গারো পাহাড়ে আগরের সুবাস

গারো পাহাড়ে আগরের সুবাস
শেরপুর সংবাদদাতা

পাহাড় বেষ্টিত এলাকা শেরপুরের গজনী এলাকা। সেই এলাকায় প্রায় দুই দশক আগে রোপণ করা হয়েছে ৮০ হাজার আগরগাছ। এখন গাছগুলো সুগন্ধি উৎপাদনের উপযোগী হয়েছে। তাতে খুশি সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা। শিগগিরই গাছগুলো বিক্রির মাধ্যমে কাটা হবে। এরপর প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি হবে উন্নতমানের আতর।
বন বিভাগের কর্মকর্তা জানান, ময়মনসিংহ বন বিভাগের উদ্যোগে ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া রেঞ্জের গজনী বিটের ছোটগজনীতে ১০০ একর বনভূমিতে প্রায় ৮০ হাজার আগরের চারা রোপণ করা হয়। ১৯ বছর পর গাছগুলো সুগন্ধি উৎপাদনের জন্য পরিপক্ক হয়েছে। ক্রেতা প্রতিষ্ঠান গাছ কেটে প্রক্রিয়াজাত করার জন্য দুই বছর সময় পাবে। বিক্রয়ের ৪৫ শতাংশ অর্থ পাবেন বাগানের পরিচর্যায় যুক্ত ৮০ জন অংশীজন।
রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল করিম বলেন, এটি জেলার প্রথম আগরবাগান। বিভিন্ন স্থান থেকে বীজ সংগ্রহ করে চারা উৎপাদন করা হয়েছিলো। এখন দরপত্রের মাধ্যমে বাগান বিক্রি করা হবে। ক্রেতা প্রতিষ্ঠান তিন কিস্তিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ পাবে।
বন বিভাগের কর্মকর্তা জানান, আগরগাছে প্রাকৃতিকভাবে বিটল পোকা ও ছত্রাকের আক্রমণ হলে গাছ আত্মরক্ষার জন্য রজন তৈরি করে। সময়ের সঙ্গে সেই রজন কাঠের ভেতরে জমে কালচে ও সুগন্ধিযুক্ত অংশে পরিণত হয়। সাধারণত এই প্রক্রিয়ায় ১৫ থেকে ২০ বছর সময় লাগে। প্রথমে আগরগাছ কেটে ছোট ছোট টুকরা করে ১০ থেকে ৩০ দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়। এরপর বিশেষ চুলায় পাতন প্রক্রিয়ার (তরল মিশ্রণকে তাপ দিয়ে বাষ্পীভূত করা হয় এবং সেই বাষ্পকে ঠাণ্ডা করে পুনরায় তরলে পরিণত করে) মাধ্যমে আগর তেল সংগ্রহ করা হয়। এই তেল থেকে তৈরি আতর হয়। যেসব গাছে পর্যাপ্ত রজন তৈরি হয় না, সেগুলোর কাঠ থেকেও সুগন্ধি উৎপাদন করা যায়। তবে সেই সুগন্ধির মান তুলনামূলক কম।
জানা গেছে, প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এই আতরের চাহিদা রয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এছাড়া, দেশের বাজারেও এর চাহিদা কম নয়
ছোটগজনী গ্রামের অংশীজন ফিলিসন কুবি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা চারা লাগানোর পর থেকেই বাগান পরিচর্যা করছি। রাতে পাহারা দিচ্ছি। এখন গাছ পরিপক্ব হয়েছে। বাগান বিক্রি হলে আমাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম সার্থক হবে।’
দুধনই গ্রামের অংশীজন হারুন হাওলাদার বলেন, ‘গারো পাহাড়ে আগে আগরের বাগান ছিলো না। বন বিভাগের উদ্যোগে এই বাগান হয়েছে। এখন বাগান বিক্রি হলে বন বিভাগের পাশাপাশি আমরাও লাভবান হবো।’
ময়মনসিংহ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক এস বি তানভীর আহমদ ইমন বলেন, আগরগাছ থেকে মানসম্মত সুগন্ধি পেতে সাধারণত প্রায় ১৯ থেকে ২০ বছর সময় লাগে। ছোটগজনীর ১০০ একরের বাগানটি এখন পরিপক্ব। তাই দরপত্রের মাধ্যমে এটি বিক্রি করা হবে।

পাহাড় বেষ্টিত এলাকা শেরপুরের গজনী এলাকা। সেই এলাকায় প্রায় দুই দশক আগে রোপণ করা হয়েছে ৮০ হাজার আগরগাছ। এখন গাছগুলো সুগন্ধি উৎপাদনের উপযোগী হয়েছে। তাতে খুশি সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা। শিগগিরই গাছগুলো বিক্রির মাধ্যমে কাটা হবে। এরপর প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি হবে উন্নতমানের আতর।
বন বিভাগের কর্মকর্তা জানান, ময়মনসিংহ বন বিভাগের উদ্যোগে ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া রেঞ্জের গজনী বিটের ছোটগজনীতে ১০০ একর বনভূমিতে প্রায় ৮০ হাজার আগরের চারা রোপণ করা হয়। ১৯ বছর পর গাছগুলো সুগন্ধি উৎপাদনের জন্য পরিপক্ক হয়েছে। ক্রেতা প্রতিষ্ঠান গাছ কেটে প্রক্রিয়াজাত করার জন্য দুই বছর সময় পাবে। বিক্রয়ের ৪৫ শতাংশ অর্থ পাবেন বাগানের পরিচর্যায় যুক্ত ৮০ জন অংশীজন।
রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল করিম বলেন, এটি জেলার প্রথম আগরবাগান। বিভিন্ন স্থান থেকে বীজ সংগ্রহ করে চারা উৎপাদন করা হয়েছিলো। এখন দরপত্রের মাধ্যমে বাগান বিক্রি করা হবে। ক্রেতা প্রতিষ্ঠান তিন কিস্তিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ পাবে।
বন বিভাগের কর্মকর্তা জানান, আগরগাছে প্রাকৃতিকভাবে বিটল পোকা ও ছত্রাকের আক্রমণ হলে গাছ আত্মরক্ষার জন্য রজন তৈরি করে। সময়ের সঙ্গে সেই রজন কাঠের ভেতরে জমে কালচে ও সুগন্ধিযুক্ত অংশে পরিণত হয়। সাধারণত এই প্রক্রিয়ায় ১৫ থেকে ২০ বছর সময় লাগে। প্রথমে আগরগাছ কেটে ছোট ছোট টুকরা করে ১০ থেকে ৩০ দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়। এরপর বিশেষ চুলায় পাতন প্রক্রিয়ার (তরল মিশ্রণকে তাপ দিয়ে বাষ্পীভূত করা হয় এবং সেই বাষ্পকে ঠাণ্ডা করে পুনরায় তরলে পরিণত করে) মাধ্যমে আগর তেল সংগ্রহ করা হয়। এই তেল থেকে তৈরি আতর হয়। যেসব গাছে পর্যাপ্ত রজন তৈরি হয় না, সেগুলোর কাঠ থেকেও সুগন্ধি উৎপাদন করা যায়। তবে সেই সুগন্ধির মান তুলনামূলক কম।
জানা গেছে, প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এই আতরের চাহিদা রয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এছাড়া, দেশের বাজারেও এর চাহিদা কম নয়
ছোটগজনী গ্রামের অংশীজন ফিলিসন কুবি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা চারা লাগানোর পর থেকেই বাগান পরিচর্যা করছি। রাতে পাহারা দিচ্ছি। এখন গাছ পরিপক্ব হয়েছে। বাগান বিক্রি হলে আমাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম সার্থক হবে।’
দুধনই গ্রামের অংশীজন হারুন হাওলাদার বলেন, ‘গারো পাহাড়ে আগে আগরের বাগান ছিলো না। বন বিভাগের উদ্যোগে এই বাগান হয়েছে। এখন বাগান বিক্রি হলে বন বিভাগের পাশাপাশি আমরাও লাভবান হবো।’
ময়মনসিংহ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক এস বি তানভীর আহমদ ইমন বলেন, আগরগাছ থেকে মানসম্মত সুগন্ধি পেতে সাধারণত প্রায় ১৯ থেকে ২০ বছর সময় লাগে। ছোটগজনীর ১০০ একরের বাগানটি এখন পরিপক্ব। তাই দরপত্রের মাধ্যমে এটি বিক্রি করা হবে।

গারো পাহাড়ে আগরের সুবাস
শেরপুর সংবাদদাতা

পাহাড় বেষ্টিত এলাকা শেরপুরের গজনী এলাকা। সেই এলাকায় প্রায় দুই দশক আগে রোপণ করা হয়েছে ৮০ হাজার আগরগাছ। এখন গাছগুলো সুগন্ধি উৎপাদনের উপযোগী হয়েছে। তাতে খুশি সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা। শিগগিরই গাছগুলো বিক্রির মাধ্যমে কাটা হবে। এরপর প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি হবে উন্নতমানের আতর।
বন বিভাগের কর্মকর্তা জানান, ময়মনসিংহ বন বিভাগের উদ্যোগে ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া রেঞ্জের গজনী বিটের ছোটগজনীতে ১০০ একর বনভূমিতে প্রায় ৮০ হাজার আগরের চারা রোপণ করা হয়। ১৯ বছর পর গাছগুলো সুগন্ধি উৎপাদনের জন্য পরিপক্ক হয়েছে। ক্রেতা প্রতিষ্ঠান গাছ কেটে প্রক্রিয়াজাত করার জন্য দুই বছর সময় পাবে। বিক্রয়ের ৪৫ শতাংশ অর্থ পাবেন বাগানের পরিচর্যায় যুক্ত ৮০ জন অংশীজন।
রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল করিম বলেন, এটি জেলার প্রথম আগরবাগান। বিভিন্ন স্থান থেকে বীজ সংগ্রহ করে চারা উৎপাদন করা হয়েছিলো। এখন দরপত্রের মাধ্যমে বাগান বিক্রি করা হবে। ক্রেতা প্রতিষ্ঠান তিন কিস্তিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ পাবে।
বন বিভাগের কর্মকর্তা জানান, আগরগাছে প্রাকৃতিকভাবে বিটল পোকা ও ছত্রাকের আক্রমণ হলে গাছ আত্মরক্ষার জন্য রজন তৈরি করে। সময়ের সঙ্গে সেই রজন কাঠের ভেতরে জমে কালচে ও সুগন্ধিযুক্ত অংশে পরিণত হয়। সাধারণত এই প্রক্রিয়ায় ১৫ থেকে ২০ বছর সময় লাগে। প্রথমে আগরগাছ কেটে ছোট ছোট টুকরা করে ১০ থেকে ৩০ দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়। এরপর বিশেষ চুলায় পাতন প্রক্রিয়ার (তরল মিশ্রণকে তাপ দিয়ে বাষ্পীভূত করা হয় এবং সেই বাষ্পকে ঠাণ্ডা করে পুনরায় তরলে পরিণত করে) মাধ্যমে আগর তেল সংগ্রহ করা হয়। এই তেল থেকে তৈরি আতর হয়। যেসব গাছে পর্যাপ্ত রজন তৈরি হয় না, সেগুলোর কাঠ থেকেও সুগন্ধি উৎপাদন করা যায়। তবে সেই সুগন্ধির মান তুলনামূলক কম।
জানা গেছে, প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এই আতরের চাহিদা রয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এছাড়া, দেশের বাজারেও এর চাহিদা কম নয়
ছোটগজনী গ্রামের অংশীজন ফিলিসন কুবি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা চারা লাগানোর পর থেকেই বাগান পরিচর্যা করছি। রাতে পাহারা দিচ্ছি। এখন গাছ পরিপক্ব হয়েছে। বাগান বিক্রি হলে আমাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম সার্থক হবে।’
দুধনই গ্রামের অংশীজন হারুন হাওলাদার বলেন, ‘গারো পাহাড়ে আগে আগরের বাগান ছিলো না। বন বিভাগের উদ্যোগে এই বাগান হয়েছে। এখন বাগান বিক্রি হলে বন বিভাগের পাশাপাশি আমরাও লাভবান হবো।’
ময়মনসিংহ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক এস বি তানভীর আহমদ ইমন বলেন, আগরগাছ থেকে মানসম্মত সুগন্ধি পেতে সাধারণত প্রায় ১৯ থেকে ২০ বছর সময় লাগে। ছোটগজনীর ১০০ একরের বাগানটি এখন পরিপক্ব। তাই দরপত্রের মাধ্যমে এটি বিক্রি করা হবে।







