আটক মার্কিন ডুবোযানের প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে নতুন প্রযুক্তি বানাতে চায় ইরান

আটক মার্কিন ডুবোযানের প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে নতুন প্রযুক্তি বানাতে চায় ইরান
নিজস্ব প্রতিবেদক

হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চালকবিহীন ডুবোযান আটকের পর সেটির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা খতিয়ে দেখছে ইরান। ওই ডুবোযানের প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে একই ধরনের নতুন প্রযুক্তি তৈরির পরিকল্পনা করছে দেশটি।
মঙ্গলবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেবি এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, চলতি মাসের শুরুতে হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের চালকবিহীন ডুবোযানটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ইরান গত ৮ সেপ্টেম্বর ডুবোযানটি আটকের খবর প্রকাশ করে। দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে এটিকে ‘ডাইভ-এলডি’ নামের একটি স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তবে ঘটনাটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য ছিল ভিন্ন। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, পানির নিচে জরিপ পরিচালনার সময় তাদের একটি ডুবো ড্রোনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে সেটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
এ বিষয়ে এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, আটক করা ডুবোযানটি তুলনামূলক পুরোনো মডেলের। এতে গোপন কোনো সোনার প্রযুক্তি কিংবা পানির নিচের শব্দ শনাক্ত করার বিশেষ ব্যবস্থা ছিল না বলেও জানান তিনি।
ফলে ডুবোযানটি নিয়ে ইরানের প্রযুক্তি উন্নয়নের পরিকল্পনার বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এর সক্ষমতা সীমিত এবং পুরোনো মডেলের বলে দাবি করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চালকবিহীন ডুবোযান আটকের পর সেটির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা খতিয়ে দেখছে ইরান। ওই ডুবোযানের প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে একই ধরনের নতুন প্রযুক্তি তৈরির পরিকল্পনা করছে দেশটি।
মঙ্গলবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেবি এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, চলতি মাসের শুরুতে হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের চালকবিহীন ডুবোযানটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ইরান গত ৮ সেপ্টেম্বর ডুবোযানটি আটকের খবর প্রকাশ করে। দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে এটিকে ‘ডাইভ-এলডি’ নামের একটি স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তবে ঘটনাটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য ছিল ভিন্ন। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, পানির নিচে জরিপ পরিচালনার সময় তাদের একটি ডুবো ড্রোনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে সেটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
এ বিষয়ে এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, আটক করা ডুবোযানটি তুলনামূলক পুরোনো মডেলের। এতে গোপন কোনো সোনার প্রযুক্তি কিংবা পানির নিচের শব্দ শনাক্ত করার বিশেষ ব্যবস্থা ছিল না বলেও জানান তিনি।
ফলে ডুবোযানটি নিয়ে ইরানের প্রযুক্তি উন্নয়নের পরিকল্পনার বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এর সক্ষমতা সীমিত এবং পুরোনো মডেলের বলে দাবি করা হয়েছে।

আটক মার্কিন ডুবোযানের প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে নতুন প্রযুক্তি বানাতে চায় ইরান
নিজস্ব প্রতিবেদক

হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চালকবিহীন ডুবোযান আটকের পর সেটির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা খতিয়ে দেখছে ইরান। ওই ডুবোযানের প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে একই ধরনের নতুন প্রযুক্তি তৈরির পরিকল্পনা করছে দেশটি।
মঙ্গলবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেবি এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, চলতি মাসের শুরুতে হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের চালকবিহীন ডুবোযানটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ইরান গত ৮ সেপ্টেম্বর ডুবোযানটি আটকের খবর প্রকাশ করে। দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে এটিকে ‘ডাইভ-এলডি’ নামের একটি স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তবে ঘটনাটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য ছিল ভিন্ন। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, পানির নিচে জরিপ পরিচালনার সময় তাদের একটি ডুবো ড্রোনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে সেটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
এ বিষয়ে এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, আটক করা ডুবোযানটি তুলনামূলক পুরোনো মডেলের। এতে গোপন কোনো সোনার প্রযুক্তি কিংবা পানির নিচের শব্দ শনাক্ত করার বিশেষ ব্যবস্থা ছিল না বলেও জানান তিনি।
ফলে ডুবোযানটি নিয়ে ইরানের প্রযুক্তি উন্নয়নের পরিকল্পনার বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এর সক্ষমতা সীমিত এবং পুরোনো মডেলের বলে দাবি করা হয়েছে।









