কূটনীতিতে নতুন অধ্যায়: যুক্তরাষ্ট্রে দুইটি পান্ডা পাঠাবে চীন

কূটনীতিতে নতুন অধ্যায়: যুক্তরাষ্ট্রে দুইটি পান্ডা পাঠাবে চীন
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের একটি চিড়িয়াখানায় খুব শীঘ্রই পৌঁছাচ্ছে দুটি বিশালাকার পান্ডা। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ ঘোষণা দিয়েছেন। ওভাল অফিসে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ পান্ডা দুটিকে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ‘বন্ধুত্বের দূত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
চলতি বছরের শুরুর দিকে জু আটলান্টা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল যে পিং পিং এবং ফু শুয়াং নামের দুটি পান্ডা তাদের শহরে আসছে। চীনা গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফু শুয়াং নামের অর্থ ‘দ্বিগুণ আশীর্বাদ’ এবং পিং পিং নামের অর্থ ‘শান্তি শান্তি’।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেইজিংয়ের এ পান্ডা কূটনীতির ইতিহাস শুরু হয়েছিল ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের ঐতিহাসিক চীন সফরের পর থেকে। সে সময় কয়েক দশকের কূটনৈতিক টানাপোড়েন শেষে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন উষ্ণতার ইঙ্গিত দিতে তৎকালীন চেয়ারম্যান মাও সেতুংয়ের সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি বিশালাকার পান্ডা উপহার দিয়েছিল। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতাই বজায় রয়েছে আজও।
তবে এই বন্ধুত্বের পেছনে রয়েছে কিছু শর্তও। চীন ও মার্কিন চিড়িয়াখানাগুলোর মধ্যকার চুক্তি অনুযায়ী, পান্ডাগুলো কিংবা তাদের থেকে জন্ম নেওয়া যেকোনো বাচ্চার পূর্ণ মালিকানা বেইজিংয়ের হাতেই থাকে। এ ছাড়া চীনে বিশালাকার পান্ডা সংরক্ষণের কার্যক্রম চালাতে মার্কিন চিড়িয়াখানাগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থও পরিশোধ করতে হয়।
সূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রের একটি চিড়িয়াখানায় খুব শীঘ্রই পৌঁছাচ্ছে দুটি বিশালাকার পান্ডা। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ ঘোষণা দিয়েছেন। ওভাল অফিসে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ পান্ডা দুটিকে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ‘বন্ধুত্বের দূত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
চলতি বছরের শুরুর দিকে জু আটলান্টা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল যে পিং পিং এবং ফু শুয়াং নামের দুটি পান্ডা তাদের শহরে আসছে। চীনা গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফু শুয়াং নামের অর্থ ‘দ্বিগুণ আশীর্বাদ’ এবং পিং পিং নামের অর্থ ‘শান্তি শান্তি’।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেইজিংয়ের এ পান্ডা কূটনীতির ইতিহাস শুরু হয়েছিল ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের ঐতিহাসিক চীন সফরের পর থেকে। সে সময় কয়েক দশকের কূটনৈতিক টানাপোড়েন শেষে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন উষ্ণতার ইঙ্গিত দিতে তৎকালীন চেয়ারম্যান মাও সেতুংয়ের সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি বিশালাকার পান্ডা উপহার দিয়েছিল। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতাই বজায় রয়েছে আজও।
তবে এই বন্ধুত্বের পেছনে রয়েছে কিছু শর্তও। চীন ও মার্কিন চিড়িয়াখানাগুলোর মধ্যকার চুক্তি অনুযায়ী, পান্ডাগুলো কিংবা তাদের থেকে জন্ম নেওয়া যেকোনো বাচ্চার পূর্ণ মালিকানা বেইজিংয়ের হাতেই থাকে। এ ছাড়া চীনে বিশালাকার পান্ডা সংরক্ষণের কার্যক্রম চালাতে মার্কিন চিড়িয়াখানাগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থও পরিশোধ করতে হয়।
সূত্র: সিএনএন

কূটনীতিতে নতুন অধ্যায়: যুক্তরাষ্ট্রে দুইটি পান্ডা পাঠাবে চীন
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের একটি চিড়িয়াখানায় খুব শীঘ্রই পৌঁছাচ্ছে দুটি বিশালাকার পান্ডা। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ ঘোষণা দিয়েছেন। ওভাল অফিসে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ পান্ডা দুটিকে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ‘বন্ধুত্বের দূত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
চলতি বছরের শুরুর দিকে জু আটলান্টা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল যে পিং পিং এবং ফু শুয়াং নামের দুটি পান্ডা তাদের শহরে আসছে। চীনা গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফু শুয়াং নামের অর্থ ‘দ্বিগুণ আশীর্বাদ’ এবং পিং পিং নামের অর্থ ‘শান্তি শান্তি’।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেইজিংয়ের এ পান্ডা কূটনীতির ইতিহাস শুরু হয়েছিল ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের ঐতিহাসিক চীন সফরের পর থেকে। সে সময় কয়েক দশকের কূটনৈতিক টানাপোড়েন শেষে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন উষ্ণতার ইঙ্গিত দিতে তৎকালীন চেয়ারম্যান মাও সেতুংয়ের সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি বিশালাকার পান্ডা উপহার দিয়েছিল। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতাই বজায় রয়েছে আজও।
তবে এই বন্ধুত্বের পেছনে রয়েছে কিছু শর্তও। চীন ও মার্কিন চিড়িয়াখানাগুলোর মধ্যকার চুক্তি অনুযায়ী, পান্ডাগুলো কিংবা তাদের থেকে জন্ম নেওয়া যেকোনো বাচ্চার পূর্ণ মালিকানা বেইজিংয়ের হাতেই থাকে। এ ছাড়া চীনে বিশালাকার পান্ডা সংরক্ষণের কার্যক্রম চালাতে মার্কিন চিড়িয়াখানাগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থও পরিশোধ করতে হয়।
সূত্র: সিএনএন

জিনপিংকে রাজকীয় অভ্যর্থনা, চীনের কাছে কী চান ট্রাম্প 







