জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর শতাধিক আফটারশক

জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর শতাধিক আফটারশক
সিজেডএন ডেস্ক

জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কিউশু দ্বীপে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে থাকাদের জীবিত উদ্ধার করতে বর্তমানে কাজ করছেন সাড়ে চার হাজারের বেশি উদ্ধারকর্মী। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে কুমামোতো প্রিফেকচারে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পের পর থেকে এখন পর্যন্ত শতাধিক আফটারশক বা পরবর্তী কম্পন অনুভূত হয়েছে। চরম বিপর্যয়ের মধ্যেই প্রচণ্ড তাপদাহ ও বিদ্যুৎহীন পরিস্থিতিতে হাজারো মানুষকে কাটাতে হচ্ছে আশ্রয়কেন্দ্রে।
ভূমিকম্পের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে কাশিমার এইয়ন শপিংমলে। কম্পনের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভবনটির দ্বিতীয় তলার একাংশ ধসে পড়ে এবং পরবর্তীতে সেখানে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। মলটির প্রেসিডেন্ট আকিও ইয়োশিদা জানান, বিস্ফোরণে তিনজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন, আর এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিনজন। ভবনটির ধসে পড়া বাথরুম থেকে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও বেশ কয়েকজনকে সংকটাপন্ন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইয়াতসুশিরো শহরের একটি কাগজ কারখানাতেও দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নয়জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
উদ্ধারকাজ চলাকালীন এলাকার তাপমাত্রা প্রায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যাওয়ায় নতুন করে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে উদ্ধারকর্মী ও দুর্গত মানুষদের স্বস্তির জন্য প্রায় ৩০০টি এয়ার কন্ডিশনার পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের ২০ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও অনেকে সাহায্যের অপেক্ষায় আছেন। তাই ধ্বংসস্তূপ থেকে মানুষকে জীবিত বের করে আনাকেই এখন সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।
ভূমিকম্পের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। ইয়াতসুশিরো শহরের ৭৫ বছর বয়সী বাসিন্দা হিরোকো ওগাতা জানান, দীর্ঘ জীবনে তিনি কখনোই এত তীব্র ঝাঁকুনি অনুভব করেননি। অন্যদিকে, জাপানে ঘুরতে আসা যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটক শ্যান্টেল মোহার জানান, পর্যটকবাহী বাসে থাকার সময় হঠাৎ তাদের সবার ফোনে একসঙ্গে জরুরি সতর্কবার্তা বেজে ওঠে এবং মুহূর্তে পুরো বাস প্রবলভাবে কাঁপতে শুরু করে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থার (জেএমএ) মতে, ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। তবে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এর মাত্রা ৬.৮ হিসেবে নির্ধারণ করেছে। ভূমিকম্পের প্রভাবে রাস্তাঘাট ও সেতুতে ফাটল ধরাসহ বহু ভবনে আগুন লেগেছে এবং উনিশ শতকের ঐতিহাসিক ইয়াতসুশিরো মন্দির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবহাওয়া সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে, বিশেষ করে দুই থেকে তিন দিনের ভেতরে সর্বোচ্চ ৭ মাত্রার আফটারশক হতে পারে, যা মোকাবিলায় সবাইকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি

জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কিউশু দ্বীপে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে থাকাদের জীবিত উদ্ধার করতে বর্তমানে কাজ করছেন সাড়ে চার হাজারের বেশি উদ্ধারকর্মী। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে কুমামোতো প্রিফেকচারে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পের পর থেকে এখন পর্যন্ত শতাধিক আফটারশক বা পরবর্তী কম্পন অনুভূত হয়েছে। চরম বিপর্যয়ের মধ্যেই প্রচণ্ড তাপদাহ ও বিদ্যুৎহীন পরিস্থিতিতে হাজারো মানুষকে কাটাতে হচ্ছে আশ্রয়কেন্দ্রে।
ভূমিকম্পের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে কাশিমার এইয়ন শপিংমলে। কম্পনের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভবনটির দ্বিতীয় তলার একাংশ ধসে পড়ে এবং পরবর্তীতে সেখানে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। মলটির প্রেসিডেন্ট আকিও ইয়োশিদা জানান, বিস্ফোরণে তিনজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন, আর এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিনজন। ভবনটির ধসে পড়া বাথরুম থেকে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও বেশ কয়েকজনকে সংকটাপন্ন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইয়াতসুশিরো শহরের একটি কাগজ কারখানাতেও দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নয়জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
উদ্ধারকাজ চলাকালীন এলাকার তাপমাত্রা প্রায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যাওয়ায় নতুন করে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে উদ্ধারকর্মী ও দুর্গত মানুষদের স্বস্তির জন্য প্রায় ৩০০টি এয়ার কন্ডিশনার পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের ২০ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও অনেকে সাহায্যের অপেক্ষায় আছেন। তাই ধ্বংসস্তূপ থেকে মানুষকে জীবিত বের করে আনাকেই এখন সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।
ভূমিকম্পের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। ইয়াতসুশিরো শহরের ৭৫ বছর বয়সী বাসিন্দা হিরোকো ওগাতা জানান, দীর্ঘ জীবনে তিনি কখনোই এত তীব্র ঝাঁকুনি অনুভব করেননি। অন্যদিকে, জাপানে ঘুরতে আসা যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটক শ্যান্টেল মোহার জানান, পর্যটকবাহী বাসে থাকার সময় হঠাৎ তাদের সবার ফোনে একসঙ্গে জরুরি সতর্কবার্তা বেজে ওঠে এবং মুহূর্তে পুরো বাস প্রবলভাবে কাঁপতে শুরু করে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থার (জেএমএ) মতে, ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। তবে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এর মাত্রা ৬.৮ হিসেবে নির্ধারণ করেছে। ভূমিকম্পের প্রভাবে রাস্তাঘাট ও সেতুতে ফাটল ধরাসহ বহু ভবনে আগুন লেগেছে এবং উনিশ শতকের ঐতিহাসিক ইয়াতসুশিরো মন্দির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবহাওয়া সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে, বিশেষ করে দুই থেকে তিন দিনের ভেতরে সর্বোচ্চ ৭ মাত্রার আফটারশক হতে পারে, যা মোকাবিলায় সবাইকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি

জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর শতাধিক আফটারশক
সিজেডএন ডেস্ক

জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কিউশু দ্বীপে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে থাকাদের জীবিত উদ্ধার করতে বর্তমানে কাজ করছেন সাড়ে চার হাজারের বেশি উদ্ধারকর্মী। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে কুমামোতো প্রিফেকচারে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পের পর থেকে এখন পর্যন্ত শতাধিক আফটারশক বা পরবর্তী কম্পন অনুভূত হয়েছে। চরম বিপর্যয়ের মধ্যেই প্রচণ্ড তাপদাহ ও বিদ্যুৎহীন পরিস্থিতিতে হাজারো মানুষকে কাটাতে হচ্ছে আশ্রয়কেন্দ্রে।
ভূমিকম্পের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে কাশিমার এইয়ন শপিংমলে। কম্পনের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভবনটির দ্বিতীয় তলার একাংশ ধসে পড়ে এবং পরবর্তীতে সেখানে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। মলটির প্রেসিডেন্ট আকিও ইয়োশিদা জানান, বিস্ফোরণে তিনজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন, আর এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিনজন। ভবনটির ধসে পড়া বাথরুম থেকে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও বেশ কয়েকজনকে সংকটাপন্ন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইয়াতসুশিরো শহরের একটি কাগজ কারখানাতেও দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নয়জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
উদ্ধারকাজ চলাকালীন এলাকার তাপমাত্রা প্রায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যাওয়ায় নতুন করে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে উদ্ধারকর্মী ও দুর্গত মানুষদের স্বস্তির জন্য প্রায় ৩০০টি এয়ার কন্ডিশনার পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের ২০ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও অনেকে সাহায্যের অপেক্ষায় আছেন। তাই ধ্বংসস্তূপ থেকে মানুষকে জীবিত বের করে আনাকেই এখন সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।
ভূমিকম্পের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। ইয়াতসুশিরো শহরের ৭৫ বছর বয়সী বাসিন্দা হিরোকো ওগাতা জানান, দীর্ঘ জীবনে তিনি কখনোই এত তীব্র ঝাঁকুনি অনুভব করেননি। অন্যদিকে, জাপানে ঘুরতে আসা যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটক শ্যান্টেল মোহার জানান, পর্যটকবাহী বাসে থাকার সময় হঠাৎ তাদের সবার ফোনে একসঙ্গে জরুরি সতর্কবার্তা বেজে ওঠে এবং মুহূর্তে পুরো বাস প্রবলভাবে কাঁপতে শুরু করে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থার (জেএমএ) মতে, ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। তবে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এর মাত্রা ৬.৮ হিসেবে নির্ধারণ করেছে। ভূমিকম্পের প্রভাবে রাস্তাঘাট ও সেতুতে ফাটল ধরাসহ বহু ভবনে আগুন লেগেছে এবং উনিশ শতকের ঐতিহাসিক ইয়াতসুশিরো মন্দির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবহাওয়া সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে, বিশেষ করে দুই থেকে তিন দিনের ভেতরে সর্বোচ্চ ৭ মাত্রার আফটারশক হতে পারে, যা মোকাবিলায় সবাইকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি

জাপানে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা জারি
জাপানে ভূমিকম্পে নিহত ১৩





