সোমবার ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

সোমবার ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে ওয়াশিংটন। আর এই হামলার জন্য তারা সোমবারের (৯ নভেম্বর) রাতকে। ফক্স নিউজ মার্কিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, ওই রাতে অমাবস্যা থাকায় আকাশ থাকবে একেবারেই অন্ধকার, যা সামরিক অভিযানের জন্য সবচেয়ে অনুকূল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে মতামত নিতে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
বৈঠকের পর ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, সংঘাত আবার শুরু হবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই আসছে। ইরানের পারমাণবিক স্বপ্ন যাতে চিরতরে মুছে যায়, যুক্তরাষ্ট্র সে জন্য আরও কঠোর কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, সম্ভব হলে আমি দেশটির বাকি অংশ ধ্বংস করতে চাই না, কিন্তু হয়তো আমাকে তা করতে হতে পারে।
ইতোমধ্যে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড তাদের সামরিক প্রস্তুতি শেষ বলে জানিয়েছে। তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা এখনও ওয়াশিংটন থেকে চূড়ান্ত নির্দেশ পাননি। এর আগে বুধবার নিউইয়র্ক টাইমসের এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্য ও যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এক ডজনেরও বেশি ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজে হাজার হাজার সেনা ও নৌ সদস্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ট্রাম্পের সংকেত পেলেই তারা ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের হামলা চালাবে। এ পুরো অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও যৌথ পরিকল্পনা তৈরি করে রেখেছে।
তবে ওয়াশিংটনের নতুন এ পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে আগুনের শিখা আরও উসকে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইসরায়েল চরম ঝুঁকিতে পড়তে পারে। কারণ ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের হিসাব বলছে, ইরানের কাছে এখনও শত শত মারাত্মক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এগুলো খুব সহজেই ইসরায়েলে আঘাত হানতে সক্ষম। ফলে মার্কিন সিদ্ধান্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই চোখ পুরো বিশ্বের।
সূত্র: ফক্স নিউজ

ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে ওয়াশিংটন। আর এই হামলার জন্য তারা সোমবারের (৯ নভেম্বর) রাতকে। ফক্স নিউজ মার্কিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, ওই রাতে অমাবস্যা থাকায় আকাশ থাকবে একেবারেই অন্ধকার, যা সামরিক অভিযানের জন্য সবচেয়ে অনুকূল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে মতামত নিতে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
বৈঠকের পর ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, সংঘাত আবার শুরু হবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই আসছে। ইরানের পারমাণবিক স্বপ্ন যাতে চিরতরে মুছে যায়, যুক্তরাষ্ট্র সে জন্য আরও কঠোর কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, সম্ভব হলে আমি দেশটির বাকি অংশ ধ্বংস করতে চাই না, কিন্তু হয়তো আমাকে তা করতে হতে পারে।
ইতোমধ্যে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড তাদের সামরিক প্রস্তুতি শেষ বলে জানিয়েছে। তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা এখনও ওয়াশিংটন থেকে চূড়ান্ত নির্দেশ পাননি। এর আগে বুধবার নিউইয়র্ক টাইমসের এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্য ও যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এক ডজনেরও বেশি ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজে হাজার হাজার সেনা ও নৌ সদস্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ট্রাম্পের সংকেত পেলেই তারা ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের হামলা চালাবে। এ পুরো অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও যৌথ পরিকল্পনা তৈরি করে রেখেছে।
তবে ওয়াশিংটনের নতুন এ পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে আগুনের শিখা আরও উসকে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইসরায়েল চরম ঝুঁকিতে পড়তে পারে। কারণ ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের হিসাব বলছে, ইরানের কাছে এখনও শত শত মারাত্মক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এগুলো খুব সহজেই ইসরায়েলে আঘাত হানতে সক্ষম। ফলে মার্কিন সিদ্ধান্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই চোখ পুরো বিশ্বের।
সূত্র: ফক্স নিউজ

সোমবার ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে ওয়াশিংটন। আর এই হামলার জন্য তারা সোমবারের (৯ নভেম্বর) রাতকে। ফক্স নিউজ মার্কিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, ওই রাতে অমাবস্যা থাকায় আকাশ থাকবে একেবারেই অন্ধকার, যা সামরিক অভিযানের জন্য সবচেয়ে অনুকূল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে মতামত নিতে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
বৈঠকের পর ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, সংঘাত আবার শুরু হবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই আসছে। ইরানের পারমাণবিক স্বপ্ন যাতে চিরতরে মুছে যায়, যুক্তরাষ্ট্র সে জন্য আরও কঠোর কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, সম্ভব হলে আমি দেশটির বাকি অংশ ধ্বংস করতে চাই না, কিন্তু হয়তো আমাকে তা করতে হতে পারে।
ইতোমধ্যে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড তাদের সামরিক প্রস্তুতি শেষ বলে জানিয়েছে। তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা এখনও ওয়াশিংটন থেকে চূড়ান্ত নির্দেশ পাননি। এর আগে বুধবার নিউইয়র্ক টাইমসের এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্য ও যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এক ডজনেরও বেশি ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজে হাজার হাজার সেনা ও নৌ সদস্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ট্রাম্পের সংকেত পেলেই তারা ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের হামলা চালাবে। এ পুরো অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও যৌথ পরিকল্পনা তৈরি করে রেখেছে।
তবে ওয়াশিংটনের নতুন এ পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে আগুনের শিখা আরও উসকে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইসরায়েল চরম ঝুঁকিতে পড়তে পারে। কারণ ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের হিসাব বলছে, ইরানের কাছে এখনও শত শত মারাত্মক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এগুলো খুব সহজেই ইসরায়েলে আঘাত হানতে সক্ষম। ফলে মার্কিন সিদ্ধান্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই চোখ পুরো বিশ্বের।
সূত্র: ফক্স নিউজ

ইরানে পুনরায় হামলা হলে লক্ষ্যবস্তু হবে ইউরোপ







