মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কর্মকর্তা ও নাগরিকদের ওপর হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কর্মকর্তা ও নাগরিকদের ওপর হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

ইরান মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন কর্মকর্তা ও নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে পাঠানো এক স্মারকলিপিতে এ ঝুঁকির কথা জানিয়েছেন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক জে ক্লেটন। মেমোটিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে ইরানিদের প্রাণঘাতী হামলার ষড়যন্ত্র চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং একাধিক কূটনৈতিক কেন্দ্রে কর্মী উপস্থিতি নীরবে কমানো শুরু হয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তার মতে, লেবানন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও জর্ডানসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মিশনকে ইতোমধ্যেই সীমাবদ্ধ কার্যক্রম বা জরুরি অবস্থায় রাখা হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ইরানের সন্ত্রাসী চক্রান্ত এবং হুথি হামলার হুমকি বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়মিত মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী কূটনৈতিক কেন্দ্রগুলোতে লোকবল সমন্বয় করা হচ্ছে। গোয়েন্দা প্রধান ক্লেটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওকে আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি গোয়েন্দা তথ্যের শ্রেণিবিন্যাস শিথিল করার চেষ্টা করছেন যাতে এ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা স্টেট ডিপার্টমেন্টের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া যায়।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযানের কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। সম্প্রতি ফ্লোরিডায় এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, আমরা হয়তো আরও একটি ছোটখাটো ‘এপিক ফিউরি’ করতে পারি। তিনি হুঙ্কার দিয়ে আরও যোগ করেন, ওরা যদি বুদ্ধিমান হয়, তাহলে বলবে, চলো কাজে নেমে পড়ি। সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্পের সামনে ইরানের কৌশলগত দ্বীপ কেশম, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের পারমাণবিক স্থাপনার সুড়ঙ্গ মুখ কিংবা দেশটির অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত খার্গ দ্বীপের তেল স্থাপনায় বড় ধরণের হামলার বেশ কয়েকটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে কূটনৈতিক অঙ্গনেও টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। গত মাসে ইরান কয়েক দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার একটি চুক্তির প্রস্তাব দিলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তা প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেন। ট্রাম্পের দাবি, ইরান শোচনীয়ভাবে হারছে বলেই চুক্তি করতে চায় এবং মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কৃত্রিমভাবে তেলের দাম বাড়াতে চাইছে। তবে ট্রাম্পের এ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই, আমাদের মাথাব্যথা জাতীয় স্বার্থ নিয়ে।
সূত্র: এনবিসি নিউজ

ইরান মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন কর্মকর্তা ও নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে পাঠানো এক স্মারকলিপিতে এ ঝুঁকির কথা জানিয়েছেন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক জে ক্লেটন। মেমোটিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে ইরানিদের প্রাণঘাতী হামলার ষড়যন্ত্র চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং একাধিক কূটনৈতিক কেন্দ্রে কর্মী উপস্থিতি নীরবে কমানো শুরু হয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তার মতে, লেবানন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও জর্ডানসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মিশনকে ইতোমধ্যেই সীমাবদ্ধ কার্যক্রম বা জরুরি অবস্থায় রাখা হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ইরানের সন্ত্রাসী চক্রান্ত এবং হুথি হামলার হুমকি বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়মিত মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী কূটনৈতিক কেন্দ্রগুলোতে লোকবল সমন্বয় করা হচ্ছে। গোয়েন্দা প্রধান ক্লেটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওকে আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি গোয়েন্দা তথ্যের শ্রেণিবিন্যাস শিথিল করার চেষ্টা করছেন যাতে এ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা স্টেট ডিপার্টমেন্টের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া যায়।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযানের কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। সম্প্রতি ফ্লোরিডায় এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, আমরা হয়তো আরও একটি ছোটখাটো ‘এপিক ফিউরি’ করতে পারি। তিনি হুঙ্কার দিয়ে আরও যোগ করেন, ওরা যদি বুদ্ধিমান হয়, তাহলে বলবে, চলো কাজে নেমে পড়ি। সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্পের সামনে ইরানের কৌশলগত দ্বীপ কেশম, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের পারমাণবিক স্থাপনার সুড়ঙ্গ মুখ কিংবা দেশটির অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত খার্গ দ্বীপের তেল স্থাপনায় বড় ধরণের হামলার বেশ কয়েকটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে কূটনৈতিক অঙ্গনেও টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। গত মাসে ইরান কয়েক দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার একটি চুক্তির প্রস্তাব দিলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তা প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেন। ট্রাম্পের দাবি, ইরান শোচনীয়ভাবে হারছে বলেই চুক্তি করতে চায় এবং মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কৃত্রিমভাবে তেলের দাম বাড়াতে চাইছে। তবে ট্রাম্পের এ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই, আমাদের মাথাব্যথা জাতীয় স্বার্থ নিয়ে।
সূত্র: এনবিসি নিউজ

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কর্মকর্তা ও নাগরিকদের ওপর হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

ইরান মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন কর্মকর্তা ও নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে পাঠানো এক স্মারকলিপিতে এ ঝুঁকির কথা জানিয়েছেন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক জে ক্লেটন। মেমোটিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে ইরানিদের প্রাণঘাতী হামলার ষড়যন্ত্র চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং একাধিক কূটনৈতিক কেন্দ্রে কর্মী উপস্থিতি নীরবে কমানো শুরু হয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তার মতে, লেবানন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও জর্ডানসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মিশনকে ইতোমধ্যেই সীমাবদ্ধ কার্যক্রম বা জরুরি অবস্থায় রাখা হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ইরানের সন্ত্রাসী চক্রান্ত এবং হুথি হামলার হুমকি বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়মিত মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী কূটনৈতিক কেন্দ্রগুলোতে লোকবল সমন্বয় করা হচ্ছে। গোয়েন্দা প্রধান ক্লেটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওকে আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি গোয়েন্দা তথ্যের শ্রেণিবিন্যাস শিথিল করার চেষ্টা করছেন যাতে এ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা স্টেট ডিপার্টমেন্টের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া যায়।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযানের কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। সম্প্রতি ফ্লোরিডায় এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, আমরা হয়তো আরও একটি ছোটখাটো ‘এপিক ফিউরি’ করতে পারি। তিনি হুঙ্কার দিয়ে আরও যোগ করেন, ওরা যদি বুদ্ধিমান হয়, তাহলে বলবে, চলো কাজে নেমে পড়ি। সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্পের সামনে ইরানের কৌশলগত দ্বীপ কেশম, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের পারমাণবিক স্থাপনার সুড়ঙ্গ মুখ কিংবা দেশটির অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত খার্গ দ্বীপের তেল স্থাপনায় বড় ধরণের হামলার বেশ কয়েকটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে কূটনৈতিক অঙ্গনেও টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। গত মাসে ইরান কয়েক দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার একটি চুক্তির প্রস্তাব দিলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তা প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেন। ট্রাম্পের দাবি, ইরান শোচনীয়ভাবে হারছে বলেই চুক্তি করতে চায় এবং মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কৃত্রিমভাবে তেলের দাম বাড়াতে চাইছে। তবে ট্রাম্পের এ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই, আমাদের মাথাব্যথা জাতীয় স্বার্থ নিয়ে।
সূত্র: এনবিসি নিউজ

হুথিদের হামলায় যাত্রীদের বাঁচাতে গিয়ে সৌদির বিমানবন্দর কর্মীর মৃত্যু







