতা লুইস ইনাসিও লুলা দ্য সিলভার কাছে ৪০ লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হেরে যান বোলসোনারো। ভোটের ফল প্রকাশের পরপরই দেশটির সুপ্রিম কোর্ট তাকে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) পরিবারসহ দেশ ছাড়েন তিনি। বুধবার (২৮ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিমানবন্দরে পৌঁছান বোলসোনারো।
বিমান থেকে নেমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুলা ও দেশটির সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, তিনি একটি পরিকল্পিত ‘নির্বাচনি অভ্যুত্থানের’ শিকার হয়েছেন।
মায়ামিতে নেমে এক্সে পোস্ট করা নিজের প্রথম খোলা চিঠিতে বোলসোনারো প্রথমে নিজেকে ‘নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে দাবি করেছিলেন। তবে কিছুক্ষণ পর সেই পোস্টটি মুছে নতুন আরেকটি চিঠি শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লেখেন, আমি শুধু আমার ছয় কোটি ভোটারকে না, ব্রাজিলের জনগণকে বলতে চাই, আমিই নেতা।
যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে তাকে সহায়তা করায় আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই এবং তাকে ও তার পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়া ও স্বাগত জানানোর জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান বোলসোনারো।
এদিকে মার্কিন সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঘটনাটির বিষয়ে কোনো সরাসরি মন্তব্য না করে তিনি কেবল বলেন, এটি খুব অদ্ভুত একটি নির্বাচন ছিল।
সূত্র: রয়টার্স

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয় মেনে না নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছেন সদ্য সাবেক ডানপন্থি সিনেটর ফ্লাভিও বোলসোনারো। মায়ামিতে পৌঁছেই নিজেকে ব্রাজিলের একমাত্র ‘বৈধ নেতা’ বলে ঘোষণা করেছেন তিনি। তবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসার অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন এ রাজনীতিক।
রবিবারের (২৫ অক্টোবর) নির্বাচনে বামপন্থি নেতা লুইস ইনাসিও লুলা দ্য সিলভার কাছে ৪০ লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হেরে যান বোলসোনারো। ভোটের ফল প্রকাশের পরপরই দেশটির সুপ্রিম কোর্ট তাকে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) পরিবারসহ দেশ ছাড়েন তিনি। বুধবার (২৮ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিমানবন্দরে পৌঁছান বোলসোনারো।
বিমান থেকে নেমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুলা ও দেশটির সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, তিনি একটি পরিকল্পিত ‘নির্বাচনি অভ্যুত্থানের’ শিকার হয়েছেন।
মায়ামিতে নেমে এক্সে পোস্ট করা নিজের প্রথম খোলা চিঠিতে বোলসোনারো প্রথমে নিজেকে ‘নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে দাবি করেছিলেন। তবে কিছুক্ষণ পর সেই পোস্টটি মুছে নতুন আরেকটি চিঠি শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লেখেন, আমি শুধু আমার ছয় কোটি ভোটারকে না, ব্রাজিলের জনগণকে বলতে চাই, আমিই নেতা।
যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে তাকে সহায়তা করায় আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই এবং তাকে ও তার পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়া ও স্বাগত জানানোর জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান বোলসোনারো।
এদিকে মার্কিন সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঘটনাটির বিষয়ে কোনো সরাসরি মন্তব্য না করে তিনি কেবল বলেন, এটি খুব অদ্ভুত একটি নির্বাচন ছিল।
সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে নিজেকে ব্রাজিলের ‘বৈধ নেতা’ দাবি বোলসোনারোর
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয় মেনে না নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছেন সদ্য সাবেক ডানপন্থি সিনেটর ফ্লাভিও বোলসোনারো। মায়ামিতে পৌঁছেই নিজেকে ব্রাজিলের একমাত্র ‘বৈধ নেতা’ বলে ঘোষণা করেছেন তিনি। তবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসার অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন এ রাজনীতিক।
রবিবারের (২৫ অক্টোবর) নির্বাচনে বামপন্থি নেতা লুইস ইনাসিও লুলা দ্য সিলভার কাছে ৪০ লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হেরে যান বোলসোনারো। ভোটের ফল প্রকাশের পরপরই দেশটির সুপ্রিম কোর্ট তাকে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) পরিবারসহ দেশ ছাড়েন তিনি। বুধবার (২৮ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিমানবন্দরে পৌঁছান বোলসোনারো।
বিমান থেকে নেমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুলা ও দেশটির সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, তিনি একটি পরিকল্পিত ‘নির্বাচনি অভ্যুত্থানের’ শিকার হয়েছেন।
মায়ামিতে নেমে এক্সে পোস্ট করা নিজের প্রথম খোলা চিঠিতে বোলসোনারো প্রথমে নিজেকে ‘নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে দাবি করেছিলেন। তবে কিছুক্ষণ পর সেই পোস্টটি মুছে নতুন আরেকটি চিঠি শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লেখেন, আমি শুধু আমার ছয় কোটি ভোটারকে না, ব্রাজিলের জনগণকে বলতে চাই, আমিই নেতা।
যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে তাকে সহায়তা করায় আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই এবং তাকে ও তার পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়া ও স্বাগত জানানোর জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান বোলসোনারো।
এদিকে মার্কিন সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঘটনাটির বিষয়ে কোনো সরাসরি মন্তব্য না করে তিনি কেবল বলেন, এটি খুব অদ্ভুত একটি নির্বাচন ছিল।
সূত্র: রয়টার্স

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে আবারও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ফিলিস্তিনপন্থী লুলা







