নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র হামলায় নিহত ৫০

নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র হামলায় নিহত ৫০

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যে সশস্ত্র ব্যক্তিদের হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। হামলাকারীরা বহু নারী ও শিশুকেও অপহরণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এক আইনপ্রণেতা।
বুক্কুইয়াম দক্ষিণের প্রতিনিধিত্বকারী আইনপ্রণেতা হামিসু ফারু জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে তুংগান দুতসে গ্রামে হামলা চালায় সশস্ত্র ব্যক্তিরা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে তিনটা পর্যন্ত টানা হামলা চলে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে করে আসা হামলাকারীরা একের পর এক বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং বাসিন্দাদের ধরে নিয়ে যায়। পালানোর চেষ্টা করলে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়।
ফারু টেলিফোনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, তারা এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যাচ্ছে, অন্তত ৫০ জনকে মৃত অবস্থায় ফেলে গেছে।
কতজনকে অপহরণ করা হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিখোঁজদের তালিকা তৈরির কাজ করছে। এ বিষয়ে জামফারা রাজ্য পুলিশের মুখপাত্রের মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি ফোন ধরেননি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, হামলায় তার পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। হামলার পর পুরো এলাকা আতঙ্কে রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হামলার একদিন আগে দেড় শতাধিক মোটরসাইকেলে সশস্ত্র ব্যক্তিদের বহর দেখা যাওয়ার পরও নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
নাইজেরিয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে তথাকথিত ‘ডাকাত’ গোষ্ঠীগুলোর হামলা, অপহরণ ও সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের ওপর চাপও বাড়ছে। এসব সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়মিত প্রাণঘাতী হামলা চালানো, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়কে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যে সশস্ত্র ব্যক্তিদের হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। হামলাকারীরা বহু নারী ও শিশুকেও অপহরণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এক আইনপ্রণেতা।
বুক্কুইয়াম দক্ষিণের প্রতিনিধিত্বকারী আইনপ্রণেতা হামিসু ফারু জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে তুংগান দুতসে গ্রামে হামলা চালায় সশস্ত্র ব্যক্তিরা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে তিনটা পর্যন্ত টানা হামলা চলে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে করে আসা হামলাকারীরা একের পর এক বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং বাসিন্দাদের ধরে নিয়ে যায়। পালানোর চেষ্টা করলে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়।
ফারু টেলিফোনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, তারা এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যাচ্ছে, অন্তত ৫০ জনকে মৃত অবস্থায় ফেলে গেছে।
কতজনকে অপহরণ করা হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিখোঁজদের তালিকা তৈরির কাজ করছে। এ বিষয়ে জামফারা রাজ্য পুলিশের মুখপাত্রের মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি ফোন ধরেননি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, হামলায় তার পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। হামলার পর পুরো এলাকা আতঙ্কে রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হামলার একদিন আগে দেড় শতাধিক মোটরসাইকেলে সশস্ত্র ব্যক্তিদের বহর দেখা যাওয়ার পরও নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
নাইজেরিয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে তথাকথিত ‘ডাকাত’ গোষ্ঠীগুলোর হামলা, অপহরণ ও সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের ওপর চাপও বাড়ছে। এসব সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়মিত প্রাণঘাতী হামলা চালানো, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়কে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র হামলায় নিহত ৫০

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যে সশস্ত্র ব্যক্তিদের হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। হামলাকারীরা বহু নারী ও শিশুকেও অপহরণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এক আইনপ্রণেতা।
বুক্কুইয়াম দক্ষিণের প্রতিনিধিত্বকারী আইনপ্রণেতা হামিসু ফারু জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে তুংগান দুতসে গ্রামে হামলা চালায় সশস্ত্র ব্যক্তিরা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে তিনটা পর্যন্ত টানা হামলা চলে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে করে আসা হামলাকারীরা একের পর এক বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং বাসিন্দাদের ধরে নিয়ে যায়। পালানোর চেষ্টা করলে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়।
ফারু টেলিফোনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, তারা এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যাচ্ছে, অন্তত ৫০ জনকে মৃত অবস্থায় ফেলে গেছে।
কতজনকে অপহরণ করা হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিখোঁজদের তালিকা তৈরির কাজ করছে। এ বিষয়ে জামফারা রাজ্য পুলিশের মুখপাত্রের মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি ফোন ধরেননি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, হামলায় তার পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। হামলার পর পুরো এলাকা আতঙ্কে রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হামলার একদিন আগে দেড় শতাধিক মোটরসাইকেলে সশস্ত্র ব্যক্তিদের বহর দেখা যাওয়ার পরও নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
নাইজেরিয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে তথাকথিত ‘ডাকাত’ গোষ্ঠীগুলোর হামলা, অপহরণ ও সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের ওপর চাপও বাড়ছে। এসব সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়মিত প্রাণঘাতী হামলা চালানো, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়কে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।




