মধ্যবর্তী নির্বাচনে হার: ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিভক্ত ট্রাম্প প্রশাসন

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হার: ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিভক্ত ট্রাম্প প্রশাসন
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইরান কেন্দ্রিক সামরিক সংঘাত কোন পথে এগোবে- তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি নির্ধারণী টেবিলে মতপার্থক্য এখন বেশ স্পষ্ট। প্রশাসনের একটি অংশ সামরিক হামলা জোরদার করার পক্ষে থাকলেও অপর অংশটি চাইছে দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের পথ বের করতে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে হোয়াইট হাউসের ভেতরের এ টানাপোড়েনের খবর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সংঘাতের ইতি টেনে আলোচনার টেবিলে ফেরার ওপর জোর দিচ্ছেন।
প্রশাসনের ভেতরের একটি সূত্র জানায়, সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্পকে রাজি করাতে মূল ভূমিকা ছিল হেগসেথের। তার হিসেব ছিল, অভিযানটি ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার মতো সংক্ষিপ্ত ও সহজ হবে। তবে বাস্তবতা ভিন্ন রূপ নেওয়ায় এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় এখন অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়ছে। শুরু থেকেই যুদ্ধের স্থায়ীত্ব ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন ভ্যান্স ও রুবিও। ভ্যান্স ব্যক্তিগতভাবেও প্রেসিডেন্টকে এ সংঘাতের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। সাম্প্রতিক মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের ভরাডুবির পর ভ্যান্স সরাসরি যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে মুখ খোলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, নির্বাচনে দলের পরাজয়ের অন্যতম কারণ ছিল এ যুদ্ধ। তার মতে, যুদ্ধের কারণেই দেশে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং প্রশাসন ট্রাম্পের মূল নীতি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ থেকে কিছুটা সরে এসেছে- যা ভোটারদের হতাশ করেছে।
এ বিষয়ে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেন, যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দর বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোটে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার প্রয়োজনীয়তার কারণেই সামরিক পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। এমনকি পরিস্থিতি আবার একই হলে তিনি একই সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও জানান।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, সেপ্টেম্বরে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ভ্যান্স ও রুবিওসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে জানানো হয় যে সামরিক হামলার বিষয়টি প্রকাশ্যে বেশি আলোচনা হলে গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোতে রিপাবলিকান প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। সেই বৈঠকের পর থেকেই গণমাধ্যমে মার্কিন অভিযানের তথ্য সীমিত রাখার কৌশল নেওয়া হয় এবং বাহিনী কেবল নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে মেপে মেপে হামলা চালায়।
বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখা, নাকি আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটানো- এই দুই পথের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া এখন ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব মোকাবিলার চাপ, অন্যদিকে যুদ্ধের অর্থনৈতিক ব্যয় এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অসন্তোষ- সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে ট্রাম্পকে।
সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

ইরান কেন্দ্রিক সামরিক সংঘাত কোন পথে এগোবে- তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি নির্ধারণী টেবিলে মতপার্থক্য এখন বেশ স্পষ্ট। প্রশাসনের একটি অংশ সামরিক হামলা জোরদার করার পক্ষে থাকলেও অপর অংশটি চাইছে দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের পথ বের করতে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে হোয়াইট হাউসের ভেতরের এ টানাপোড়েনের খবর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সংঘাতের ইতি টেনে আলোচনার টেবিলে ফেরার ওপর জোর দিচ্ছেন।
প্রশাসনের ভেতরের একটি সূত্র জানায়, সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্পকে রাজি করাতে মূল ভূমিকা ছিল হেগসেথের। তার হিসেব ছিল, অভিযানটি ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার মতো সংক্ষিপ্ত ও সহজ হবে। তবে বাস্তবতা ভিন্ন রূপ নেওয়ায় এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় এখন অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়ছে। শুরু থেকেই যুদ্ধের স্থায়ীত্ব ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন ভ্যান্স ও রুবিও। ভ্যান্স ব্যক্তিগতভাবেও প্রেসিডেন্টকে এ সংঘাতের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। সাম্প্রতিক মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের ভরাডুবির পর ভ্যান্স সরাসরি যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে মুখ খোলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, নির্বাচনে দলের পরাজয়ের অন্যতম কারণ ছিল এ যুদ্ধ। তার মতে, যুদ্ধের কারণেই দেশে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং প্রশাসন ট্রাম্পের মূল নীতি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ থেকে কিছুটা সরে এসেছে- যা ভোটারদের হতাশ করেছে।
এ বিষয়ে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেন, যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দর বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোটে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার প্রয়োজনীয়তার কারণেই সামরিক পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। এমনকি পরিস্থিতি আবার একই হলে তিনি একই সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও জানান।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, সেপ্টেম্বরে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ভ্যান্স ও রুবিওসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে জানানো হয় যে সামরিক হামলার বিষয়টি প্রকাশ্যে বেশি আলোচনা হলে গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোতে রিপাবলিকান প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। সেই বৈঠকের পর থেকেই গণমাধ্যমে মার্কিন অভিযানের তথ্য সীমিত রাখার কৌশল নেওয়া হয় এবং বাহিনী কেবল নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে মেপে মেপে হামলা চালায়।
বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখা, নাকি আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটানো- এই দুই পথের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া এখন ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব মোকাবিলার চাপ, অন্যদিকে যুদ্ধের অর্থনৈতিক ব্যয় এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অসন্তোষ- সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে ট্রাম্পকে।
সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হার: ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিভক্ত ট্রাম্প প্রশাসন
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইরান কেন্দ্রিক সামরিক সংঘাত কোন পথে এগোবে- তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি নির্ধারণী টেবিলে মতপার্থক্য এখন বেশ স্পষ্ট। প্রশাসনের একটি অংশ সামরিক হামলা জোরদার করার পক্ষে থাকলেও অপর অংশটি চাইছে দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের পথ বের করতে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে হোয়াইট হাউসের ভেতরের এ টানাপোড়েনের খবর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সংঘাতের ইতি টেনে আলোচনার টেবিলে ফেরার ওপর জোর দিচ্ছেন।
প্রশাসনের ভেতরের একটি সূত্র জানায়, সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্পকে রাজি করাতে মূল ভূমিকা ছিল হেগসেথের। তার হিসেব ছিল, অভিযানটি ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার মতো সংক্ষিপ্ত ও সহজ হবে। তবে বাস্তবতা ভিন্ন রূপ নেওয়ায় এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় এখন অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়ছে। শুরু থেকেই যুদ্ধের স্থায়ীত্ব ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন ভ্যান্স ও রুবিও। ভ্যান্স ব্যক্তিগতভাবেও প্রেসিডেন্টকে এ সংঘাতের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। সাম্প্রতিক মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের ভরাডুবির পর ভ্যান্স সরাসরি যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে মুখ খোলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, নির্বাচনে দলের পরাজয়ের অন্যতম কারণ ছিল এ যুদ্ধ। তার মতে, যুদ্ধের কারণেই দেশে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং প্রশাসন ট্রাম্পের মূল নীতি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ থেকে কিছুটা সরে এসেছে- যা ভোটারদের হতাশ করেছে।
এ বিষয়ে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেন, যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দর বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোটে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার প্রয়োজনীয়তার কারণেই সামরিক পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। এমনকি পরিস্থিতি আবার একই হলে তিনি একই সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও জানান।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, সেপ্টেম্বরে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ভ্যান্স ও রুবিওসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে জানানো হয় যে সামরিক হামলার বিষয়টি প্রকাশ্যে বেশি আলোচনা হলে গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোতে রিপাবলিকান প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। সেই বৈঠকের পর থেকেই গণমাধ্যমে মার্কিন অভিযানের তথ্য সীমিত রাখার কৌশল নেওয়া হয় এবং বাহিনী কেবল নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে মেপে মেপে হামলা চালায়।
বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখা, নাকি আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটানো- এই দুই পথের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া এখন ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব মোকাবিলার চাপ, অন্যদিকে যুদ্ধের অর্থনৈতিক ব্যয় এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অসন্তোষ- সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে ট্রাম্পকে।
সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

নির্বাচনে ভরাডুবির পর ইরান যুদ্ধের বিপক্ষে ট্রাম্পের মিত্ররা







