পুরুষেরা ৮ কারণে বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারেন

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
পুরুষেরা ৮ কারণে বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারেন
প্রতীকী ছবি

বিয়ের পর দীর্ঘদিন সন্তান হয় না। এজন্য সাধারণত নারীদের প্রতিই প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নয়নের ফলে এই ধারণা পরিবর্তন হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে প্রজনন সমস্যায় ভোগা দম্পতিদের প্রায় অর্ধেকের ক্ষেত্রে পুরুষের শরীরেও কোনো না কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়।

এক বছর নিয়মিত দাম্পত্য সম্পর্কের পরও নারীরা গর্ভধারণ করছেন না। এটিকে বন্ধ্যত্বের লক্ষণ ধরা হয়। আর যৌনসক্ষমতা পুরোপুরি স্বাভাবিক থাকলেও পুরুষেরা বন্ধ্যত্বে ভুগতে পারেন। চিকিৎসকেরা এর পেছনে কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যাওয়া

পুরুষের শুক্রাণু কমে যাওয়া বন্ধ্যত্বের অন্যতম বড় লক্ষণ। একে বলা হয় ওলিগোস্পারমিয়া। শুক্রাণু প্রয়োজনের তুলনায় কম তৈরি হলে ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার সুযোগও কমে আসে।

শুক্রাণুর মান খারাপ হওয়া

কেবল সংখ্যা ঠিক থাকলেই হয় না, শুক্রাণুর আকৃতি ও গতিও সমান জরুরি। শুক্রাণু দুর্বল হলে কিংবা ঠিকমতো সাঁতরাতে না পারলে গর্ভধারণ কঠিন হয়ে পড়ে।

ভেরিকোসিল

অণ্ডকোষের শিরা ফুলে যাওয়াকে ভেরিকোসিল বলে। এতে অণ্ডকোষ গরম হয়ে ওঠে। ফলে শুক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। তবে এটি বেশ প্রচলিত একটি কারণ। চিকিৎসার মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা

টেস্টোস্টেরনসহ নানা হরমোনের অনিয়মিত আচরণে শুক্রাণুর উৎপাদন কমে যেতে পারে। পিটুইটারি গ্রন্থি ও থাইরয়েডের সমস্যাও এর পেছনে বড় কারণ।

সংক্রমণ

মাম্পস, যৌনবাহিত রোগ, প্রোস্টেটের সংক্রমণসহ বিভিন্ন প্রদাহ অণ্ডকোষের শুক্রাণু তৈরির ক্ষমতা নষ্ট করে দিতে পারে।

জিনগত ত্রুটি

অনেকে প্রজনন অঙ্গের ত্রুটি নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন। আবার কিছু জিনগত রোগও শুক্রাণু তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকে।

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন

ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান, মাদকাসক্তি, স্থূলতা, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, ঘুমের সমস্যা এবং শরীরচর্চার অভাব পুরুষের প্রজননক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। তাই পরিমিত জীবনযাপন করা জরুরি।

পরিবেশ ও কর্মক্ষেত্রের প্রভাব

কীটনাশক, ভারী ধাতু, কলকারখানার রাসায়নিক কিংবা অতিরিক্ত তাপের মধ্যে থাকলে বা কাজ করলে শুক্রাণুর মান খারাপ হতে পারে। এসব পেশায় যারা আছেন, তাদের বন্ধ্যত্ব ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

/জেএইচ/