কলম্বিয়ায় বোমা হামলায় নিহত অন্তত ১৪

কলম্বিয়ায় বোমা হামলায় নিহত অন্তত ১৪
সিটিজেন ডেস্ক

কলম্বিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি মহাসড়কে সংঘটিত ভয়াবহ বোমা হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ৫ শিশুসহ ৩৮ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার (২৫ এপ্রিল) কাউকা অঞ্চলের কাজিবিওর এল টানেল সেক্টরে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিভাইসের মাধ্যমে এ হামলা চালানো হয়।
কাউকা অঞ্চলের গভর্নর অক্টাভিও গুজমান এ বর্বরোচিত হামলাকে নির্বিচার আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। সন্ত্রাসবাদী এ কার্যকলাপ বৃদ্ধির বিরুদ্ধে তিনি সরকারের কাছে অবিলম্বে ধারাবাহিক ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গভর্নরের শেয়ার করা একটি ভিডিওতে বিস্ফোরণস্থলে ছুটে আসা অ্যাম্বুলেন্স, দুমড়ানো-মুচড়ানো অসংখ্য যানবাহন এবং মহাসড়কের চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোও এ হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি হামলাকারীদের সরাসরি সন্ত্রাসী, ফ্যাসিস্ট এবং মাদক পাচারকারী হিসেবে অভিহিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
কলম্বিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল হুগো লোপেজ এ ঘটনাকে একটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি এ হামলার জন্য কলম্বিয়ার অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তি ইভান মোরডিস্কোর নেটওয়ার্ক এবং হাইমে মার্তিনেজ গোষ্ঠীকে সরাসরি দায়ী করেছেন। এই গোষ্ঠীগুলো মূলত ২০১৬ সালে সরকারের সাথে যুগান্তকারী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরকারী এবং পরবর্তীতে বিলুপ্ত হওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী ফার্ক (FARC)-এর ভিন্নমতাবলম্বী অংশ হিসেবে পরিচিত। জেনারেল লোপেজের দেওয়া তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ-পশ্চিম কলম্বিয়ায় সরকারি অবকাঠামো ও বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে জেনারেল লোপেজ জানান, গত মাত্র ২ দিনে ওই অঞ্চলে অন্তত ২৬টি পৃথক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার মধ্যে জামুন্ডিতে পুলিশ স্টেশনে গোলাগুলি, এল টাম্বোতে রাডার স্থাপনায় ড্রোন হামলা এবং কালি ও পালমিরায় সামরিক ঘাঁটির কাছে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের মতো বড় ধরনের নাশকতা রয়েছে। মূলত কাওকা এবং ভ্যালে দেল কাওকা অঞ্চলটি মাদক পাচারকারী অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বেআইনি কার্যকলাপ ও আধিপত্য বিস্তারের একটি প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ অপরাধীদের কঠোর জবাব দেওয়ার জোরালো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। একইসঙ্গে, ভিন্নমতাবলম্বী গোষ্ঠীর নেতা ও এসব হামলার নেপথ্যে থাকা মূল অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সরকার ইতিমধ্যে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও ঘোষণা করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

কলম্বিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি মহাসড়কে সংঘটিত ভয়াবহ বোমা হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ৫ শিশুসহ ৩৮ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার (২৫ এপ্রিল) কাউকা অঞ্চলের কাজিবিওর এল টানেল সেক্টরে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিভাইসের মাধ্যমে এ হামলা চালানো হয়।
কাউকা অঞ্চলের গভর্নর অক্টাভিও গুজমান এ বর্বরোচিত হামলাকে নির্বিচার আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। সন্ত্রাসবাদী এ কার্যকলাপ বৃদ্ধির বিরুদ্ধে তিনি সরকারের কাছে অবিলম্বে ধারাবাহিক ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গভর্নরের শেয়ার করা একটি ভিডিওতে বিস্ফোরণস্থলে ছুটে আসা অ্যাম্বুলেন্স, দুমড়ানো-মুচড়ানো অসংখ্য যানবাহন এবং মহাসড়কের চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোও এ হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি হামলাকারীদের সরাসরি সন্ত্রাসী, ফ্যাসিস্ট এবং মাদক পাচারকারী হিসেবে অভিহিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
কলম্বিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল হুগো লোপেজ এ ঘটনাকে একটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি এ হামলার জন্য কলম্বিয়ার অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তি ইভান মোরডিস্কোর নেটওয়ার্ক এবং হাইমে মার্তিনেজ গোষ্ঠীকে সরাসরি দায়ী করেছেন। এই গোষ্ঠীগুলো মূলত ২০১৬ সালে সরকারের সাথে যুগান্তকারী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরকারী এবং পরবর্তীতে বিলুপ্ত হওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী ফার্ক (FARC)-এর ভিন্নমতাবলম্বী অংশ হিসেবে পরিচিত। জেনারেল লোপেজের দেওয়া তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ-পশ্চিম কলম্বিয়ায় সরকারি অবকাঠামো ও বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে জেনারেল লোপেজ জানান, গত মাত্র ২ দিনে ওই অঞ্চলে অন্তত ২৬টি পৃথক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার মধ্যে জামুন্ডিতে পুলিশ স্টেশনে গোলাগুলি, এল টাম্বোতে রাডার স্থাপনায় ড্রোন হামলা এবং কালি ও পালমিরায় সামরিক ঘাঁটির কাছে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের মতো বড় ধরনের নাশকতা রয়েছে। মূলত কাওকা এবং ভ্যালে দেল কাওকা অঞ্চলটি মাদক পাচারকারী অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বেআইনি কার্যকলাপ ও আধিপত্য বিস্তারের একটি প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ অপরাধীদের কঠোর জবাব দেওয়ার জোরালো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। একইসঙ্গে, ভিন্নমতাবলম্বী গোষ্ঠীর নেতা ও এসব হামলার নেপথ্যে থাকা মূল অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সরকার ইতিমধ্যে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও ঘোষণা করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

কলম্বিয়ায় বোমা হামলায় নিহত অন্তত ১৪
সিটিজেন ডেস্ক

কলম্বিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি মহাসড়কে সংঘটিত ভয়াবহ বোমা হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ৫ শিশুসহ ৩৮ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার (২৫ এপ্রিল) কাউকা অঞ্চলের কাজিবিওর এল টানেল সেক্টরে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিভাইসের মাধ্যমে এ হামলা চালানো হয়।
কাউকা অঞ্চলের গভর্নর অক্টাভিও গুজমান এ বর্বরোচিত হামলাকে নির্বিচার আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। সন্ত্রাসবাদী এ কার্যকলাপ বৃদ্ধির বিরুদ্ধে তিনি সরকারের কাছে অবিলম্বে ধারাবাহিক ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গভর্নরের শেয়ার করা একটি ভিডিওতে বিস্ফোরণস্থলে ছুটে আসা অ্যাম্বুলেন্স, দুমড়ানো-মুচড়ানো অসংখ্য যানবাহন এবং মহাসড়কের চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোও এ হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি হামলাকারীদের সরাসরি সন্ত্রাসী, ফ্যাসিস্ট এবং মাদক পাচারকারী হিসেবে অভিহিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
কলম্বিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল হুগো লোপেজ এ ঘটনাকে একটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি এ হামলার জন্য কলম্বিয়ার অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তি ইভান মোরডিস্কোর নেটওয়ার্ক এবং হাইমে মার্তিনেজ গোষ্ঠীকে সরাসরি দায়ী করেছেন। এই গোষ্ঠীগুলো মূলত ২০১৬ সালে সরকারের সাথে যুগান্তকারী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরকারী এবং পরবর্তীতে বিলুপ্ত হওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী ফার্ক (FARC)-এর ভিন্নমতাবলম্বী অংশ হিসেবে পরিচিত। জেনারেল লোপেজের দেওয়া তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ-পশ্চিম কলম্বিয়ায় সরকারি অবকাঠামো ও বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে জেনারেল লোপেজ জানান, গত মাত্র ২ দিনে ওই অঞ্চলে অন্তত ২৬টি পৃথক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার মধ্যে জামুন্ডিতে পুলিশ স্টেশনে গোলাগুলি, এল টাম্বোতে রাডার স্থাপনায় ড্রোন হামলা এবং কালি ও পালমিরায় সামরিক ঘাঁটির কাছে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের মতো বড় ধরনের নাশকতা রয়েছে। মূলত কাওকা এবং ভ্যালে দেল কাওকা অঞ্চলটি মাদক পাচারকারী অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বেআইনি কার্যকলাপ ও আধিপত্য বিস্তারের একটি প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ অপরাধীদের কঠোর জবাব দেওয়ার জোরালো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। একইসঙ্গে, ভিন্নমতাবলম্বী গোষ্ঠীর নেতা ও এসব হামলার নেপথ্যে থাকা মূল অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সরকার ইতিমধ্যে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও ঘোষণা করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে জাপান


