২৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে তৃতীয় দেশে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে তৃতীয় দেশে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসেই অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। এরই অংশ হিসেবে অসংখ্য মানুষকে হাত-পায়ে শিকল বেঁধে নিজ দেশে ফেরত পাঠায়। তবে শুধু এটাই নয়, ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে তাদের কোনো সম্পর্ক বা যোগাযোগ নেই এমন তৃতীয় দেশে ডিপোর্ট করেছে বলে এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।
ফরবিডেন স্টোরিজের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিজ দেশে নয় বরং তৃতীয় কোনো দেশে অভিবাসীদের নির্বাসনের জন্য ৩৫টি দেশের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এই চুক্তিগুলোর বিস্তারিত বিবরণ মূলত অপ্রকাশিতই থেকে গেছে।
অভিবাসী অধিকার সংস্থাসহ একাধিক সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করেছে তদন্তকারীরা। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এই নীতির অধীনে অন্তত ২৫,৪৪৭ জনকে ২৮টি দেশে পাঠানো হয়েছে। যদিও মার্কিন সরকার এই পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আনেনি।
১৫টি দেশের ২৬টি গণমাধ্যম সংস্থার ৭২ জন সাংবাদিকের একটি কনসোর্টিয়াম দ্বারা পরিচালিত এই তদন্তে নির্বাসিত ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী এবং বিশেষজ্ঞদের ১০০ জনেরও বেশি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রাপ্ত তথ্যমতে, তৃতীয় দেশগুলোর সঙ্গে এসব চুক্তি নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ৪১০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করে। যার মধ্যে সই করা সরকারগুলোকে ৮১ মিলিয়ন ডলার, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাকে ১৭৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাকে ১২৩ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের ‘অফিস অব রিমাইগ্রেশন’ নামের একটি বিভাগ এই চুক্তিগুলোর মধ্যস্থতা করে। এটি ২০২৫ সালেই প্রতিষ্ঠিত হয়।
অনুসন্ধানের জবাবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নিজ দেশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, অথবা যেসব অভিবাসী নিজ দেশে ফিরতে চাননি, কেবল তাদেরকেই তৃতীয় দেশে পাঠানো হয়েছে।
তবে অভিবাসীদের পর্যাপ্ত নোটিশ না দেওয়া বা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আপিল আদালত এই তৃতীয় দেশে ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসেই অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। এরই অংশ হিসেবে অসংখ্য মানুষকে হাত-পায়ে শিকল বেঁধে নিজ দেশে ফেরত পাঠায়। তবে শুধু এটাই নয়, ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে তাদের কোনো সম্পর্ক বা যোগাযোগ নেই এমন তৃতীয় দেশে ডিপোর্ট করেছে বলে এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।
ফরবিডেন স্টোরিজের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিজ দেশে নয় বরং তৃতীয় কোনো দেশে অভিবাসীদের নির্বাসনের জন্য ৩৫টি দেশের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এই চুক্তিগুলোর বিস্তারিত বিবরণ মূলত অপ্রকাশিতই থেকে গেছে।
অভিবাসী অধিকার সংস্থাসহ একাধিক সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করেছে তদন্তকারীরা। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এই নীতির অধীনে অন্তত ২৫,৪৪৭ জনকে ২৮টি দেশে পাঠানো হয়েছে। যদিও মার্কিন সরকার এই পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আনেনি।
১৫টি দেশের ২৬টি গণমাধ্যম সংস্থার ৭২ জন সাংবাদিকের একটি কনসোর্টিয়াম দ্বারা পরিচালিত এই তদন্তে নির্বাসিত ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী এবং বিশেষজ্ঞদের ১০০ জনেরও বেশি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রাপ্ত তথ্যমতে, তৃতীয় দেশগুলোর সঙ্গে এসব চুক্তি নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ৪১০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করে। যার মধ্যে সই করা সরকারগুলোকে ৮১ মিলিয়ন ডলার, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাকে ১৭৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাকে ১২৩ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের ‘অফিস অব রিমাইগ্রেশন’ নামের একটি বিভাগ এই চুক্তিগুলোর মধ্যস্থতা করে। এটি ২০২৫ সালেই প্রতিষ্ঠিত হয়।
অনুসন্ধানের জবাবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নিজ দেশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, অথবা যেসব অভিবাসী নিজ দেশে ফিরতে চাননি, কেবল তাদেরকেই তৃতীয় দেশে পাঠানো হয়েছে।
তবে অভিবাসীদের পর্যাপ্ত নোটিশ না দেওয়া বা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আপিল আদালত এই তৃতীয় দেশে ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

২৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে তৃতীয় দেশে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসেই অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। এরই অংশ হিসেবে অসংখ্য মানুষকে হাত-পায়ে শিকল বেঁধে নিজ দেশে ফেরত পাঠায়। তবে শুধু এটাই নয়, ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে তাদের কোনো সম্পর্ক বা যোগাযোগ নেই এমন তৃতীয় দেশে ডিপোর্ট করেছে বলে এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।
ফরবিডেন স্টোরিজের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিজ দেশে নয় বরং তৃতীয় কোনো দেশে অভিবাসীদের নির্বাসনের জন্য ৩৫টি দেশের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এই চুক্তিগুলোর বিস্তারিত বিবরণ মূলত অপ্রকাশিতই থেকে গেছে।
অভিবাসী অধিকার সংস্থাসহ একাধিক সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করেছে তদন্তকারীরা। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এই নীতির অধীনে অন্তত ২৫,৪৪৭ জনকে ২৮টি দেশে পাঠানো হয়েছে। যদিও মার্কিন সরকার এই পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আনেনি।
১৫টি দেশের ২৬টি গণমাধ্যম সংস্থার ৭২ জন সাংবাদিকের একটি কনসোর্টিয়াম দ্বারা পরিচালিত এই তদন্তে নির্বাসিত ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী এবং বিশেষজ্ঞদের ১০০ জনেরও বেশি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রাপ্ত তথ্যমতে, তৃতীয় দেশগুলোর সঙ্গে এসব চুক্তি নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ৪১০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করে। যার মধ্যে সই করা সরকারগুলোকে ৮১ মিলিয়ন ডলার, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাকে ১৭৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাকে ১২৩ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের ‘অফিস অব রিমাইগ্রেশন’ নামের একটি বিভাগ এই চুক্তিগুলোর মধ্যস্থতা করে। এটি ২০২৫ সালেই প্রতিষ্ঠিত হয়।
অনুসন্ধানের জবাবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নিজ দেশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, অথবা যেসব অভিবাসী নিজ দেশে ফিরতে চাননি, কেবল তাদেরকেই তৃতীয় দেশে পাঠানো হয়েছে।
তবে অভিবাসীদের পর্যাপ্ত নোটিশ না দেওয়া বা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আপিল আদালত এই তৃতীয় দেশে ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের







