মার্কিন-ইসরায়েল সম্পর্কের পরিবর্তন করতে হবে: ভ্যান্স

মার্কিন-ইসরায়েল সম্পর্কের পরিবর্তন করতে হবে: ভ্যান্স
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ব্যাপক ভরাডুবি হয়েছে। এরপর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, নির্বাচনে বিপর্যয় থেকে দুটি শিক্ষা নেওয়ার আছে- ইরান যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েলের সঙ্গে তার সম্পর্ক পরিবর্তন করতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভ্যান্স উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজস্ব ভোটারদের একটি বড় অংশ দলমত পরিবর্তন করার কারণেই ডেমোক্র্যাটরা এ ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে। ভোটারদের এ দলবদলের বিষয়টি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ভ্যান্স লিখেছেন, ‘মূল সমস্যা হলো, ২০২৪ সালে যারা ট্রাম্প/ভ্যান্সকে ভোট দিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই ২০২৬ সালে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিয়েছেন।’
নিজের বক্তব্যের সমর্থনে মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি কিছু জরিপকারীদের প্রাপ্ত তথ্য উল্লেখ করেন। এ জরিপকারীদের মধ্যে অন্তত একজন আগেই ডেমোক্র্যাটদের ব্যাপক সাফল্যের সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। ভ্যান্স জানান, নির্বাচনে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া ভোটারদের কাছে জরিপকারীরা জানতে চেয়েছিলেন, ঠিক কী কী পদক্ষেপ নিলে তারা আবারও দল বা প্রশাসনের প্রতি সমর্থন ফিরিয়ে আনবেন। উত্তরদাতাদের শীর্ষ চারটি উত্তর তুলে ধরে ভ্যান্স লেখেন:
১) যুদ্ধ বন্ধ করুন।
২) জীবনযাত্রার ব্যয় ও মুদ্রাস্ফীতির ওপর মনোযোগ দিন।
৩) যুক্তরাষ্ট্রকে অগ্রাধিকার দিন।
৪) ইসরায়েলের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক পরিবর্তন করুন।
নির্বাচনে পরাজয়ের পুরো দায় যুদ্ধের ওপর চাপিয়ে ভ্যান্স বলেন, ‘আমাদের হারের কারণ হলো যুদ্ধ। রাষ্ট্রপতিও একথা বলেছেন।’
যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রকাশ্যে স্বীকার করেছিলেন যে ইরান যুদ্ধের প্রভাব রিপাবলিকানদের এই হারের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে, তবুও তিনি সংঘাত শুরুর সিদ্ধান্তটিকে সমর্থন করে বক্তব্য দেন। তবে ভ্যান্স তার পোস্টে ট্রাম্পের মতো যুদ্ধ শুরুর সে সিদ্ধান্তকে কোনোভাবেই সমর্থন জানাননি।
হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরে কৌশলগত এই মতপার্থক্য এবং ভ্যান্সের খোলামেলা পোস্টটি ইতোমধ্যে রিপাবলিকান রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। পোস্টটি ট্রাম্পের ছেলে ডোনাল্ড জুনিয়র তার নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থেকে রিটুইট করেন এবং ভ্যান্সের অবস্থানের পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে লেখেন, এর প্রতিটি কথাই ১০০% ১০০% ১০০% সঠিক।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ব্যাপক ভরাডুবি হয়েছে। এরপর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, নির্বাচনে বিপর্যয় থেকে দুটি শিক্ষা নেওয়ার আছে- ইরান যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েলের সঙ্গে তার সম্পর্ক পরিবর্তন করতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভ্যান্স উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজস্ব ভোটারদের একটি বড় অংশ দলমত পরিবর্তন করার কারণেই ডেমোক্র্যাটরা এ ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে। ভোটারদের এ দলবদলের বিষয়টি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ভ্যান্স লিখেছেন, ‘মূল সমস্যা হলো, ২০২৪ সালে যারা ট্রাম্প/ভ্যান্সকে ভোট দিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই ২০২৬ সালে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিয়েছেন।’
নিজের বক্তব্যের সমর্থনে মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি কিছু জরিপকারীদের প্রাপ্ত তথ্য উল্লেখ করেন। এ জরিপকারীদের মধ্যে অন্তত একজন আগেই ডেমোক্র্যাটদের ব্যাপক সাফল্যের সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। ভ্যান্স জানান, নির্বাচনে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া ভোটারদের কাছে জরিপকারীরা জানতে চেয়েছিলেন, ঠিক কী কী পদক্ষেপ নিলে তারা আবারও দল বা প্রশাসনের প্রতি সমর্থন ফিরিয়ে আনবেন। উত্তরদাতাদের শীর্ষ চারটি উত্তর তুলে ধরে ভ্যান্স লেখেন:
১) যুদ্ধ বন্ধ করুন।
২) জীবনযাত্রার ব্যয় ও মুদ্রাস্ফীতির ওপর মনোযোগ দিন।
৩) যুক্তরাষ্ট্রকে অগ্রাধিকার দিন।
৪) ইসরায়েলের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক পরিবর্তন করুন।
নির্বাচনে পরাজয়ের পুরো দায় যুদ্ধের ওপর চাপিয়ে ভ্যান্স বলেন, ‘আমাদের হারের কারণ হলো যুদ্ধ। রাষ্ট্রপতিও একথা বলেছেন।’
যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রকাশ্যে স্বীকার করেছিলেন যে ইরান যুদ্ধের প্রভাব রিপাবলিকানদের এই হারের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে, তবুও তিনি সংঘাত শুরুর সিদ্ধান্তটিকে সমর্থন করে বক্তব্য দেন। তবে ভ্যান্স তার পোস্টে ট্রাম্পের মতো যুদ্ধ শুরুর সে সিদ্ধান্তকে কোনোভাবেই সমর্থন জানাননি।
হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরে কৌশলগত এই মতপার্থক্য এবং ভ্যান্সের খোলামেলা পোস্টটি ইতোমধ্যে রিপাবলিকান রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। পোস্টটি ট্রাম্পের ছেলে ডোনাল্ড জুনিয়র তার নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থেকে রিটুইট করেন এবং ভ্যান্সের অবস্থানের পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে লেখেন, এর প্রতিটি কথাই ১০০% ১০০% ১০০% সঠিক।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

মার্কিন-ইসরায়েল সম্পর্কের পরিবর্তন করতে হবে: ভ্যান্স
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ব্যাপক ভরাডুবি হয়েছে। এরপর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, নির্বাচনে বিপর্যয় থেকে দুটি শিক্ষা নেওয়ার আছে- ইরান যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েলের সঙ্গে তার সম্পর্ক পরিবর্তন করতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভ্যান্স উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজস্ব ভোটারদের একটি বড় অংশ দলমত পরিবর্তন করার কারণেই ডেমোক্র্যাটরা এ ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে। ভোটারদের এ দলবদলের বিষয়টি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ভ্যান্স লিখেছেন, ‘মূল সমস্যা হলো, ২০২৪ সালে যারা ট্রাম্প/ভ্যান্সকে ভোট দিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই ২০২৬ সালে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিয়েছেন।’
নিজের বক্তব্যের সমর্থনে মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি কিছু জরিপকারীদের প্রাপ্ত তথ্য উল্লেখ করেন। এ জরিপকারীদের মধ্যে অন্তত একজন আগেই ডেমোক্র্যাটদের ব্যাপক সাফল্যের সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। ভ্যান্স জানান, নির্বাচনে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া ভোটারদের কাছে জরিপকারীরা জানতে চেয়েছিলেন, ঠিক কী কী পদক্ষেপ নিলে তারা আবারও দল বা প্রশাসনের প্রতি সমর্থন ফিরিয়ে আনবেন। উত্তরদাতাদের শীর্ষ চারটি উত্তর তুলে ধরে ভ্যান্স লেখেন:
১) যুদ্ধ বন্ধ করুন।
২) জীবনযাত্রার ব্যয় ও মুদ্রাস্ফীতির ওপর মনোযোগ দিন।
৩) যুক্তরাষ্ট্রকে অগ্রাধিকার দিন।
৪) ইসরায়েলের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক পরিবর্তন করুন।
নির্বাচনে পরাজয়ের পুরো দায় যুদ্ধের ওপর চাপিয়ে ভ্যান্স বলেন, ‘আমাদের হারের কারণ হলো যুদ্ধ। রাষ্ট্রপতিও একথা বলেছেন।’
যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রকাশ্যে স্বীকার করেছিলেন যে ইরান যুদ্ধের প্রভাব রিপাবলিকানদের এই হারের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে, তবুও তিনি সংঘাত শুরুর সিদ্ধান্তটিকে সমর্থন করে বক্তব্য দেন। তবে ভ্যান্স তার পোস্টে ট্রাম্পের মতো যুদ্ধ শুরুর সে সিদ্ধান্তকে কোনোভাবেই সমর্থন জানাননি।
হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরে কৌশলগত এই মতপার্থক্য এবং ভ্যান্সের খোলামেলা পোস্টটি ইতোমধ্যে রিপাবলিকান রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। পোস্টটি ট্রাম্পের ছেলে ডোনাল্ড জুনিয়র তার নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থেকে রিটুইট করেন এবং ভ্যান্সের অবস্থানের পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে লেখেন, এর প্রতিটি কথাই ১০০% ১০০% ১০০% সঠিক।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

হরমুজ প্রণালিতে দুই তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও টাগবোটে আগুন







