আজ বিড়ালকে ভালোবাসার দিন

আজ বিড়ালকে ভালোবাসার দিন
সিজেডএন ডেস্ক

ঘরের এক কোণে গুটিসুটি মেরে ঘুমানো, কখনো পায়ের কাছে এসে গা ঘেঁষে বসা, আবার কখনো দুষ্টুমিতে পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখা-বিড়ালের এমন ছোট ছোট কাণ্ডেই যেন লুকিয়ে থাকে একরাশ আনন্দ। মুখে কথা বলতে পারে না, কিন্তু আদুরে ডাক, মায়াবী চোখ আর নানা ভঙ্গিমায় ঠিকই বুঝিয়ে দেয় তার চাওয়া-পাওয়া। আর এই মিষ্টি স্বভাবের প্রাণীটির জন্যই আজকের দিনটি বিশেষ। ১৬ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বিড়াল দিবস।
ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার (আইএফএডব্লিউ)-এর উদ্যোগে ২০০২ সালে আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবসের সূচনা হয়েছিল বলে বহুল প্রচলিত তথ্য রয়েছে। তবে বর্তমানে ১৬ অক্টোবর তারিখটিই আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবস হিসেবে বেশি পরিচিত।
বিড়ালপ্রেমীদের কাছে দিনটি নিছক কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং প্রিয় পোষ্যটির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের বাড়তি একটি উপলক্ষ। যে বিড়ালটি প্রতিদিন ঘরের সদস্যদের সঙ্গ দেয়, একাকিত্ব দূর করে কিংবা নিঃশব্দে পাশে বসে মন ভালো করে দেয়, আজ তার জন্য একটু বিশেষ আয়োজন করতেই পারেন।
মানুষের সঙ্গে বিড়ালের সম্পর্ক এক দিনের নয়। হাজার হাজার বছর ধরে মানুষের আশপাশে বসবাস করছে এই প্রাণী। প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতায় বিড়াল বিশেষ মর্যাদা পেত। ধর্মীয় বিশ্বাস, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিতেও ছিল তাদের উপস্থিতি। মিসরীয় দেবী বাসতেতকে প্রায়ই বিড়ালের বৈশিষ্ট্যযুক্ত রূপে উপস্থাপন করা হতো। বিড়ালকে ঘর ও পরিবারের সুরক্ষার প্রতীক হিসেবেও দেখা হতো।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনে বিড়ালের ভূমিকা বদলেছে। একসময় শস্যভান্ডার ও বসতবাড়িতে ইঁদুর নিয়ন্ত্রণে তাদের উপস্থিতি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। পরে ইউরোপ, এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে বিড়াল হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গী। বর্তমানে বহু মানুষের কাছে বিড়াল শুধু পোষা প্রাণী নয়, পরিবারেরই একজন।
তবে বিড়ালের ইতিহাস ঘিরে নানা প্রচলিত ধারণা থাকলেও সব গল্পের পেছনে সমান ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। বিশেষ করে মধ্যযুগে ইউরোপে বিড়াল নিয়ে কুসংস্কার ছড়ানোর ঘটনা থাকলেও, ১৩৪৮ সালের ব্ল্যাক ডেথের জন্য বিড়ালকে দায়ী করার বিষয়টি ইতিহাসের জটিল বাস্তবতাকে পুরোপুরি তুলে ধরে না। ওই মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পেছনে সংক্রমণ ও ইঁদুরের গায়ে থাকা মাছির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
বিড়ালের জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে তার স্বাধীনচেতা স্বভাব, কৌতূহল আর বিচিত্র আচরণ। কখনো বাক্সের ভেতর ঢুকে বসে থাকা, কখনো জানালার পাশে বসে পাখি দেখা, আবার কখনো কোনো কারণ ছাড়াই ঘরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়-এসব আচরণই বিড়ালকে করে তুলেছে অনন্য।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিড়ালের দাপট কম নয়। তাদের মজার কাণ্ড, অদ্ভুত মুখভঙ্গি, ঘুমানোর বিচিত্র ভঙ্গি কিংবা মালিকের সঙ্গে খুনসুটির ভিডিও নিয়মিতই নজর কাড়ে। অনেকের কাছে ব্যস্ত দিনের শেষে পোষ্য বিড়ালের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো মানসিক প্রশান্তিরও উৎস।
বিড়াল হয়তো ক্যালেন্ডারের তারিখ বোঝে না। বোঝে না আন্তর্জাতিক দিবসের আনুষ্ঠানিকতাও। কিন্তু সে ঠিকই চিনে নেয় পরিচিত হাত, চেনা কণ্ঠ আর নিরাপদ আশ্রয়। তাই আজ শুধু একটি দিনের উদ্যাপন নয়, বরং প্রতিদিনের যত্ন আর ভালোবাসার প্রতিশ্রুতিই হোক বিশ্ব বিড়াল দিবসের আসল বার্তা।

ঘরের এক কোণে গুটিসুটি মেরে ঘুমানো, কখনো পায়ের কাছে এসে গা ঘেঁষে বসা, আবার কখনো দুষ্টুমিতে পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখা-বিড়ালের এমন ছোট ছোট কাণ্ডেই যেন লুকিয়ে থাকে একরাশ আনন্দ। মুখে কথা বলতে পারে না, কিন্তু আদুরে ডাক, মায়াবী চোখ আর নানা ভঙ্গিমায় ঠিকই বুঝিয়ে দেয় তার চাওয়া-পাওয়া। আর এই মিষ্টি স্বভাবের প্রাণীটির জন্যই আজকের দিনটি বিশেষ। ১৬ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বিড়াল দিবস।
ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার (আইএফএডব্লিউ)-এর উদ্যোগে ২০০২ সালে আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবসের সূচনা হয়েছিল বলে বহুল প্রচলিত তথ্য রয়েছে। তবে বর্তমানে ১৬ অক্টোবর তারিখটিই আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবস হিসেবে বেশি পরিচিত।
বিড়ালপ্রেমীদের কাছে দিনটি নিছক কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং প্রিয় পোষ্যটির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের বাড়তি একটি উপলক্ষ। যে বিড়ালটি প্রতিদিন ঘরের সদস্যদের সঙ্গ দেয়, একাকিত্ব দূর করে কিংবা নিঃশব্দে পাশে বসে মন ভালো করে দেয়, আজ তার জন্য একটু বিশেষ আয়োজন করতেই পারেন।
মানুষের সঙ্গে বিড়ালের সম্পর্ক এক দিনের নয়। হাজার হাজার বছর ধরে মানুষের আশপাশে বসবাস করছে এই প্রাণী। প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতায় বিড়াল বিশেষ মর্যাদা পেত। ধর্মীয় বিশ্বাস, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিতেও ছিল তাদের উপস্থিতি। মিসরীয় দেবী বাসতেতকে প্রায়ই বিড়ালের বৈশিষ্ট্যযুক্ত রূপে উপস্থাপন করা হতো। বিড়ালকে ঘর ও পরিবারের সুরক্ষার প্রতীক হিসেবেও দেখা হতো।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনে বিড়ালের ভূমিকা বদলেছে। একসময় শস্যভান্ডার ও বসতবাড়িতে ইঁদুর নিয়ন্ত্রণে তাদের উপস্থিতি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। পরে ইউরোপ, এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে বিড়াল হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গী। বর্তমানে বহু মানুষের কাছে বিড়াল শুধু পোষা প্রাণী নয়, পরিবারেরই একজন।
তবে বিড়ালের ইতিহাস ঘিরে নানা প্রচলিত ধারণা থাকলেও সব গল্পের পেছনে সমান ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। বিশেষ করে মধ্যযুগে ইউরোপে বিড়াল নিয়ে কুসংস্কার ছড়ানোর ঘটনা থাকলেও, ১৩৪৮ সালের ব্ল্যাক ডেথের জন্য বিড়ালকে দায়ী করার বিষয়টি ইতিহাসের জটিল বাস্তবতাকে পুরোপুরি তুলে ধরে না। ওই মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পেছনে সংক্রমণ ও ইঁদুরের গায়ে থাকা মাছির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
বিড়ালের জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে তার স্বাধীনচেতা স্বভাব, কৌতূহল আর বিচিত্র আচরণ। কখনো বাক্সের ভেতর ঢুকে বসে থাকা, কখনো জানালার পাশে বসে পাখি দেখা, আবার কখনো কোনো কারণ ছাড়াই ঘরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়-এসব আচরণই বিড়ালকে করে তুলেছে অনন্য।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিড়ালের দাপট কম নয়। তাদের মজার কাণ্ড, অদ্ভুত মুখভঙ্গি, ঘুমানোর বিচিত্র ভঙ্গি কিংবা মালিকের সঙ্গে খুনসুটির ভিডিও নিয়মিতই নজর কাড়ে। অনেকের কাছে ব্যস্ত দিনের শেষে পোষ্য বিড়ালের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো মানসিক প্রশান্তিরও উৎস।
বিড়াল হয়তো ক্যালেন্ডারের তারিখ বোঝে না। বোঝে না আন্তর্জাতিক দিবসের আনুষ্ঠানিকতাও। কিন্তু সে ঠিকই চিনে নেয় পরিচিত হাত, চেনা কণ্ঠ আর নিরাপদ আশ্রয়। তাই আজ শুধু একটি দিনের উদ্যাপন নয়, বরং প্রতিদিনের যত্ন আর ভালোবাসার প্রতিশ্রুতিই হোক বিশ্ব বিড়াল দিবসের আসল বার্তা।

আজ বিড়ালকে ভালোবাসার দিন
সিজেডএন ডেস্ক

ঘরের এক কোণে গুটিসুটি মেরে ঘুমানো, কখনো পায়ের কাছে এসে গা ঘেঁষে বসা, আবার কখনো দুষ্টুমিতে পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখা-বিড়ালের এমন ছোট ছোট কাণ্ডেই যেন লুকিয়ে থাকে একরাশ আনন্দ। মুখে কথা বলতে পারে না, কিন্তু আদুরে ডাক, মায়াবী চোখ আর নানা ভঙ্গিমায় ঠিকই বুঝিয়ে দেয় তার চাওয়া-পাওয়া। আর এই মিষ্টি স্বভাবের প্রাণীটির জন্যই আজকের দিনটি বিশেষ। ১৬ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বিড়াল দিবস।
ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার (আইএফএডব্লিউ)-এর উদ্যোগে ২০০২ সালে আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবসের সূচনা হয়েছিল বলে বহুল প্রচলিত তথ্য রয়েছে। তবে বর্তমানে ১৬ অক্টোবর তারিখটিই আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবস হিসেবে বেশি পরিচিত।
বিড়ালপ্রেমীদের কাছে দিনটি নিছক কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং প্রিয় পোষ্যটির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের বাড়তি একটি উপলক্ষ। যে বিড়ালটি প্রতিদিন ঘরের সদস্যদের সঙ্গ দেয়, একাকিত্ব দূর করে কিংবা নিঃশব্দে পাশে বসে মন ভালো করে দেয়, আজ তার জন্য একটু বিশেষ আয়োজন করতেই পারেন।
মানুষের সঙ্গে বিড়ালের সম্পর্ক এক দিনের নয়। হাজার হাজার বছর ধরে মানুষের আশপাশে বসবাস করছে এই প্রাণী। প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতায় বিড়াল বিশেষ মর্যাদা পেত। ধর্মীয় বিশ্বাস, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিতেও ছিল তাদের উপস্থিতি। মিসরীয় দেবী বাসতেতকে প্রায়ই বিড়ালের বৈশিষ্ট্যযুক্ত রূপে উপস্থাপন করা হতো। বিড়ালকে ঘর ও পরিবারের সুরক্ষার প্রতীক হিসেবেও দেখা হতো।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনে বিড়ালের ভূমিকা বদলেছে। একসময় শস্যভান্ডার ও বসতবাড়িতে ইঁদুর নিয়ন্ত্রণে তাদের উপস্থিতি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। পরে ইউরোপ, এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে বিড়াল হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গী। বর্তমানে বহু মানুষের কাছে বিড়াল শুধু পোষা প্রাণী নয়, পরিবারেরই একজন।
তবে বিড়ালের ইতিহাস ঘিরে নানা প্রচলিত ধারণা থাকলেও সব গল্পের পেছনে সমান ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। বিশেষ করে মধ্যযুগে ইউরোপে বিড়াল নিয়ে কুসংস্কার ছড়ানোর ঘটনা থাকলেও, ১৩৪৮ সালের ব্ল্যাক ডেথের জন্য বিড়ালকে দায়ী করার বিষয়টি ইতিহাসের জটিল বাস্তবতাকে পুরোপুরি তুলে ধরে না। ওই মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পেছনে সংক্রমণ ও ইঁদুরের গায়ে থাকা মাছির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
বিড়ালের জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে তার স্বাধীনচেতা স্বভাব, কৌতূহল আর বিচিত্র আচরণ। কখনো বাক্সের ভেতর ঢুকে বসে থাকা, কখনো জানালার পাশে বসে পাখি দেখা, আবার কখনো কোনো কারণ ছাড়াই ঘরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়-এসব আচরণই বিড়ালকে করে তুলেছে অনন্য।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিড়ালের দাপট কম নয়। তাদের মজার কাণ্ড, অদ্ভুত মুখভঙ্গি, ঘুমানোর বিচিত্র ভঙ্গি কিংবা মালিকের সঙ্গে খুনসুটির ভিডিও নিয়মিতই নজর কাড়ে। অনেকের কাছে ব্যস্ত দিনের শেষে পোষ্য বিড়ালের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো মানসিক প্রশান্তিরও উৎস।
বিড়াল হয়তো ক্যালেন্ডারের তারিখ বোঝে না। বোঝে না আন্তর্জাতিক দিবসের আনুষ্ঠানিকতাও। কিন্তু সে ঠিকই চিনে নেয় পরিচিত হাত, চেনা কণ্ঠ আর নিরাপদ আশ্রয়। তাই আজ শুধু একটি দিনের উদ্যাপন নয়, বরং প্রতিদিনের যত্ন আর ভালোবাসার প্রতিশ্রুতিই হোক বিশ্ব বিড়াল দিবসের আসল বার্তা।

বিশ্ব ডিম দিবস আজ







