এশিয়ার কোন দেশে জ্বালানি তেলের দাম কত

এশিয়ার কোন দেশে জ্বালানি তেলের দাম কত
সিজেডএন ডেস্ক

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জ্বালানি তেলের দামে রয়েছে বড় ধরনের পার্থক্য। কোথাও সরকারি ভর্তুকির কারণে খুব কম দামে পেট্রল পাওয়া যাচ্ছে, আবার তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে কর ও আমদানি ব্যয়ের কারণে দাম তুলনামূলক বেশি। এর মধ্যে বাংলাদেশে সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে পেট্রল ১৬০ টাকা ও অকটেন ১৬৫ টাকা লিটার করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম এবং প্রতিটি দেশের সরকারি নীতি, কর ও ভর্তুকির ওপর স্থানীয় বাজারে তেলের দাম অনেকটাই নির্ভর করে। তেল উৎপাদনকারী মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সাধারণত দাম তুলনামূলক কম।
‘গ্লোবাল পেট্রোল প্রাইসেস’-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানে সরকারি ভর্তুকির কারণে পেট্রলের দাম এশিয়ার অন্যতম কম। সেখানে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ১ হাজার ২১০ ইরানি রিয়াল। সৌদি আরবে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ২ দশমিক ৩১ সৌদি রিয়াল।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতেও দেশভেদে দামের পার্থক্য রয়েছে। মালয়েশিয়ায় সরকারি সহায়তার কারণে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৪ দশমিক ৩৮ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত। ইন্দোনেশিয়ায় দাম ১৬ হাজার ৬৯৯ ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া।
অন্যদিকে তেল আমদানিনির্ভর বা তুলনামূলক বেশি কর আরোপকারী দেশগুলোতে দাম বেশি। জাপানে প্রতি লিটার পেট্রলের গড় দাম ১৭২ জাপানি ইয়েন। চীনে ৮ দশমিক ৬১ ইউয়ান এবং ভারতে গড়ে ১০৭ রুপি।
থাইল্যান্ডে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৪৮ দশমিক ১০ থাই বাত।
বাংলাদেশে রোববার জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন দামে প্রতি লিটার পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা। একই সঙ্গে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম করা হয়েছে ১৩৫ টাকা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দেশের জ্বালানি তেলের দাম শুধু আন্তর্জাতিক বাজারদরের ওপর নির্ভর করে না। স্থানীয় কর, ভর্তুকি, আমদানি ব্যয় এবং সরকারের মূল্য নির্ধারণের নীতিও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ফলে একই অঞ্চলে থাকা দেশগুলোর মধ্যেও জ্বালানি তেলের দামে বড় পার্থক্য দেখা যায়। বাংলাদেশসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে তার প্রভাব সরাসরি স্থানীয় বাজারেও পড়তে পারে।
সূত্র: গ্লোবাল পেট্রোল প্রাইসেস

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জ্বালানি তেলের দামে রয়েছে বড় ধরনের পার্থক্য। কোথাও সরকারি ভর্তুকির কারণে খুব কম দামে পেট্রল পাওয়া যাচ্ছে, আবার তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে কর ও আমদানি ব্যয়ের কারণে দাম তুলনামূলক বেশি। এর মধ্যে বাংলাদেশে সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে পেট্রল ১৬০ টাকা ও অকটেন ১৬৫ টাকা লিটার করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম এবং প্রতিটি দেশের সরকারি নীতি, কর ও ভর্তুকির ওপর স্থানীয় বাজারে তেলের দাম অনেকটাই নির্ভর করে। তেল উৎপাদনকারী মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সাধারণত দাম তুলনামূলক কম।
‘গ্লোবাল পেট্রোল প্রাইসেস’-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানে সরকারি ভর্তুকির কারণে পেট্রলের দাম এশিয়ার অন্যতম কম। সেখানে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ১ হাজার ২১০ ইরানি রিয়াল। সৌদি আরবে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ২ দশমিক ৩১ সৌদি রিয়াল।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতেও দেশভেদে দামের পার্থক্য রয়েছে। মালয়েশিয়ায় সরকারি সহায়তার কারণে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৪ দশমিক ৩৮ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত। ইন্দোনেশিয়ায় দাম ১৬ হাজার ৬৯৯ ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া।
অন্যদিকে তেল আমদানিনির্ভর বা তুলনামূলক বেশি কর আরোপকারী দেশগুলোতে দাম বেশি। জাপানে প্রতি লিটার পেট্রলের গড় দাম ১৭২ জাপানি ইয়েন। চীনে ৮ দশমিক ৬১ ইউয়ান এবং ভারতে গড়ে ১০৭ রুপি।
থাইল্যান্ডে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৪৮ দশমিক ১০ থাই বাত।
বাংলাদেশে রোববার জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন দামে প্রতি লিটার পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা। একই সঙ্গে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম করা হয়েছে ১৩৫ টাকা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দেশের জ্বালানি তেলের দাম শুধু আন্তর্জাতিক বাজারদরের ওপর নির্ভর করে না। স্থানীয় কর, ভর্তুকি, আমদানি ব্যয় এবং সরকারের মূল্য নির্ধারণের নীতিও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ফলে একই অঞ্চলে থাকা দেশগুলোর মধ্যেও জ্বালানি তেলের দামে বড় পার্থক্য দেখা যায়। বাংলাদেশসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে তার প্রভাব সরাসরি স্থানীয় বাজারেও পড়তে পারে।
সূত্র: গ্লোবাল পেট্রোল প্রাইসেস

এশিয়ার কোন দেশে জ্বালানি তেলের দাম কত
সিজেডএন ডেস্ক

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জ্বালানি তেলের দামে রয়েছে বড় ধরনের পার্থক্য। কোথাও সরকারি ভর্তুকির কারণে খুব কম দামে পেট্রল পাওয়া যাচ্ছে, আবার তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে কর ও আমদানি ব্যয়ের কারণে দাম তুলনামূলক বেশি। এর মধ্যে বাংলাদেশে সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে পেট্রল ১৬০ টাকা ও অকটেন ১৬৫ টাকা লিটার করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম এবং প্রতিটি দেশের সরকারি নীতি, কর ও ভর্তুকির ওপর স্থানীয় বাজারে তেলের দাম অনেকটাই নির্ভর করে। তেল উৎপাদনকারী মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সাধারণত দাম তুলনামূলক কম।
‘গ্লোবাল পেট্রোল প্রাইসেস’-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানে সরকারি ভর্তুকির কারণে পেট্রলের দাম এশিয়ার অন্যতম কম। সেখানে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ১ হাজার ২১০ ইরানি রিয়াল। সৌদি আরবে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ২ দশমিক ৩১ সৌদি রিয়াল।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতেও দেশভেদে দামের পার্থক্য রয়েছে। মালয়েশিয়ায় সরকারি সহায়তার কারণে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৪ দশমিক ৩৮ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত। ইন্দোনেশিয়ায় দাম ১৬ হাজার ৬৯৯ ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া।
অন্যদিকে তেল আমদানিনির্ভর বা তুলনামূলক বেশি কর আরোপকারী দেশগুলোতে দাম বেশি। জাপানে প্রতি লিটার পেট্রলের গড় দাম ১৭২ জাপানি ইয়েন। চীনে ৮ দশমিক ৬১ ইউয়ান এবং ভারতে গড়ে ১০৭ রুপি।
থাইল্যান্ডে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৪৮ দশমিক ১০ থাই বাত।
বাংলাদেশে রোববার জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন দামে প্রতি লিটার পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা। একই সঙ্গে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম করা হয়েছে ১৩৫ টাকা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দেশের জ্বালানি তেলের দাম শুধু আন্তর্জাতিক বাজারদরের ওপর নির্ভর করে না। স্থানীয় কর, ভর্তুকি, আমদানি ব্যয় এবং সরকারের মূল্য নির্ধারণের নীতিও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ফলে একই অঞ্চলে থাকা দেশগুলোর মধ্যেও জ্বালানি তেলের দামে বড় পার্থক্য দেখা যায়। বাংলাদেশসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে তার প্রভাব সরাসরি স্থানীয় বাজারেও পড়তে পারে।
সূত্র: গ্লোবাল পেট্রোল প্রাইসেস







