এফবিআইয়ের হাজারো এজেন্টের তথ্য চুরির দাবি হ্যাকারদের

এফবিআইয়ের হাজারো এজেন্টের তথ্য চুরির দাবি হ্যাকারদের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের বিশাল তথ্যভাণ্ডারে হানা দেওয়ার চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে ‘শাইনিহান্টার্স’ নামের এক সাইবার অপরাধী গোষ্ঠী। তাদের দাবি, এফবিআইয়ের প্রায় সব এজেন্ট, তাদের পরিবার এবং চাকরিতে আবেদনকারীদের নাম, ঘরের ঠিকানা ও ব্যক্তিগত ফোন নম্বরের মতো সংবেদনশীল তথ্য এখন তাদের দখলে। নিজেদের এই দাবির পক্ষে ডার্ক ওয়েবে কিছু নমুনাপত্র এবং এফবিআইয়ের নিয়োগ সাইটের হ্যাক হওয়া পাতার স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেছে হ্যাকাররা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, ফাঁস হওয়া কিছু তথ্যের সত্যতা প্রাথমিক পর্যায়ে মিললেও এটি সত্যিই এফবিআইয়ের মূল সার্ভার থেকে চুরি হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে পুরোপুরি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনার পর এফবিআই অবশ্য বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মুখ না খুললেও নড়েচড়ে বসেছে। একটি প্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এফবিআইয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ‘এফবিআইজবস ডট গভ’- এ অননুমোদিত অনুপ্রবেশ বা অনাকাঙ্ক্ষিত কার্যকলাপের বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনার পরপরই সাময়িকভাবে মূল চাকরির ওয়েবসাইট ও বিশেষ এজেন্টের আবেদন পোর্টাল বন্ধ রাখা হয়।
হ্যাকার গোষ্ঠীটির ভাষ্যমতে, হিউম্যান রিসোর্স বিভাগের ওরাকল পিপলসফট সার্ভারে প্রথমে অনধিকার প্রবেশ করে তারা। এরপর সেখান থেকে নিরাপত্তা বলয় টপকে মার্কিন সরকারের নির্দিষ্ট অ্যামাজন ক্লাউড নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়ে, যেখানে এফবিআইয়ের কর্মকর্তা ও আবেদনকারীদের ডেটা সংরক্ষিত ছিল। যদিও ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা এফবিআইয়ের পক্ষ থেকে এ কারিগরি বিবরণীর কোনো আনুষ্ঠানিক সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
অবাক করার মতো বিষয় হলো, এত বিপুল পরিমাণ তথ্য হাতিয়ে নিলেও এর পেছনে কোনো আর্থিক মুক্তিপণের উদ্দেশ্য ছিল না বলেই জানিয়েছে হ্যাকাররা। মূলত মে মাসে এফবিআইয়ের প্রকাশিত একটি সাইবার নিরাপত্তা বুলেটিনের প্রতিবাদেই এ হামলা চালানো হয়েছে।
সে বুলেটিনে শাইনিহান্টার্সকে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সংস্থাকে হুমকি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করা হয়েছিল। হ্যাকারদের অভিযোগ, তাদের নামে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে। এফবিআই যদি ওই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার না করে, তবে সংগৃহীত তথ্যের কী পরিণতি হবে, সে বিষয়ে তারা কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছে। এর আগে মে মাসেই এ হ্যাকার দলটির বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে সতর্কতা জারি করেছিল এফবিআই।
সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের বিশাল তথ্যভাণ্ডারে হানা দেওয়ার চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে ‘শাইনিহান্টার্স’ নামের এক সাইবার অপরাধী গোষ্ঠী। তাদের দাবি, এফবিআইয়ের প্রায় সব এজেন্ট, তাদের পরিবার এবং চাকরিতে আবেদনকারীদের নাম, ঘরের ঠিকানা ও ব্যক্তিগত ফোন নম্বরের মতো সংবেদনশীল তথ্য এখন তাদের দখলে। নিজেদের এই দাবির পক্ষে ডার্ক ওয়েবে কিছু নমুনাপত্র এবং এফবিআইয়ের নিয়োগ সাইটের হ্যাক হওয়া পাতার স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেছে হ্যাকাররা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, ফাঁস হওয়া কিছু তথ্যের সত্যতা প্রাথমিক পর্যায়ে মিললেও এটি সত্যিই এফবিআইয়ের মূল সার্ভার থেকে চুরি হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে পুরোপুরি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনার পর এফবিআই অবশ্য বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মুখ না খুললেও নড়েচড়ে বসেছে। একটি প্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এফবিআইয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ‘এফবিআইজবস ডট গভ’- এ অননুমোদিত অনুপ্রবেশ বা অনাকাঙ্ক্ষিত কার্যকলাপের বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনার পরপরই সাময়িকভাবে মূল চাকরির ওয়েবসাইট ও বিশেষ এজেন্টের আবেদন পোর্টাল বন্ধ রাখা হয়।
হ্যাকার গোষ্ঠীটির ভাষ্যমতে, হিউম্যান রিসোর্স বিভাগের ওরাকল পিপলসফট সার্ভারে প্রথমে অনধিকার প্রবেশ করে তারা। এরপর সেখান থেকে নিরাপত্তা বলয় টপকে মার্কিন সরকারের নির্দিষ্ট অ্যামাজন ক্লাউড নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়ে, যেখানে এফবিআইয়ের কর্মকর্তা ও আবেদনকারীদের ডেটা সংরক্ষিত ছিল। যদিও ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা এফবিআইয়ের পক্ষ থেকে এ কারিগরি বিবরণীর কোনো আনুষ্ঠানিক সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
অবাক করার মতো বিষয় হলো, এত বিপুল পরিমাণ তথ্য হাতিয়ে নিলেও এর পেছনে কোনো আর্থিক মুক্তিপণের উদ্দেশ্য ছিল না বলেই জানিয়েছে হ্যাকাররা। মূলত মে মাসে এফবিআইয়ের প্রকাশিত একটি সাইবার নিরাপত্তা বুলেটিনের প্রতিবাদেই এ হামলা চালানো হয়েছে।
সে বুলেটিনে শাইনিহান্টার্সকে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সংস্থাকে হুমকি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করা হয়েছিল। হ্যাকারদের অভিযোগ, তাদের নামে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে। এফবিআই যদি ওই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার না করে, তবে সংগৃহীত তথ্যের কী পরিণতি হবে, সে বিষয়ে তারা কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছে। এর আগে মে মাসেই এ হ্যাকার দলটির বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে সতর্কতা জারি করেছিল এফবিআই।
সূত্র: রয়টার্স

এফবিআইয়ের হাজারো এজেন্টের তথ্য চুরির দাবি হ্যাকারদের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের বিশাল তথ্যভাণ্ডারে হানা দেওয়ার চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে ‘শাইনিহান্টার্স’ নামের এক সাইবার অপরাধী গোষ্ঠী। তাদের দাবি, এফবিআইয়ের প্রায় সব এজেন্ট, তাদের পরিবার এবং চাকরিতে আবেদনকারীদের নাম, ঘরের ঠিকানা ও ব্যক্তিগত ফোন নম্বরের মতো সংবেদনশীল তথ্য এখন তাদের দখলে। নিজেদের এই দাবির পক্ষে ডার্ক ওয়েবে কিছু নমুনাপত্র এবং এফবিআইয়ের নিয়োগ সাইটের হ্যাক হওয়া পাতার স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেছে হ্যাকাররা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, ফাঁস হওয়া কিছু তথ্যের সত্যতা প্রাথমিক পর্যায়ে মিললেও এটি সত্যিই এফবিআইয়ের মূল সার্ভার থেকে চুরি হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে পুরোপুরি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনার পর এফবিআই অবশ্য বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মুখ না খুললেও নড়েচড়ে বসেছে। একটি প্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এফবিআইয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ‘এফবিআইজবস ডট গভ’- এ অননুমোদিত অনুপ্রবেশ বা অনাকাঙ্ক্ষিত কার্যকলাপের বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনার পরপরই সাময়িকভাবে মূল চাকরির ওয়েবসাইট ও বিশেষ এজেন্টের আবেদন পোর্টাল বন্ধ রাখা হয়।
হ্যাকার গোষ্ঠীটির ভাষ্যমতে, হিউম্যান রিসোর্স বিভাগের ওরাকল পিপলসফট সার্ভারে প্রথমে অনধিকার প্রবেশ করে তারা। এরপর সেখান থেকে নিরাপত্তা বলয় টপকে মার্কিন সরকারের নির্দিষ্ট অ্যামাজন ক্লাউড নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়ে, যেখানে এফবিআইয়ের কর্মকর্তা ও আবেদনকারীদের ডেটা সংরক্ষিত ছিল। যদিও ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা এফবিআইয়ের পক্ষ থেকে এ কারিগরি বিবরণীর কোনো আনুষ্ঠানিক সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
অবাক করার মতো বিষয় হলো, এত বিপুল পরিমাণ তথ্য হাতিয়ে নিলেও এর পেছনে কোনো আর্থিক মুক্তিপণের উদ্দেশ্য ছিল না বলেই জানিয়েছে হ্যাকাররা। মূলত মে মাসে এফবিআইয়ের প্রকাশিত একটি সাইবার নিরাপত্তা বুলেটিনের প্রতিবাদেই এ হামলা চালানো হয়েছে।
সে বুলেটিনে শাইনিহান্টার্সকে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সংস্থাকে হুমকি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করা হয়েছিল। হ্যাকারদের অভিযোগ, তাদের নামে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে। এফবিআই যদি ওই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার না করে, তবে সংগৃহীত তথ্যের কী পরিণতি হবে, সে বিষয়ে তারা কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছে। এর আগে মে মাসেই এ হ্যাকার দলটির বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে সতর্কতা জারি করেছিল এফবিআই।
সূত্র: রয়টার্স

২৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে তৃতীয় দেশে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র







