সীমান্ত থেকে ২ পুলিশকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ, যা বলছে বিজিবি

সীমান্ত থেকে ২ পুলিশকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ, যা বলছে বিজিবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল সীমান্ত থেকে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও এক কনস্টেবলকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তারা হলেন এএসআই ইমরান হোসেন ও কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান। তাদের দ্রুত ফেরত আনার বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়েছে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিএসএফের সঙ্গে আমাদের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়েছে। খুব শিগগিরই আমাদের দুজন পুলিশ সদস্যকে ফেরত পাব। সে প্রস্তুতি চলছে। তারা অক্ষত আছেন, তাদের কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি বলেও জানান তিনি।
‘দায়িত্ব পালন করতে গেলে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও অস্বাভাবিক নয়,’ যোগ করেন তিনি।
ঘটনাস্থলের ভৌগোলিক পরিস্থিতি তুলে ধরে মাহবুব মুর্শেদ বলেন, ওই এলাকায় পাহাড় ও জঙ্গলের সমাহার রয়েছে। কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার আওতাধীন শশীদল সীমান্তে এ ঘটনা ঘটেছে।
দুই পুলিশ সদস্যকে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা আশাবাদী। খুব শিগগিরই দুই দেশের মধ্যে বিনিময় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় সীমান্ত এলাকায় মাদক উদ্ধারে যাওয়ার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, মাদক উদ্ধারের উদ্দেশ্যে থানার ওই দুই পুলিশ সদস্য সীমান্ত এলাকায় যান। এ সময় নতুন যোগ দেওয়া কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান পথ চিনতে না পেরে এক মাদক কারবারির বাড়ির দিকে ধাওয়া করতে গিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলারসংলগ্ন নো ম্যানস ল্যান্ডে প্রবেশ করেন। পরে স্থানীয় মাদক কারবারিরা তাকে আটক করেন। কনস্টেবল রোহিত দেওয়ানকে উদ্ধার করতে গেলে এএসআই ইমরান হোসেনকেও আটক করে তারা বিএসএফের কাছে দিয়ে দেন। পরে বিএসএফ তাদের দুজনকে ধরে নিয়ে যায়।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল সীমান্ত থেকে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও এক কনস্টেবলকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তারা হলেন এএসআই ইমরান হোসেন ও কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান। তাদের দ্রুত ফেরত আনার বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়েছে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিএসএফের সঙ্গে আমাদের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়েছে। খুব শিগগিরই আমাদের দুজন পুলিশ সদস্যকে ফেরত পাব। সে প্রস্তুতি চলছে। তারা অক্ষত আছেন, তাদের কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি বলেও জানান তিনি।
‘দায়িত্ব পালন করতে গেলে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও অস্বাভাবিক নয়,’ যোগ করেন তিনি।
ঘটনাস্থলের ভৌগোলিক পরিস্থিতি তুলে ধরে মাহবুব মুর্শেদ বলেন, ওই এলাকায় পাহাড় ও জঙ্গলের সমাহার রয়েছে। কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার আওতাধীন শশীদল সীমান্তে এ ঘটনা ঘটেছে।
দুই পুলিশ সদস্যকে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা আশাবাদী। খুব শিগগিরই দুই দেশের মধ্যে বিনিময় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় সীমান্ত এলাকায় মাদক উদ্ধারে যাওয়ার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, মাদক উদ্ধারের উদ্দেশ্যে থানার ওই দুই পুলিশ সদস্য সীমান্ত এলাকায় যান। এ সময় নতুন যোগ দেওয়া কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান পথ চিনতে না পেরে এক মাদক কারবারির বাড়ির দিকে ধাওয়া করতে গিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলারসংলগ্ন নো ম্যানস ল্যান্ডে প্রবেশ করেন। পরে স্থানীয় মাদক কারবারিরা তাকে আটক করেন। কনস্টেবল রোহিত দেওয়ানকে উদ্ধার করতে গেলে এএসআই ইমরান হোসেনকেও আটক করে তারা বিএসএফের কাছে দিয়ে দেন। পরে বিএসএফ তাদের দুজনকে ধরে নিয়ে যায়।

সীমান্ত থেকে ২ পুলিশকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ, যা বলছে বিজিবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল সীমান্ত থেকে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও এক কনস্টেবলকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তারা হলেন এএসআই ইমরান হোসেন ও কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান। তাদের দ্রুত ফেরত আনার বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়েছে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিএসএফের সঙ্গে আমাদের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়েছে। খুব শিগগিরই আমাদের দুজন পুলিশ সদস্যকে ফেরত পাব। সে প্রস্তুতি চলছে। তারা অক্ষত আছেন, তাদের কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি বলেও জানান তিনি।
‘দায়িত্ব পালন করতে গেলে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও অস্বাভাবিক নয়,’ যোগ করেন তিনি।
ঘটনাস্থলের ভৌগোলিক পরিস্থিতি তুলে ধরে মাহবুব মুর্শেদ বলেন, ওই এলাকায় পাহাড় ও জঙ্গলের সমাহার রয়েছে। কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার আওতাধীন শশীদল সীমান্তে এ ঘটনা ঘটেছে।
দুই পুলিশ সদস্যকে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা আশাবাদী। খুব শিগগিরই দুই দেশের মধ্যে বিনিময় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় সীমান্ত এলাকায় মাদক উদ্ধারে যাওয়ার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, মাদক উদ্ধারের উদ্দেশ্যে থানার ওই দুই পুলিশ সদস্য সীমান্ত এলাকায় যান। এ সময় নতুন যোগ দেওয়া কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান পথ চিনতে না পেরে এক মাদক কারবারির বাড়ির দিকে ধাওয়া করতে গিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলারসংলগ্ন নো ম্যানস ল্যান্ডে প্রবেশ করেন। পরে স্থানীয় মাদক কারবারিরা তাকে আটক করেন। কনস্টেবল রোহিত দেওয়ানকে উদ্ধার করতে গেলে এএসআই ইমরান হোসেনকেও আটক করে তারা বিএসএফের কাছে দিয়ে দেন। পরে বিএসএফ তাদের দুজনকে ধরে নিয়ে যায়।

সীমান্তে ৪ ভারতীয় নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিলো বিজিবি
কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি আহত







