সকল প্রশংসা আল্লাহর: ট্রাম্প

সকল প্রশংসা আল্লাহর: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অত্যাচারী’ আখ্যা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, সেই শক্তির দিন আর নেই। দেশটির সামরিক অবকাঠামো ও অর্থনীতি এখন পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে। বর্তমান পরিস্থিতির এমন পরিবর্তনের জন্য তিনি মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) নিজ সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। এতে তিনি ইরানের বিদ্যমান চরম অর্থনৈতিক দুরাবস্থার চিত্র তুলে ধরেন। ট্রাম্প জানান, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালির ওপর এখন আমেরিকার একচ্ছত্র কর্তৃত্ব রয়েছে। এ পথে মার্কিন নৌবাহিনীর বসানো অবরোধকে ‘লৌহ দেয়াল’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প জানান বলেন, এ অবরোধকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কোনো শক্তি বা সামর্থ্য আপাতত ইরানের নেই।

ইরানের বর্তমান অবস্থার বর্ণনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, দেশটির এখন কোনো কার্যকর নৌ বা বিমানবাহিনী নেই, এমনকি সেনাদের নিয়মিত বেতন দেওয়ার মতো অর্থও তাদের কাছে অবশিষ্ট নেই। আইআরজিসির সদস্যরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব এক গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। ট্রাম্পের মতে, প্রায় ৩০০ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি আর টাকার তীব্র সংকটে পুরো দেশটি এখন স্থবির।
প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া দীর্ঘ ৪০ দিনের সংঘাতের পর হরমুজ প্রণালিতে কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপ করে মার্কিন বাহিনী। এরপর থেকে ইরানের বন্দরে যেকোনো জাহাজের আসা- যাওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের এসব দাবি নাকচ করে তেহরান জানিয়েছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালির আসল নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতেই রয়েছে এবং আমেরিকার চাপিয়ে দেওয়া শর্ত না মানা পর্যন্ত এই পথ উন্মুক্ত করা হবে না।

ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অত্যাচারী’ আখ্যা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, সেই শক্তির দিন আর নেই। দেশটির সামরিক অবকাঠামো ও অর্থনীতি এখন পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে। বর্তমান পরিস্থিতির এমন পরিবর্তনের জন্য তিনি মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) নিজ সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। এতে তিনি ইরানের বিদ্যমান চরম অর্থনৈতিক দুরাবস্থার চিত্র তুলে ধরেন। ট্রাম্প জানান, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালির ওপর এখন আমেরিকার একচ্ছত্র কর্তৃত্ব রয়েছে। এ পথে মার্কিন নৌবাহিনীর বসানো অবরোধকে ‘লৌহ দেয়াল’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প জানান বলেন, এ অবরোধকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কোনো শক্তি বা সামর্থ্য আপাতত ইরানের নেই।

ইরানের বর্তমান অবস্থার বর্ণনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, দেশটির এখন কোনো কার্যকর নৌ বা বিমানবাহিনী নেই, এমনকি সেনাদের নিয়মিত বেতন দেওয়ার মতো অর্থও তাদের কাছে অবশিষ্ট নেই। আইআরজিসির সদস্যরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব এক গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। ট্রাম্পের মতে, প্রায় ৩০০ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি আর টাকার তীব্র সংকটে পুরো দেশটি এখন স্থবির।
প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া দীর্ঘ ৪০ দিনের সংঘাতের পর হরমুজ প্রণালিতে কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপ করে মার্কিন বাহিনী। এরপর থেকে ইরানের বন্দরে যেকোনো জাহাজের আসা- যাওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের এসব দাবি নাকচ করে তেহরান জানিয়েছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালির আসল নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতেই রয়েছে এবং আমেরিকার চাপিয়ে দেওয়া শর্ত না মানা পর্যন্ত এই পথ উন্মুক্ত করা হবে না।

সকল প্রশংসা আল্লাহর: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অত্যাচারী’ আখ্যা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, সেই শক্তির দিন আর নেই। দেশটির সামরিক অবকাঠামো ও অর্থনীতি এখন পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে। বর্তমান পরিস্থিতির এমন পরিবর্তনের জন্য তিনি মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) নিজ সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। এতে তিনি ইরানের বিদ্যমান চরম অর্থনৈতিক দুরাবস্থার চিত্র তুলে ধরেন। ট্রাম্প জানান, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালির ওপর এখন আমেরিকার একচ্ছত্র কর্তৃত্ব রয়েছে। এ পথে মার্কিন নৌবাহিনীর বসানো অবরোধকে ‘লৌহ দেয়াল’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প জানান বলেন, এ অবরোধকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কোনো শক্তি বা সামর্থ্য আপাতত ইরানের নেই।

ইরানের বর্তমান অবস্থার বর্ণনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, দেশটির এখন কোনো কার্যকর নৌ বা বিমানবাহিনী নেই, এমনকি সেনাদের নিয়মিত বেতন দেওয়ার মতো অর্থও তাদের কাছে অবশিষ্ট নেই। আইআরজিসির সদস্যরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব এক গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। ট্রাম্পের মতে, প্রায় ৩০০ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি আর টাকার তীব্র সংকটে পুরো দেশটি এখন স্থবির।
প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া দীর্ঘ ৪০ দিনের সংঘাতের পর হরমুজ প্রণালিতে কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপ করে মার্কিন বাহিনী। এরপর থেকে ইরানের বন্দরে যেকোনো জাহাজের আসা- যাওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের এসব দাবি নাকচ করে তেহরান জানিয়েছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালির আসল নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতেই রয়েছে এবং আমেরিকার চাপিয়ে দেওয়া শর্ত না মানা পর্যন্ত এই পথ উন্মুক্ত করা হবে না।









