বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের বিরুদ্ধে বাণিজ্য তদন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের বিরুদ্ধে বাণিজ্য তদন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৬টি দেশে উৎপাদন খাত নিয়ে নতুন বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত তার আগের শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত বাতিল করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিষ্কার করে দিয়েছেন– ফেব্রুয়ারিতে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে যে শত শত বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য রাজস্ব হারিয়ে গেছে, তা পুষিয়ে নিতে তারা নতুন আইনি পথ ব্যবহার করে আবারও শুল্ক আরোপ করতে চান।
এই ক্ষেত্রে প্রশাসন ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১ অনুযায়ী তদন্ত শুরু করছে। এই তদন্তের ফলাফল শেষ পর্যন্ত নতুন আমদানি শুল্ক আরোপের দিকে যেতে পারে।
বুধবার (১১ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, তদন্তে দেখা হবে বিদেশি শিল্প খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা আছে কি-না এবং বিদেশি সরকারগুলো তাদের কোম্পানিগুলোকে এমন সহায়তা দিচ্ছে কি না, যা মার্কিন কোম্পানিগুলোর তুলনায় অন্যায্য সুবিধা তৈরি করে। এই তদন্তের আওতায় যেসব সত্তা বা অর্থনীতি রয়েছে, তার মধ্যে আছে—চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, বাংলাদেশ, মেক্সিকো, জাপান ও ভারত।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন সরকার এসব দেশের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে কি না এবং শ্রমিকদের মজুরি দমন করার মতো নীতির মাধ্যমে তারা বাণিজ্যে সুবিধা নিচ্ছে কি-না, তা খতিয়ে দেখতে চায়। প্রশাসন একই সঙ্গে সেকশন ৩০১-এর আওতায় আরেকটি তদন্ত শুরু করছে, যার লক্ষ্য জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে তৈরি পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করা। আমি আগেভাগেই তদন্তের ফল নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। নীতিটা একই আছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান রক্ষা করা।
গ্রিয়ার বলেন, বাতিল হয়ে যাওয়া ওই শুল্কগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে নতুন কাঠামোগত সমঝোতা তৈরির পথ খুলে দিয়েছিল। নতুন শুল্ক আরোপ হলে সেই চুক্তিগুলোর ওপর কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বাণিজ্য কাঠামোগুলো নিজেদের ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে আছে এবং এগুলো নতুন তদন্ত থেকে আলাদা।
নতুন এই শুল্কনীতির প্রক্রিয়া এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ চলছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনও সামনে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা ট্রাম্পপন্থী রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় বলছেন, সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের পর জনগণকে শুল্ক থেকে আদায় করা অর্থ ফেরত দেওয়া উচিত।
তদন্ত দ্রুত শেষ করার জন্য প্রশাসনের ওপর সময়ের চাপও রয়েছে। গ্রিয়ার বলেন, প্রশাসন নতুন তদন্তের ক্ষেত্রে ওই ১৫০ দিনের সময়সীমাকে সামনে রেখে কাজ করছে। লক্ষ্য হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব সম্ভাব্য নীতিগত বিকল্পগুলো ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করা। তদন্তের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২৪ জুলাই।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশে বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে এখনো তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।
গ্রিয়ার বলেন, প্রশাসন নতুন তদন্তের ক্ষেত্রে ওই ১৫০ দিনের সময়সীমাকে সামনে রেখে কাজ করছে। লক্ষ্য হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব সম্ভাব্য নীতিগত বিকল্পগুলো ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করা।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৬টি দেশে উৎপাদন খাত নিয়ে নতুন বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত তার আগের শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত বাতিল করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিষ্কার করে দিয়েছেন– ফেব্রুয়ারিতে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে যে শত শত বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য রাজস্ব হারিয়ে গেছে, তা পুষিয়ে নিতে তারা নতুন আইনি পথ ব্যবহার করে আবারও শুল্ক আরোপ করতে চান।
এই ক্ষেত্রে প্রশাসন ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১ অনুযায়ী তদন্ত শুরু করছে। এই তদন্তের ফলাফল শেষ পর্যন্ত নতুন আমদানি শুল্ক আরোপের দিকে যেতে পারে।
বুধবার (১১ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, তদন্তে দেখা হবে বিদেশি শিল্প খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা আছে কি-না এবং বিদেশি সরকারগুলো তাদের কোম্পানিগুলোকে এমন সহায়তা দিচ্ছে কি না, যা মার্কিন কোম্পানিগুলোর তুলনায় অন্যায্য সুবিধা তৈরি করে। এই তদন্তের আওতায় যেসব সত্তা বা অর্থনীতি রয়েছে, তার মধ্যে আছে—চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, বাংলাদেশ, মেক্সিকো, জাপান ও ভারত।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন সরকার এসব দেশের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে কি না এবং শ্রমিকদের মজুরি দমন করার মতো নীতির মাধ্যমে তারা বাণিজ্যে সুবিধা নিচ্ছে কি-না, তা খতিয়ে দেখতে চায়। প্রশাসন একই সঙ্গে সেকশন ৩০১-এর আওতায় আরেকটি তদন্ত শুরু করছে, যার লক্ষ্য জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে তৈরি পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করা। আমি আগেভাগেই তদন্তের ফল নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। নীতিটা একই আছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান রক্ষা করা।
গ্রিয়ার বলেন, বাতিল হয়ে যাওয়া ওই শুল্কগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে নতুন কাঠামোগত সমঝোতা তৈরির পথ খুলে দিয়েছিল। নতুন শুল্ক আরোপ হলে সেই চুক্তিগুলোর ওপর কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বাণিজ্য কাঠামোগুলো নিজেদের ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে আছে এবং এগুলো নতুন তদন্ত থেকে আলাদা।
নতুন এই শুল্কনীতির প্রক্রিয়া এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ চলছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনও সামনে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা ট্রাম্পপন্থী রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় বলছেন, সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের পর জনগণকে শুল্ক থেকে আদায় করা অর্থ ফেরত দেওয়া উচিত।
তদন্ত দ্রুত শেষ করার জন্য প্রশাসনের ওপর সময়ের চাপও রয়েছে। গ্রিয়ার বলেন, প্রশাসন নতুন তদন্তের ক্ষেত্রে ওই ১৫০ দিনের সময়সীমাকে সামনে রেখে কাজ করছে। লক্ষ্য হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব সম্ভাব্য নীতিগত বিকল্পগুলো ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করা। তদন্তের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২৪ জুলাই।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশে বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে এখনো তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।
গ্রিয়ার বলেন, প্রশাসন নতুন তদন্তের ক্ষেত্রে ওই ১৫০ দিনের সময়সীমাকে সামনে রেখে কাজ করছে। লক্ষ্য হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব সম্ভাব্য নীতিগত বিকল্পগুলো ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করা।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের বিরুদ্ধে বাণিজ্য তদন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৬টি দেশে উৎপাদন খাত নিয়ে নতুন বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত তার আগের শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত বাতিল করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিষ্কার করে দিয়েছেন– ফেব্রুয়ারিতে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে যে শত শত বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য রাজস্ব হারিয়ে গেছে, তা পুষিয়ে নিতে তারা নতুন আইনি পথ ব্যবহার করে আবারও শুল্ক আরোপ করতে চান।
এই ক্ষেত্রে প্রশাসন ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১ অনুযায়ী তদন্ত শুরু করছে। এই তদন্তের ফলাফল শেষ পর্যন্ত নতুন আমদানি শুল্ক আরোপের দিকে যেতে পারে।
বুধবার (১১ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, তদন্তে দেখা হবে বিদেশি শিল্প খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা আছে কি-না এবং বিদেশি সরকারগুলো তাদের কোম্পানিগুলোকে এমন সহায়তা দিচ্ছে কি না, যা মার্কিন কোম্পানিগুলোর তুলনায় অন্যায্য সুবিধা তৈরি করে। এই তদন্তের আওতায় যেসব সত্তা বা অর্থনীতি রয়েছে, তার মধ্যে আছে—চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, বাংলাদেশ, মেক্সিকো, জাপান ও ভারত।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন সরকার এসব দেশের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে কি না এবং শ্রমিকদের মজুরি দমন করার মতো নীতির মাধ্যমে তারা বাণিজ্যে সুবিধা নিচ্ছে কি-না, তা খতিয়ে দেখতে চায়। প্রশাসন একই সঙ্গে সেকশন ৩০১-এর আওতায় আরেকটি তদন্ত শুরু করছে, যার লক্ষ্য জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে তৈরি পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করা। আমি আগেভাগেই তদন্তের ফল নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। নীতিটা একই আছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান রক্ষা করা।
গ্রিয়ার বলেন, বাতিল হয়ে যাওয়া ওই শুল্কগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে নতুন কাঠামোগত সমঝোতা তৈরির পথ খুলে দিয়েছিল। নতুন শুল্ক আরোপ হলে সেই চুক্তিগুলোর ওপর কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বাণিজ্য কাঠামোগুলো নিজেদের ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে আছে এবং এগুলো নতুন তদন্ত থেকে আলাদা।
নতুন এই শুল্কনীতির প্রক্রিয়া এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ চলছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনও সামনে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা ট্রাম্পপন্থী রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় বলছেন, সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের পর জনগণকে শুল্ক থেকে আদায় করা অর্থ ফেরত দেওয়া উচিত।
তদন্ত দ্রুত শেষ করার জন্য প্রশাসনের ওপর সময়ের চাপও রয়েছে। গ্রিয়ার বলেন, প্রশাসন নতুন তদন্তের ক্ষেত্রে ওই ১৫০ দিনের সময়সীমাকে সামনে রেখে কাজ করছে। লক্ষ্য হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব সম্ভাব্য নীতিগত বিকল্পগুলো ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করা। তদন্তের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২৪ জুলাই।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশে বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে এখনো তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।
গ্রিয়ার বলেন, প্রশাসন নতুন তদন্তের ক্ষেত্রে ওই ১৫০ দিনের সময়সীমাকে সামনে রেখে কাজ করছে। লক্ষ্য হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব সম্ভাব্য নীতিগত বিকল্পগুলো ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করা।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান




