খেলার উত্তেজনায় ঘুম হারাম, সুস্থ থাকবেন যেভাবে

খেলার উত্তেজনায় ঘুম হারাম, সুস্থ থাকবেন যেভাবে
সিটিজেন ডেস্ক

খেলা দেখতে ভালোবাসেন না এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। তবে প্রিয় দলের ম্যাচ কিংবা বড় কোনো টুর্নামেন্ট উপভোগ করতে গিয়ে যেন ঘুমের প্রয়োজনীয়তা উপেক্ষিত না হয়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ সুস্থ শরীর ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।
প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন হয়। বয়স কম হলে এই চাহিদা আরও বেড়ে যায়। কিশোর-কিশোরীদের প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের প্রয়োজন ৯ থেকে ১২ ঘণ্টা ঘুম আর ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের প্রয়োজন ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা বিশ্রামের।
প্রয়োজনের তুলনায় কম ঘুম হলে শরীর ও মনের ওপর নানা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। দিনের বেলায় ঘুম ঘুম ভাব, অবসাদ ও শক্তিহীনতা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি মনোযোগ কমে যায়, নতুন কিছু শেখা কঠিন হয়ে ওঠে এবং পরিচিত কাজও আগের তুলনায় বেশি সময় নিয়ে করতে হয়।
ঘুমের অভাবে মানুষের চিন্তাশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। ছোটখাটো বিষয়েও বিরক্তি তৈরি হয়, মেজাজ খিটখিটে হয়ে ওঠে এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দীর্ঘদিন ঘুমের ঘাটতি থাকলে তা আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়ার সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে রাত জেগে থাকার কারণে অস্বাস্থ্যকর খাবার বা স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতাও বৃদ্ধি পায়।
অন্যদিকে, খেলা দেখা মানুষের জন্য আনন্দ ও বিনোদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এটি মানসিক প্রশান্তি দেয়, একঘেয়ে জীবনে নতুনত্ব আনে এবং পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ সৃষ্টি করে। শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে খেলা দেখার মাধ্যমে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহও তৈরি হতে পারে। যা তাদের শারীরিক সুস্থতায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
ঘুম ও খেলার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে আগেভাগে পরিকল্পনা করা জরুরি। কোন ম্যাচ দেখবেন তা আগে থেকেই ঠিক করে নিন এবং প্রয়োজনে ঘুমের সময় কিছুটা সমন্বয় করুন। ম্যাচের আগে বা পরে বিশ্রাম নিয়ে মোট ঘুমের সময় পূরণ করার চেষ্টা করুন।
একটানা ঘুম না হলেও দিনের বিভিন্ন সময়ে ঘুমিয়ে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নিশ্চিত করা যেতে পারে। সুযোগ থাকলে দিনের বেলায় অল্প সময়ের জন্য ঘুমিয়ে নেওয়াও উপকারী। কখনো কখনো পর্যাপ্ত সময় থাকা সত্ত্বেও ঘুম নাও আসতে পারে। এমন অবস্থায় অন্তত শরীরকে বিশ্রাম দিন। চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকলেও শরীর ও মন কিছুটা আরাম পায়।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ম্যাচের উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করা। রোমাঞ্চকর খেলা চলাকালে শরীরে অ্যাড্রেনালিনের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়া কঠিন হয়ে পড়ে। তবে মনে রাখতে হবে, খেলা যতই উত্তেজনাপূর্ণ হোক, সেটি শেষ পর্যন্ত একটি বিনোদনের মাধ্যম। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর ঘুমের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করুন। ঘরের আলো কমিয়ে দিন এবং শরীরকে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত করুন।

খেলা দেখতে ভালোবাসেন না এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। তবে প্রিয় দলের ম্যাচ কিংবা বড় কোনো টুর্নামেন্ট উপভোগ করতে গিয়ে যেন ঘুমের প্রয়োজনীয়তা উপেক্ষিত না হয়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ সুস্থ শরীর ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।
প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন হয়। বয়স কম হলে এই চাহিদা আরও বেড়ে যায়। কিশোর-কিশোরীদের প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের প্রয়োজন ৯ থেকে ১২ ঘণ্টা ঘুম আর ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের প্রয়োজন ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা বিশ্রামের।
প্রয়োজনের তুলনায় কম ঘুম হলে শরীর ও মনের ওপর নানা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। দিনের বেলায় ঘুম ঘুম ভাব, অবসাদ ও শক্তিহীনতা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি মনোযোগ কমে যায়, নতুন কিছু শেখা কঠিন হয়ে ওঠে এবং পরিচিত কাজও আগের তুলনায় বেশি সময় নিয়ে করতে হয়।
ঘুমের অভাবে মানুষের চিন্তাশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। ছোটখাটো বিষয়েও বিরক্তি তৈরি হয়, মেজাজ খিটখিটে হয়ে ওঠে এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দীর্ঘদিন ঘুমের ঘাটতি থাকলে তা আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়ার সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে রাত জেগে থাকার কারণে অস্বাস্থ্যকর খাবার বা স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতাও বৃদ্ধি পায়।
অন্যদিকে, খেলা দেখা মানুষের জন্য আনন্দ ও বিনোদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এটি মানসিক প্রশান্তি দেয়, একঘেয়ে জীবনে নতুনত্ব আনে এবং পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ সৃষ্টি করে। শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে খেলা দেখার মাধ্যমে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহও তৈরি হতে পারে। যা তাদের শারীরিক সুস্থতায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
ঘুম ও খেলার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে আগেভাগে পরিকল্পনা করা জরুরি। কোন ম্যাচ দেখবেন তা আগে থেকেই ঠিক করে নিন এবং প্রয়োজনে ঘুমের সময় কিছুটা সমন্বয় করুন। ম্যাচের আগে বা পরে বিশ্রাম নিয়ে মোট ঘুমের সময় পূরণ করার চেষ্টা করুন।
একটানা ঘুম না হলেও দিনের বিভিন্ন সময়ে ঘুমিয়ে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নিশ্চিত করা যেতে পারে। সুযোগ থাকলে দিনের বেলায় অল্প সময়ের জন্য ঘুমিয়ে নেওয়াও উপকারী। কখনো কখনো পর্যাপ্ত সময় থাকা সত্ত্বেও ঘুম নাও আসতে পারে। এমন অবস্থায় অন্তত শরীরকে বিশ্রাম দিন। চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকলেও শরীর ও মন কিছুটা আরাম পায়।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ম্যাচের উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করা। রোমাঞ্চকর খেলা চলাকালে শরীরে অ্যাড্রেনালিনের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়া কঠিন হয়ে পড়ে। তবে মনে রাখতে হবে, খেলা যতই উত্তেজনাপূর্ণ হোক, সেটি শেষ পর্যন্ত একটি বিনোদনের মাধ্যম। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর ঘুমের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করুন। ঘরের আলো কমিয়ে দিন এবং শরীরকে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত করুন।

খেলার উত্তেজনায় ঘুম হারাম, সুস্থ থাকবেন যেভাবে
সিটিজেন ডেস্ক

খেলা দেখতে ভালোবাসেন না এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। তবে প্রিয় দলের ম্যাচ কিংবা বড় কোনো টুর্নামেন্ট উপভোগ করতে গিয়ে যেন ঘুমের প্রয়োজনীয়তা উপেক্ষিত না হয়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ সুস্থ শরীর ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।
প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন হয়। বয়স কম হলে এই চাহিদা আরও বেড়ে যায়। কিশোর-কিশোরীদের প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের প্রয়োজন ৯ থেকে ১২ ঘণ্টা ঘুম আর ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের প্রয়োজন ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা বিশ্রামের।
প্রয়োজনের তুলনায় কম ঘুম হলে শরীর ও মনের ওপর নানা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। দিনের বেলায় ঘুম ঘুম ভাব, অবসাদ ও শক্তিহীনতা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি মনোযোগ কমে যায়, নতুন কিছু শেখা কঠিন হয়ে ওঠে এবং পরিচিত কাজও আগের তুলনায় বেশি সময় নিয়ে করতে হয়।
ঘুমের অভাবে মানুষের চিন্তাশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। ছোটখাটো বিষয়েও বিরক্তি তৈরি হয়, মেজাজ খিটখিটে হয়ে ওঠে এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দীর্ঘদিন ঘুমের ঘাটতি থাকলে তা আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়ার সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে রাত জেগে থাকার কারণে অস্বাস্থ্যকর খাবার বা স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতাও বৃদ্ধি পায়।
অন্যদিকে, খেলা দেখা মানুষের জন্য আনন্দ ও বিনোদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এটি মানসিক প্রশান্তি দেয়, একঘেয়ে জীবনে নতুনত্ব আনে এবং পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ সৃষ্টি করে। শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে খেলা দেখার মাধ্যমে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহও তৈরি হতে পারে। যা তাদের শারীরিক সুস্থতায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
ঘুম ও খেলার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে আগেভাগে পরিকল্পনা করা জরুরি। কোন ম্যাচ দেখবেন তা আগে থেকেই ঠিক করে নিন এবং প্রয়োজনে ঘুমের সময় কিছুটা সমন্বয় করুন। ম্যাচের আগে বা পরে বিশ্রাম নিয়ে মোট ঘুমের সময় পূরণ করার চেষ্টা করুন।
একটানা ঘুম না হলেও দিনের বিভিন্ন সময়ে ঘুমিয়ে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নিশ্চিত করা যেতে পারে। সুযোগ থাকলে দিনের বেলায় অল্প সময়ের জন্য ঘুমিয়ে নেওয়াও উপকারী। কখনো কখনো পর্যাপ্ত সময় থাকা সত্ত্বেও ঘুম নাও আসতে পারে। এমন অবস্থায় অন্তত শরীরকে বিশ্রাম দিন। চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকলেও শরীর ও মন কিছুটা আরাম পায়।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ম্যাচের উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করা। রোমাঞ্চকর খেলা চলাকালে শরীরে অ্যাড্রেনালিনের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়া কঠিন হয়ে পড়ে। তবে মনে রাখতে হবে, খেলা যতই উত্তেজনাপূর্ণ হোক, সেটি শেষ পর্যন্ত একটি বিনোদনের মাধ্যম। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর ঘুমের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করুন। ঘরের আলো কমিয়ে দিন এবং শরীরকে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত করুন।

নারীরা কেন রাতে ১১টার আগে ঘুমাবেন


