মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর মার্কিন শেয়ার বাজারে ধস, ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার উধাও

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর মার্কিন শেয়ার বাজারে ধস, ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার উধাও
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ব্যাপক বিজয়ের প্রভাব পড়েছে দেশটির শেয়ার বাজারে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মার্কিন শেয়ার বাজারে প্রযুক্তি খাতের শেয়ারগুলোর ব্যাপক দরপতন ঘটে। এটি এপ্রিল ২০২৫-এর পর নাসডাক কম্পোজিট সূচকে একদিনে সর্বোচ্চ পতনের রেকর্ড।
বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু করেছেন। এদিনের ব্যবসায় নাসডাক কম্পোজিট সূচক ৫.৫ শতাংশ এবং নাসডাক ১০০ সূচক ৬.৪ শতাংশ কমে যায়। এর ফলে পুঁজিবাজারের মোট মূল্য থেকে চোখের পলকে প্রায় ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার উধাও হয়ে গেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা গভর্নর পদে জয়ী হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে এআই অবকাঠামোর দ্রুত বিকাশে নতুন বাধার সৃষ্টি হতে পারে। সরকারি নজরদারি বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধিতা এবং নতুন ডেটা সেন্টারগুলোর অনুমোদনে বিলম্ব শত শত কোটি ডলারের পরিকল্পিত বিনিয়োগকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে, এআই প্রযুক্তি খাতে যে বিপুল অর্থ ঢালা হচ্ছে, তা থেকে কোম্পানিগুলো আদৌ লাভ তুলতে পারবে কি না- তা নিয়েও সন্দেহ দানা বাঁধছে। মূলত ডেটা সেন্টার পরিচালনার জন্য প্রচুর বিদ্যুৎ ও পানি লাগে। এতে করে স্থানীয় বিদ্যুৎ গ্রিড ও পানি সরবরাহের ওপর চরম চাপ পড়ছে, ফলে বাসিন্দাদের মাঝে অসন্তোষ বাড়ছে।
বিষয়টি নিয়ে গ্রানাইট ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রুস জারো বলেন, কারও বাড়ির উঠোনের ভৌগোলিক অবস্থানে ডেটা সেন্টারগুলো অবস্থিত হওয়ায়, বিদ্যুৎ গ্রিড ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করবে, তা নিয়ে ব্যাপক বিরোধিতার সৃষ্টি হবে।
এ ধাক্কা কতটা জোরালো হতে পারে তার ইঙ্গিত মিলেছে ইউবিএস-এর বিশ্লেষকদের দেয়া তথ্যে। তারা বলছেন, নির্মাণকাজ থমকে যাওয়ার কারণে ২০২৮ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশিত ডেটা সেন্টার ক্ষমতার প্রায় ৩০ শতাংশই ঝুঁকির মুখে পড়বে।
ইনক্লাইন ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও টেড পার্কহিল বলেছেন, বাজার এখন এআই-এর সম্ভাবনা থেকে এর দামের দিকে ঝুঁকছে।
নাসডাক কম্পোজিট সূচকটি ৬ অক্টোবরের রেকর্ড অবস্থান থেকে প্রায় ১২ শতাংশ নিচে নেমে এসেছে। সব মিলিয়ে শেয়ার বাজারের এ পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে, বিনিয়োগকারীরা এআই-এর সুদূরপ্রসারী সম্ভাবনাকে বিশ্বাস করলেও, এর পেছনে প্রতিদিন হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের কৌশল নিয়ে বেশ চিন্তিত।
সূত্র: ফার্স্টপোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ব্যাপক বিজয়ের প্রভাব পড়েছে দেশটির শেয়ার বাজারে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মার্কিন শেয়ার বাজারে প্রযুক্তি খাতের শেয়ারগুলোর ব্যাপক দরপতন ঘটে। এটি এপ্রিল ২০২৫-এর পর নাসডাক কম্পোজিট সূচকে একদিনে সর্বোচ্চ পতনের রেকর্ড।
বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু করেছেন। এদিনের ব্যবসায় নাসডাক কম্পোজিট সূচক ৫.৫ শতাংশ এবং নাসডাক ১০০ সূচক ৬.৪ শতাংশ কমে যায়। এর ফলে পুঁজিবাজারের মোট মূল্য থেকে চোখের পলকে প্রায় ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার উধাও হয়ে গেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা গভর্নর পদে জয়ী হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে এআই অবকাঠামোর দ্রুত বিকাশে নতুন বাধার সৃষ্টি হতে পারে। সরকারি নজরদারি বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধিতা এবং নতুন ডেটা সেন্টারগুলোর অনুমোদনে বিলম্ব শত শত কোটি ডলারের পরিকল্পিত বিনিয়োগকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে, এআই প্রযুক্তি খাতে যে বিপুল অর্থ ঢালা হচ্ছে, তা থেকে কোম্পানিগুলো আদৌ লাভ তুলতে পারবে কি না- তা নিয়েও সন্দেহ দানা বাঁধছে। মূলত ডেটা সেন্টার পরিচালনার জন্য প্রচুর বিদ্যুৎ ও পানি লাগে। এতে করে স্থানীয় বিদ্যুৎ গ্রিড ও পানি সরবরাহের ওপর চরম চাপ পড়ছে, ফলে বাসিন্দাদের মাঝে অসন্তোষ বাড়ছে।
বিষয়টি নিয়ে গ্রানাইট ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রুস জারো বলেন, কারও বাড়ির উঠোনের ভৌগোলিক অবস্থানে ডেটা সেন্টারগুলো অবস্থিত হওয়ায়, বিদ্যুৎ গ্রিড ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করবে, তা নিয়ে ব্যাপক বিরোধিতার সৃষ্টি হবে।
এ ধাক্কা কতটা জোরালো হতে পারে তার ইঙ্গিত মিলেছে ইউবিএস-এর বিশ্লেষকদের দেয়া তথ্যে। তারা বলছেন, নির্মাণকাজ থমকে যাওয়ার কারণে ২০২৮ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশিত ডেটা সেন্টার ক্ষমতার প্রায় ৩০ শতাংশই ঝুঁকির মুখে পড়বে।
ইনক্লাইন ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও টেড পার্কহিল বলেছেন, বাজার এখন এআই-এর সম্ভাবনা থেকে এর দামের দিকে ঝুঁকছে।
নাসডাক কম্পোজিট সূচকটি ৬ অক্টোবরের রেকর্ড অবস্থান থেকে প্রায় ১২ শতাংশ নিচে নেমে এসেছে। সব মিলিয়ে শেয়ার বাজারের এ পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে, বিনিয়োগকারীরা এআই-এর সুদূরপ্রসারী সম্ভাবনাকে বিশ্বাস করলেও, এর পেছনে প্রতিদিন হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের কৌশল নিয়ে বেশ চিন্তিত।
সূত্র: ফার্স্টপোস্ট

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর মার্কিন শেয়ার বাজারে ধস, ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার উধাও
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ব্যাপক বিজয়ের প্রভাব পড়েছে দেশটির শেয়ার বাজারে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মার্কিন শেয়ার বাজারে প্রযুক্তি খাতের শেয়ারগুলোর ব্যাপক দরপতন ঘটে। এটি এপ্রিল ২০২৫-এর পর নাসডাক কম্পোজিট সূচকে একদিনে সর্বোচ্চ পতনের রেকর্ড।
বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু করেছেন। এদিনের ব্যবসায় নাসডাক কম্পোজিট সূচক ৫.৫ শতাংশ এবং নাসডাক ১০০ সূচক ৬.৪ শতাংশ কমে যায়। এর ফলে পুঁজিবাজারের মোট মূল্য থেকে চোখের পলকে প্রায় ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার উধাও হয়ে গেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা গভর্নর পদে জয়ী হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে এআই অবকাঠামোর দ্রুত বিকাশে নতুন বাধার সৃষ্টি হতে পারে। সরকারি নজরদারি বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধিতা এবং নতুন ডেটা সেন্টারগুলোর অনুমোদনে বিলম্ব শত শত কোটি ডলারের পরিকল্পিত বিনিয়োগকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে, এআই প্রযুক্তি খাতে যে বিপুল অর্থ ঢালা হচ্ছে, তা থেকে কোম্পানিগুলো আদৌ লাভ তুলতে পারবে কি না- তা নিয়েও সন্দেহ দানা বাঁধছে। মূলত ডেটা সেন্টার পরিচালনার জন্য প্রচুর বিদ্যুৎ ও পানি লাগে। এতে করে স্থানীয় বিদ্যুৎ গ্রিড ও পানি সরবরাহের ওপর চরম চাপ পড়ছে, ফলে বাসিন্দাদের মাঝে অসন্তোষ বাড়ছে।
বিষয়টি নিয়ে গ্রানাইট ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রুস জারো বলেন, কারও বাড়ির উঠোনের ভৌগোলিক অবস্থানে ডেটা সেন্টারগুলো অবস্থিত হওয়ায়, বিদ্যুৎ গ্রিড ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করবে, তা নিয়ে ব্যাপক বিরোধিতার সৃষ্টি হবে।
এ ধাক্কা কতটা জোরালো হতে পারে তার ইঙ্গিত মিলেছে ইউবিএস-এর বিশ্লেষকদের দেয়া তথ্যে। তারা বলছেন, নির্মাণকাজ থমকে যাওয়ার কারণে ২০২৮ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশিত ডেটা সেন্টার ক্ষমতার প্রায় ৩০ শতাংশই ঝুঁকির মুখে পড়বে।
ইনক্লাইন ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও টেড পার্কহিল বলেছেন, বাজার এখন এআই-এর সম্ভাবনা থেকে এর দামের দিকে ঝুঁকছে।
নাসডাক কম্পোজিট সূচকটি ৬ অক্টোবরের রেকর্ড অবস্থান থেকে প্রায় ১২ শতাংশ নিচে নেমে এসেছে। সব মিলিয়ে শেয়ার বাজারের এ পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে, বিনিয়োগকারীরা এআই-এর সুদূরপ্রসারী সম্ভাবনাকে বিশ্বাস করলেও, এর পেছনে প্রতিদিন হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের কৌশল নিয়ে বেশ চিন্তিত।
সূত্র: ফার্স্টপোস্ট

ইরানকে পুরোপুরি ‘ধ্বংসের’ হুমকি ট্রাম্পের







