৩ লাখের বেশি মার্কিন ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন

৩ লাখের বেশি মার্কিন ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে তিন লাখের বেশি মার্কিন ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর-এ তথ্য জানিয়েছে। অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভিসা বাতিলের গতি আরও বেড়েছে।
গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫ হাজারের কিছু বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছিল। অর্থাৎ, দুই মাসের কিছু বেশি সময়ে বাতিল ভিসার সংখ্যা বেড়েছে প্রায় সোয়া লাখ।
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ইতিহাসে কোনো প্রশাসনই এত দ্রুত এত বেশি ভিসা বাতিল করেনি। তার ভাষায়, আইন ভঙ্গকারী, প্রতারণায় জড়িত কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি– এমন বিদেশিদের ব্যাপারে প্রশাসনের নীতি জিরো টলারেন্স।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ কঠোর অভিবাসন নীতি। তবে মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া ও বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘন করে পরিচালিত হচ্ছে এ অভিযান, যাতে জাতিগত সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বিশেষ করে গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ফিলিস্তিনপন্থি বিদেশি শিক্ষার্থী এবং রক্ষণশীল ভাষ্যকার চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্যকারীদের ভিসা বাতিলের ঘটনা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
ভিসা বাতিলের পাশাপাশি অভিবাসী ও আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই-বাছাইও কঠোর করেছে প্রশাসন।
অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিচ্ছিন্ন প্রতারণার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিনেসোটার সোমালি-আমেরিকানদের মতো পুরো অভিবাসী জনগোষ্ঠীকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।
এর আগে, ২০২৪ সালের নির্বাচনে অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় ফেরেন ট্রাম্প। তবে তার প্রশাসনের নীতিতে বৈধ অভিবাসনের পথও সংকুচিত হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু কর্মভিসার ক্ষেত্রে আরোপ করা হয়েছে বিপুল অঙ্কের ফি।
বিশ্লেষকদের মতে, ভিসা বাতিলের এ প্রবণতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, গবেষক ও দক্ষ কর্মীরা বেশি চাপে পড়েছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে অনেক শিক্ষার্থী বিকল্প হিসেবে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশকে বেছে নিচ্ছেন।
এদিকে অভিবাসী সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকে নিয়মিত ভ্রমণ, পড়াশোনা এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রেও সতর্ক হয়ে উঠছেন।
সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে তিন লাখের বেশি মার্কিন ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর-এ তথ্য জানিয়েছে। অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভিসা বাতিলের গতি আরও বেড়েছে।
গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫ হাজারের কিছু বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছিল। অর্থাৎ, দুই মাসের কিছু বেশি সময়ে বাতিল ভিসার সংখ্যা বেড়েছে প্রায় সোয়া লাখ।
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ইতিহাসে কোনো প্রশাসনই এত দ্রুত এত বেশি ভিসা বাতিল করেনি। তার ভাষায়, আইন ভঙ্গকারী, প্রতারণায় জড়িত কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি– এমন বিদেশিদের ব্যাপারে প্রশাসনের নীতি জিরো টলারেন্স।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ কঠোর অভিবাসন নীতি। তবে মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া ও বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘন করে পরিচালিত হচ্ছে এ অভিযান, যাতে জাতিগত সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বিশেষ করে গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ফিলিস্তিনপন্থি বিদেশি শিক্ষার্থী এবং রক্ষণশীল ভাষ্যকার চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্যকারীদের ভিসা বাতিলের ঘটনা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
ভিসা বাতিলের পাশাপাশি অভিবাসী ও আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই-বাছাইও কঠোর করেছে প্রশাসন।
অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিচ্ছিন্ন প্রতারণার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিনেসোটার সোমালি-আমেরিকানদের মতো পুরো অভিবাসী জনগোষ্ঠীকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।
এর আগে, ২০২৪ সালের নির্বাচনে অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় ফেরেন ট্রাম্প। তবে তার প্রশাসনের নীতিতে বৈধ অভিবাসনের পথও সংকুচিত হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু কর্মভিসার ক্ষেত্রে আরোপ করা হয়েছে বিপুল অঙ্কের ফি।
বিশ্লেষকদের মতে, ভিসা বাতিলের এ প্রবণতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, গবেষক ও দক্ষ কর্মীরা বেশি চাপে পড়েছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে অনেক শিক্ষার্থী বিকল্প হিসেবে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশকে বেছে নিচ্ছেন।
এদিকে অভিবাসী সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকে নিয়মিত ভ্রমণ, পড়াশোনা এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রেও সতর্ক হয়ে উঠছেন।
সূত্র: রয়টার্স

৩ লাখের বেশি মার্কিন ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে তিন লাখের বেশি মার্কিন ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর-এ তথ্য জানিয়েছে। অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভিসা বাতিলের গতি আরও বেড়েছে।
গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫ হাজারের কিছু বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছিল। অর্থাৎ, দুই মাসের কিছু বেশি সময়ে বাতিল ভিসার সংখ্যা বেড়েছে প্রায় সোয়া লাখ।
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ইতিহাসে কোনো প্রশাসনই এত দ্রুত এত বেশি ভিসা বাতিল করেনি। তার ভাষায়, আইন ভঙ্গকারী, প্রতারণায় জড়িত কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি– এমন বিদেশিদের ব্যাপারে প্রশাসনের নীতি জিরো টলারেন্স।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ কঠোর অভিবাসন নীতি। তবে মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া ও বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘন করে পরিচালিত হচ্ছে এ অভিযান, যাতে জাতিগত সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বিশেষ করে গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ফিলিস্তিনপন্থি বিদেশি শিক্ষার্থী এবং রক্ষণশীল ভাষ্যকার চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্যকারীদের ভিসা বাতিলের ঘটনা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
ভিসা বাতিলের পাশাপাশি অভিবাসী ও আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই-বাছাইও কঠোর করেছে প্রশাসন।
অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিচ্ছিন্ন প্রতারণার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিনেসোটার সোমালি-আমেরিকানদের মতো পুরো অভিবাসী জনগোষ্ঠীকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।
এর আগে, ২০২৪ সালের নির্বাচনে অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় ফেরেন ট্রাম্প। তবে তার প্রশাসনের নীতিতে বৈধ অভিবাসনের পথও সংকুচিত হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু কর্মভিসার ক্ষেত্রে আরোপ করা হয়েছে বিপুল অঙ্কের ফি।
বিশ্লেষকদের মতে, ভিসা বাতিলের এ প্রবণতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, গবেষক ও দক্ষ কর্মীরা বেশি চাপে পড়েছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে অনেক শিক্ষার্থী বিকল্প হিসেবে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশকে বেছে নিচ্ছেন।
এদিকে অভিবাসী সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকে নিয়মিত ভ্রমণ, পড়াশোনা এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রেও সতর্ক হয়ে উঠছেন।
সূত্র: রয়টার্স

ভিসা নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের কড়া বার্তা






