আবারও দেশ সেরা ঢাবি, তবে বিশ্ব র্যাংকিং নিম্নমুখী

আবারও দেশ সেরা ঢাবি, তবে বিশ্ব র্যাংকিং নিম্নমুখী
ঢাবি সংবাদদাতা

আন্তর্জাতিক কিউএস ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং-২০২৭’-এ আবারও দেশ সেরা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডস (কিউএস) বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তালিকা প্রকাশ করে। এতে দেশের আটটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ১৩টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থান করে নিয়েছে। তবে দেশে শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও বিশ্ব র্যাংকিংয়ে আগের বারের চেয়ে এবার পিছিয়েছে দেশের প্রাচীনতম এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি।
কিউএস র্যাকিংয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বসেরা ৬০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় এবার স্থান পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তবে এটি গত বছরের তুলনায় পিছিয়েছে। গত বছরের (২০২৬ সালের) র্যাংকিংয়ে ঢাবির অবস্থান ছিল ৫৮৪তম এবং এর আগের বছর (২০২৫ সালে) ছিল ৫৫৪তম। অর্থাৎ, দেশের সেরা হলেও বৈশ্বিক সূচকে ঢাবির অবস্থান কিছুটা নিম্নমুখী।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েট (৭১১-৭২০)। আর সেরা এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান পাওয়া নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (৯০১-৯৫০) অবস্থান দেশে তৃতীয়।
এবারের র্যাংকিংয়ে থাকা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো যথাক্রমে- ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি (চতুর্থ), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (পঞ্চম), আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ষষ্ঠ), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সপ্তম), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (অষ্টম), ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (নবম), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (দশম), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (১১তম), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (১২তম) এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৩তম)।
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং মূলত কয়েকটি নির্দিষ্ট সূচক বা মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। কিউএস-এর ওয়েবসাইটের তথ্য ও সূচকগুলো বিশ্লেষণ করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে পড়ার পেছনে প্রধানত দুটি কারণ দৃশ্যমান হয়:
শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত: বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ঢাবির পিছিয়ে পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ এটি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী শিক্ষার্থীর তুলনায় যে পরিমাণ শিক্ষক থাকা প্রয়োজন, ঢাবিতে তার ঘাটতি রয়েছে। কিউএস-এর মূল্যায়নে এই সূচকে ঢাবি অন্যান্য বৈশ্বিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বেশ পিছিয়ে।
গবেষণা ও সাইটেশন: আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার হার এবং শিক্ষক প্রতি সাইটেশনের পরিমাণ ঢাবির অবস্থানের অবনতির আরেকটি বড় কারণ। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক মান নির্ধারণে এই সূচকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও, কিউএস র্যাংকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই মানদণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়টি কাঙ্ক্ষিত স্কোর অর্জন করতে পারেনি।
মূলত, বৈশ্বিক মানদণ্ড নির্ধারণকারী এই গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোতে কাঙ্ক্ষিত মান অর্জন করতে না পারার কারণেই এবারের কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অবনতি ঘটেছে।

আন্তর্জাতিক কিউএস ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং-২০২৭’-এ আবারও দেশ সেরা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডস (কিউএস) বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তালিকা প্রকাশ করে। এতে দেশের আটটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ১৩টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থান করে নিয়েছে। তবে দেশে শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও বিশ্ব র্যাংকিংয়ে আগের বারের চেয়ে এবার পিছিয়েছে দেশের প্রাচীনতম এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি।
কিউএস র্যাকিংয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বসেরা ৬০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় এবার স্থান পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তবে এটি গত বছরের তুলনায় পিছিয়েছে। গত বছরের (২০২৬ সালের) র্যাংকিংয়ে ঢাবির অবস্থান ছিল ৫৮৪তম এবং এর আগের বছর (২০২৫ সালে) ছিল ৫৫৪তম। অর্থাৎ, দেশের সেরা হলেও বৈশ্বিক সূচকে ঢাবির অবস্থান কিছুটা নিম্নমুখী।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েট (৭১১-৭২০)। আর সেরা এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান পাওয়া নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (৯০১-৯৫০) অবস্থান দেশে তৃতীয়।
এবারের র্যাংকিংয়ে থাকা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো যথাক্রমে- ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি (চতুর্থ), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (পঞ্চম), আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ষষ্ঠ), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সপ্তম), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (অষ্টম), ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (নবম), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (দশম), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (১১তম), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (১২তম) এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৩তম)।
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং মূলত কয়েকটি নির্দিষ্ট সূচক বা মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। কিউএস-এর ওয়েবসাইটের তথ্য ও সূচকগুলো বিশ্লেষণ করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে পড়ার পেছনে প্রধানত দুটি কারণ দৃশ্যমান হয়:
শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত: বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ঢাবির পিছিয়ে পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ এটি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী শিক্ষার্থীর তুলনায় যে পরিমাণ শিক্ষক থাকা প্রয়োজন, ঢাবিতে তার ঘাটতি রয়েছে। কিউএস-এর মূল্যায়নে এই সূচকে ঢাবি অন্যান্য বৈশ্বিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বেশ পিছিয়ে।
গবেষণা ও সাইটেশন: আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার হার এবং শিক্ষক প্রতি সাইটেশনের পরিমাণ ঢাবির অবস্থানের অবনতির আরেকটি বড় কারণ। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক মান নির্ধারণে এই সূচকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও, কিউএস র্যাংকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই মানদণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়টি কাঙ্ক্ষিত স্কোর অর্জন করতে পারেনি।
মূলত, বৈশ্বিক মানদণ্ড নির্ধারণকারী এই গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোতে কাঙ্ক্ষিত মান অর্জন করতে না পারার কারণেই এবারের কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অবনতি ঘটেছে।

আবারও দেশ সেরা ঢাবি, তবে বিশ্ব র্যাংকিং নিম্নমুখী
ঢাবি সংবাদদাতা

আন্তর্জাতিক কিউএস ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং-২০২৭’-এ আবারও দেশ সেরা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডস (কিউএস) বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তালিকা প্রকাশ করে। এতে দেশের আটটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ১৩টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থান করে নিয়েছে। তবে দেশে শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও বিশ্ব র্যাংকিংয়ে আগের বারের চেয়ে এবার পিছিয়েছে দেশের প্রাচীনতম এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি।
কিউএস র্যাকিংয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বসেরা ৬০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় এবার স্থান পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তবে এটি গত বছরের তুলনায় পিছিয়েছে। গত বছরের (২০২৬ সালের) র্যাংকিংয়ে ঢাবির অবস্থান ছিল ৫৮৪তম এবং এর আগের বছর (২০২৫ সালে) ছিল ৫৫৪তম। অর্থাৎ, দেশের সেরা হলেও বৈশ্বিক সূচকে ঢাবির অবস্থান কিছুটা নিম্নমুখী।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েট (৭১১-৭২০)। আর সেরা এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান পাওয়া নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (৯০১-৯৫০) অবস্থান দেশে তৃতীয়।
এবারের র্যাংকিংয়ে থাকা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো যথাক্রমে- ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি (চতুর্থ), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (পঞ্চম), আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ষষ্ঠ), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সপ্তম), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (অষ্টম), ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (নবম), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (দশম), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (১১তম), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (১২তম) এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৩তম)।
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং মূলত কয়েকটি নির্দিষ্ট সূচক বা মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। কিউএস-এর ওয়েবসাইটের তথ্য ও সূচকগুলো বিশ্লেষণ করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে পড়ার পেছনে প্রধানত দুটি কারণ দৃশ্যমান হয়:
শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত: বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ঢাবির পিছিয়ে পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ এটি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী শিক্ষার্থীর তুলনায় যে পরিমাণ শিক্ষক থাকা প্রয়োজন, ঢাবিতে তার ঘাটতি রয়েছে। কিউএস-এর মূল্যায়নে এই সূচকে ঢাবি অন্যান্য বৈশ্বিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বেশ পিছিয়ে।
গবেষণা ও সাইটেশন: আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার হার এবং শিক্ষক প্রতি সাইটেশনের পরিমাণ ঢাবির অবস্থানের অবনতির আরেকটি বড় কারণ। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক মান নির্ধারণে এই সূচকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও, কিউএস র্যাংকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই মানদণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়টি কাঙ্ক্ষিত স্কোর অর্জন করতে পারেনি।
মূলত, বৈশ্বিক মানদণ্ড নির্ধারণকারী এই গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোতে কাঙ্ক্ষিত মান অর্জন করতে না পারার কারণেই এবারের কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অবনতি ঘটেছে।




