জাপানে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৪, তীব্র গরমে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

জাপানে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৪, তীব্র গরমে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
সিজেডএন ডেস্ক

জাপানের কুমামোতো প্রিফেকচারে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) কিউশু দ্বীপের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানা ৭.১ মাত্রার এ শক্তিশালী কম্পনে ঘরবাড়ি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অলৌকিক কোনো প্রাণের আশায় কাজ করে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
তবে মূল বিপর্যয়ের পাশাপাশি এখন নতুন আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছে তীব্র তাপদাহ। প্রাথমিক ভূমিকম্পের পর একশটিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কে গৃহহীন হাজার হাজার মানুষ এখন আশ্রয়কেন্দ্রে কিংবা নিজের গাড়ির ভেতরেই রাত কাটাচ্ছেন।
দুর্যোগের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে কাশিমার বিখ্যাত ‘এওন শপিং সেন্টারে’। সংস্কারের পর গত মাসেই পুনরায় চালু হওয়া মলটির দ্বিতীয় তলার একটি অংশ ধসে পড়ে বেশ কয়েকজন প্রাণ হারান। প্রাথমিক কম্পনের প্রায় এক ঘণ্টা পর মলটিতে এক বিকট বিস্ফোরণ ঘটে, যা সম্ভবত গ্যাস লিকেজ থেকে হয়েছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। তবে স্বস্তির খবর হলো, মলটির ভেতরের একটি ক্যাট ক্যাফে থেকে ২৫টি বিড়ালের সবকটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে, ইয়াতসুশিরো শহরের নিপ্পন পেপার কারখানায় ভবন ধসে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সেখানে আটকা পড়া ১১ জনের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৭ জনকে উদ্ধার করা গেছে।
বর্তমানে প্রায় ৯ হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে দিন কাটাচ্ছেন। কিন্তু তীব্র তাপদাহের কারণে সেখানে টিকে থাকাই এখন বেঁচে যাওয়া মানুষদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ৩০ হাজারের বেশি পরিবার এখনও বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। ১ হাজার মানুষের আশ্রয়কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা জানান, সেখানে আশ্রয় নেওয়াদের ৩০ শতাংশই প্রবীণ নাগরিক। বিদ্যুৎ না থাকায় এবং জেনারেটর পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় অনেকেই হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এ সংকটকালীন পরিস্থিতিতে উদ্ধারকর্মী ও বেঁচে যাওয়া মানুষদের হিটস্ট্রোক থেকে রক্ষা করতে জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি ৩০০টি এয়ার কন্ডিশনার পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্যে ১৫০টি যাবে সরাসরি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে। চরম আতঙ্কের স্মৃতি আর প্রতিকূল আবহাওয়ার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এখন বেঁচে থাকার এক নতুন লড়াইয়ে কুমামোতোর বাসিন্দারা।
সূত্র: বিবিসি

জাপানের কুমামোতো প্রিফেকচারে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) কিউশু দ্বীপের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানা ৭.১ মাত্রার এ শক্তিশালী কম্পনে ঘরবাড়ি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অলৌকিক কোনো প্রাণের আশায় কাজ করে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
তবে মূল বিপর্যয়ের পাশাপাশি এখন নতুন আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছে তীব্র তাপদাহ। প্রাথমিক ভূমিকম্পের পর একশটিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কে গৃহহীন হাজার হাজার মানুষ এখন আশ্রয়কেন্দ্রে কিংবা নিজের গাড়ির ভেতরেই রাত কাটাচ্ছেন।
দুর্যোগের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে কাশিমার বিখ্যাত ‘এওন শপিং সেন্টারে’। সংস্কারের পর গত মাসেই পুনরায় চালু হওয়া মলটির দ্বিতীয় তলার একটি অংশ ধসে পড়ে বেশ কয়েকজন প্রাণ হারান। প্রাথমিক কম্পনের প্রায় এক ঘণ্টা পর মলটিতে এক বিকট বিস্ফোরণ ঘটে, যা সম্ভবত গ্যাস লিকেজ থেকে হয়েছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। তবে স্বস্তির খবর হলো, মলটির ভেতরের একটি ক্যাট ক্যাফে থেকে ২৫টি বিড়ালের সবকটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে, ইয়াতসুশিরো শহরের নিপ্পন পেপার কারখানায় ভবন ধসে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সেখানে আটকা পড়া ১১ জনের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৭ জনকে উদ্ধার করা গেছে।
বর্তমানে প্রায় ৯ হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে দিন কাটাচ্ছেন। কিন্তু তীব্র তাপদাহের কারণে সেখানে টিকে থাকাই এখন বেঁচে যাওয়া মানুষদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ৩০ হাজারের বেশি পরিবার এখনও বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। ১ হাজার মানুষের আশ্রয়কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা জানান, সেখানে আশ্রয় নেওয়াদের ৩০ শতাংশই প্রবীণ নাগরিক। বিদ্যুৎ না থাকায় এবং জেনারেটর পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় অনেকেই হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এ সংকটকালীন পরিস্থিতিতে উদ্ধারকর্মী ও বেঁচে যাওয়া মানুষদের হিটস্ট্রোক থেকে রক্ষা করতে জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি ৩০০টি এয়ার কন্ডিশনার পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্যে ১৫০টি যাবে সরাসরি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে। চরম আতঙ্কের স্মৃতি আর প্রতিকূল আবহাওয়ার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এখন বেঁচে থাকার এক নতুন লড়াইয়ে কুমামোতোর বাসিন্দারা।
সূত্র: বিবিসি

জাপানে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৪, তীব্র গরমে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
সিজেডএন ডেস্ক

জাপানের কুমামোতো প্রিফেকচারে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) কিউশু দ্বীপের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানা ৭.১ মাত্রার এ শক্তিশালী কম্পনে ঘরবাড়ি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অলৌকিক কোনো প্রাণের আশায় কাজ করে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
তবে মূল বিপর্যয়ের পাশাপাশি এখন নতুন আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছে তীব্র তাপদাহ। প্রাথমিক ভূমিকম্পের পর একশটিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কে গৃহহীন হাজার হাজার মানুষ এখন আশ্রয়কেন্দ্রে কিংবা নিজের গাড়ির ভেতরেই রাত কাটাচ্ছেন।
দুর্যোগের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে কাশিমার বিখ্যাত ‘এওন শপিং সেন্টারে’। সংস্কারের পর গত মাসেই পুনরায় চালু হওয়া মলটির দ্বিতীয় তলার একটি অংশ ধসে পড়ে বেশ কয়েকজন প্রাণ হারান। প্রাথমিক কম্পনের প্রায় এক ঘণ্টা পর মলটিতে এক বিকট বিস্ফোরণ ঘটে, যা সম্ভবত গ্যাস লিকেজ থেকে হয়েছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। তবে স্বস্তির খবর হলো, মলটির ভেতরের একটি ক্যাট ক্যাফে থেকে ২৫টি বিড়ালের সবকটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে, ইয়াতসুশিরো শহরের নিপ্পন পেপার কারখানায় ভবন ধসে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সেখানে আটকা পড়া ১১ জনের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৭ জনকে উদ্ধার করা গেছে।
বর্তমানে প্রায় ৯ হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে দিন কাটাচ্ছেন। কিন্তু তীব্র তাপদাহের কারণে সেখানে টিকে থাকাই এখন বেঁচে যাওয়া মানুষদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ৩০ হাজারের বেশি পরিবার এখনও বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। ১ হাজার মানুষের আশ্রয়কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা জানান, সেখানে আশ্রয় নেওয়াদের ৩০ শতাংশই প্রবীণ নাগরিক। বিদ্যুৎ না থাকায় এবং জেনারেটর পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় অনেকেই হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এ সংকটকালীন পরিস্থিতিতে উদ্ধারকর্মী ও বেঁচে যাওয়া মানুষদের হিটস্ট্রোক থেকে রক্ষা করতে জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি ৩০০টি এয়ার কন্ডিশনার পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্যে ১৫০টি যাবে সরাসরি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে। চরম আতঙ্কের স্মৃতি আর প্রতিকূল আবহাওয়ার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এখন বেঁচে থাকার এক নতুন লড়াইয়ে কুমামোতোর বাসিন্দারা।
সূত্র: বিবিসি

জাপানে ভূমিকম্পে নিহত ১৩
জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর শতাধিক আফটারশক







