স্মৃতিশক্তি বাড়াতে খাবেন যে ৮ খাবার

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে খাবেন যে ৮ খাবার
সিজেডএন ডেস্ক

আপনি দীর্ঘদিন ধরেই খেয়াল করছেন, অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় বিষয় প্রায়ই ভুলে যাচ্ছেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে মনোযোগ কমে যাচ্ছে। এর কারণ কী তা খুঁজে পাচ্ছেন না। অথবা এর প্রতিকারই বা কী তাও জানেন না। এটা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার কারণে হতে পারে। তবে আপনার খাদ্যাভ্যাস এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। খাদ্যাভ্যাস সরাসরি মস্তিষ্কের গঠন এবং কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে। তাই সঠিক কিছু খাবার আপনার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, মনোযোগ রক্ষা এবং মেজাজ ফুরফুরে রাখতে চমৎকার ভূমিকা রাখতে পারে।
চলুন জেনে নেই স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এমন কয়েকটি খাবারের কথা-
সামুদ্রিক তৈলাক্ত মাছ
সমুদ্রের তৈলাক্ত মাছ মস্তিষ্কের জন্য অন্যতম সেরা খাবার। এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যা মস্তিষ্কের কোষের গঠন এবং স্নায়ুকোষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি বিষণ্নতা এবং উদ্বেগ কমাতেও সাহায্য করে।
ডিম
ডিমকে বলা হয় আদর্শ খাবার। এতে মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের ভিটামিন রয়েছে। যা স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ডিমে কোলাইন নামক উপাদানের সেরা উৎস, যা অ্যাসিটাইলকোলিন তৈরি করে। আর এই অ্যাসিটাইলকোলিন স্মৃতিশক্তি এবং দ্রুত চিন্তা করার ক্ষমতা ধরে রাখে। এছাড়া ডিমের ট্রিপটোফ্যান নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড মন ভালো রাখার হরমোন ‘সেরোটোনিন’ তৈরিতেও সাহায্য করে।
বেরিজাতীয় ফল
স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি বা ব্ল্যাকবেরিতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এর ফ্লেভোনয়েড উপাদান মস্তিষ্কের কোষকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং নতুন মস্তিষ্কের কোষ তৈরিতে উদ্দীপনা দেয়। এটি বয়সজনিত মানসিক অবক্ষয় রোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অ্যাভোকাডো
এটিকে বিশ্বের অন্যতম নিখুঁত খাবার হিসেবে মনে করেন পুষ্টিবিদরা। এতে থাকা মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর টাইরোসিন উপাদান আপনাকে কাজে মনোযোগী ও অনুপ্রাণিত রাখতে ভূমিকা রাখে।
কেল (সবুজ শাক)
কেল বা এই জাতীয় সবুজ শাকে প্রচুর পরিমাণ পুষ্টিগুণ রয়েছে। এতে থাকা ভিটামিন ‘কে’ মৌখিক স্মৃতিশক্তি উন্নত করে এবং ভিটামিন ‘সি’ প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট হিসেবে কাজ করে।
সামুদ্রিক শৈবাল
সামুদ্রিক শৈবাল আয়োডিন ও ভিটামিন বি-১২ এর বড় উৎস। আয়োডিন বুদ্ধিমত্তা বা আইকিউ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এতে থাকা টাউরিন নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড মানসিক চাপ কমিয়ে মনকে শান্ত ও প্রফুল্ল রাখতে ভূমিকা রাখে।
ডার্ক চকোলেট
চকোলেটে থাকা সামান্য ক্যাফেইন স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।
আখরোট
মস্তিষ্কের জন্য আখরোট বাদামের মধ্যে সেরা। এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাট মস্তিষ্কের প্রদাহ কমায় এবং শেখার ক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে।
সূত্র: নিউরো হেলথ

আপনি দীর্ঘদিন ধরেই খেয়াল করছেন, অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় বিষয় প্রায়ই ভুলে যাচ্ছেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে মনোযোগ কমে যাচ্ছে। এর কারণ কী তা খুঁজে পাচ্ছেন না। অথবা এর প্রতিকারই বা কী তাও জানেন না। এটা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার কারণে হতে পারে। তবে আপনার খাদ্যাভ্যাস এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। খাদ্যাভ্যাস সরাসরি মস্তিষ্কের গঠন এবং কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে। তাই সঠিক কিছু খাবার আপনার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, মনোযোগ রক্ষা এবং মেজাজ ফুরফুরে রাখতে চমৎকার ভূমিকা রাখতে পারে।
চলুন জেনে নেই স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এমন কয়েকটি খাবারের কথা-
সামুদ্রিক তৈলাক্ত মাছ
সমুদ্রের তৈলাক্ত মাছ মস্তিষ্কের জন্য অন্যতম সেরা খাবার। এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যা মস্তিষ্কের কোষের গঠন এবং স্নায়ুকোষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি বিষণ্নতা এবং উদ্বেগ কমাতেও সাহায্য করে।
ডিম
ডিমকে বলা হয় আদর্শ খাবার। এতে মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের ভিটামিন রয়েছে। যা স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ডিমে কোলাইন নামক উপাদানের সেরা উৎস, যা অ্যাসিটাইলকোলিন তৈরি করে। আর এই অ্যাসিটাইলকোলিন স্মৃতিশক্তি এবং দ্রুত চিন্তা করার ক্ষমতা ধরে রাখে। এছাড়া ডিমের ট্রিপটোফ্যান নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড মন ভালো রাখার হরমোন ‘সেরোটোনিন’ তৈরিতেও সাহায্য করে।
বেরিজাতীয় ফল
স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি বা ব্ল্যাকবেরিতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এর ফ্লেভোনয়েড উপাদান মস্তিষ্কের কোষকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং নতুন মস্তিষ্কের কোষ তৈরিতে উদ্দীপনা দেয়। এটি বয়সজনিত মানসিক অবক্ষয় রোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অ্যাভোকাডো
এটিকে বিশ্বের অন্যতম নিখুঁত খাবার হিসেবে মনে করেন পুষ্টিবিদরা। এতে থাকা মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর টাইরোসিন উপাদান আপনাকে কাজে মনোযোগী ও অনুপ্রাণিত রাখতে ভূমিকা রাখে।
কেল (সবুজ শাক)
কেল বা এই জাতীয় সবুজ শাকে প্রচুর পরিমাণ পুষ্টিগুণ রয়েছে। এতে থাকা ভিটামিন ‘কে’ মৌখিক স্মৃতিশক্তি উন্নত করে এবং ভিটামিন ‘সি’ প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট হিসেবে কাজ করে।
সামুদ্রিক শৈবাল
সামুদ্রিক শৈবাল আয়োডিন ও ভিটামিন বি-১২ এর বড় উৎস। আয়োডিন বুদ্ধিমত্তা বা আইকিউ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এতে থাকা টাউরিন নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড মানসিক চাপ কমিয়ে মনকে শান্ত ও প্রফুল্ল রাখতে ভূমিকা রাখে।
ডার্ক চকোলেট
চকোলেটে থাকা সামান্য ক্যাফেইন স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।
আখরোট
মস্তিষ্কের জন্য আখরোট বাদামের মধ্যে সেরা। এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাট মস্তিষ্কের প্রদাহ কমায় এবং শেখার ক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে।
সূত্র: নিউরো হেলথ

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে খাবেন যে ৮ খাবার
সিজেডএন ডেস্ক

আপনি দীর্ঘদিন ধরেই খেয়াল করছেন, অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় বিষয় প্রায়ই ভুলে যাচ্ছেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে মনোযোগ কমে যাচ্ছে। এর কারণ কী তা খুঁজে পাচ্ছেন না। অথবা এর প্রতিকারই বা কী তাও জানেন না। এটা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার কারণে হতে পারে। তবে আপনার খাদ্যাভ্যাস এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। খাদ্যাভ্যাস সরাসরি মস্তিষ্কের গঠন এবং কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে। তাই সঠিক কিছু খাবার আপনার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, মনোযোগ রক্ষা এবং মেজাজ ফুরফুরে রাখতে চমৎকার ভূমিকা রাখতে পারে।
চলুন জেনে নেই স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এমন কয়েকটি খাবারের কথা-
সামুদ্রিক তৈলাক্ত মাছ
সমুদ্রের তৈলাক্ত মাছ মস্তিষ্কের জন্য অন্যতম সেরা খাবার। এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যা মস্তিষ্কের কোষের গঠন এবং স্নায়ুকোষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি বিষণ্নতা এবং উদ্বেগ কমাতেও সাহায্য করে।
ডিম
ডিমকে বলা হয় আদর্শ খাবার। এতে মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের ভিটামিন রয়েছে। যা স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ডিমে কোলাইন নামক উপাদানের সেরা উৎস, যা অ্যাসিটাইলকোলিন তৈরি করে। আর এই অ্যাসিটাইলকোলিন স্মৃতিশক্তি এবং দ্রুত চিন্তা করার ক্ষমতা ধরে রাখে। এছাড়া ডিমের ট্রিপটোফ্যান নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড মন ভালো রাখার হরমোন ‘সেরোটোনিন’ তৈরিতেও সাহায্য করে।
বেরিজাতীয় ফল
স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি বা ব্ল্যাকবেরিতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এর ফ্লেভোনয়েড উপাদান মস্তিষ্কের কোষকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং নতুন মস্তিষ্কের কোষ তৈরিতে উদ্দীপনা দেয়। এটি বয়সজনিত মানসিক অবক্ষয় রোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অ্যাভোকাডো
এটিকে বিশ্বের অন্যতম নিখুঁত খাবার হিসেবে মনে করেন পুষ্টিবিদরা। এতে থাকা মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর টাইরোসিন উপাদান আপনাকে কাজে মনোযোগী ও অনুপ্রাণিত রাখতে ভূমিকা রাখে।
কেল (সবুজ শাক)
কেল বা এই জাতীয় সবুজ শাকে প্রচুর পরিমাণ পুষ্টিগুণ রয়েছে। এতে থাকা ভিটামিন ‘কে’ মৌখিক স্মৃতিশক্তি উন্নত করে এবং ভিটামিন ‘সি’ প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট হিসেবে কাজ করে।
সামুদ্রিক শৈবাল
সামুদ্রিক শৈবাল আয়োডিন ও ভিটামিন বি-১২ এর বড় উৎস। আয়োডিন বুদ্ধিমত্তা বা আইকিউ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এতে থাকা টাউরিন নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড মানসিক চাপ কমিয়ে মনকে শান্ত ও প্রফুল্ল রাখতে ভূমিকা রাখে।
ডার্ক চকোলেট
চকোলেটে থাকা সামান্য ক্যাফেইন স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।
আখরোট
মস্তিষ্কের জন্য আখরোট বাদামের মধ্যে সেরা। এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাট মস্তিষ্কের প্রদাহ কমায় এবং শেখার ক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে।
সূত্র: নিউরো হেলথ

ধূমপানের প্রভাবে মস্তিষ্কে আয়রনের ভারসাম্য নষ্ট, গবেষণায় সতর্কবার্তা







