১১ লাখ ৪০ হাজার অভিবাসী নেবে কানাডা

১১ লাখ ৪০ হাজার অভিবাসী নেবে কানাডা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

বিদেশে যেতে ইচ্ছুকদের জন্য সুসংবাদ। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চাঙ্গা রাখতে এবং স্থানীয় শ্রমবাজারের ঘাটতি মেটাতে বিশাল অভিবাসন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডা। দেশটির অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব বিভাগ (আইআরসিসি) ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০২৯ মেয়াদে বিশ্বজুড়ে দক্ষ কর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিবাসীদের আকৃষ্ট করতে তিন বছরে মোট ১১ লাখ ৪০ হাজার মানুষকে স্থায়ী বাসিন্দার (পিআর) মর্যাদা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, উল্লিখিত সময়ে নতুন আগতদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ কর্মী এবং ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী নেওয়া হবে। ইন্টারন্যাশনাল মোবিলিটি প্রোগ্রাম এবং টেম্পোরারি ফরেন ওয়ার্কার প্রোগ্রামের অধীনে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।
আইআরসিসির তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর গড়ে ৩ লাখ ৮০ হাজার করে নতুন স্থায়ী বাসিন্দা নেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি ভেদে প্রতি বছরের এই সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ থেকে ৪ লাখ ২২ হাজার করা হতে পারে।
এই পরিকল্পনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দক্ষ পেশাজীবীদের অর্থনৈতিক অভিবাসন কর্মসূচিতে। এর মাধ্যমে তিন বছরে ৭ লাখ ৩৪ হাজার ১০০ জন পিআর সুবিধা পাবেন। এছাড়া পরিবার পুনর্মিলন আওতায় ২ লাখ ৪৩ হাজার, শরণার্থী শ্রেণিতে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯০০ এবং মানবিক আশ্রয়ে ১৫ হাজার জনকে স্থায়ী মর্যাদা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ফরাসিভাষী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়াতে কুইবেক প্রদেশের বাইরে প্রতি বছর ফরাসিভাষীদের জন্য নির্দিষ্ট কোটা বাড়িয়ে ২০২৯ সালের মধ্যে মোট অভিবাসীর ১২ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
স্থায়ী অভিবাসনের পাশাপাশি এই তিন বছরে আরও ১১ লাখ ১০ হাজার জন অস্থায়ী বাসিন্দাকে স্বাগত জানাবে কানাডা। প্রতি বছর ৩ লাখ ৭০ হাজার লোক নেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রতি বছর ১ লাখ ৫০ হাজার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং ২ লাখ ২০ হাজার বিদেশি কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে দেশটি। কর্মীদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিসার মধ্যে ১ লাখ ৭০ হাজার থাকবে এলএমআইএ মুক্ত ‘ইন্টারন্যাশনাল মোবিলিটি প্রোগ্রাম’-এর অধীনে এবং বাকি ৫০ হাজার দেওয়া হবে ‘টেম্পোরারি ফরেন ওয়ার্কার প্রোগ্রাম’-এর আওতায়।
সূত্র: কানাডা ডট সিএ

বিদেশে যেতে ইচ্ছুকদের জন্য সুসংবাদ। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চাঙ্গা রাখতে এবং স্থানীয় শ্রমবাজারের ঘাটতি মেটাতে বিশাল অভিবাসন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডা। দেশটির অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব বিভাগ (আইআরসিসি) ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০২৯ মেয়াদে বিশ্বজুড়ে দক্ষ কর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিবাসীদের আকৃষ্ট করতে তিন বছরে মোট ১১ লাখ ৪০ হাজার মানুষকে স্থায়ী বাসিন্দার (পিআর) মর্যাদা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, উল্লিখিত সময়ে নতুন আগতদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ কর্মী এবং ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী নেওয়া হবে। ইন্টারন্যাশনাল মোবিলিটি প্রোগ্রাম এবং টেম্পোরারি ফরেন ওয়ার্কার প্রোগ্রামের অধীনে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।
আইআরসিসির তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর গড়ে ৩ লাখ ৮০ হাজার করে নতুন স্থায়ী বাসিন্দা নেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি ভেদে প্রতি বছরের এই সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ থেকে ৪ লাখ ২২ হাজার করা হতে পারে।
এই পরিকল্পনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দক্ষ পেশাজীবীদের অর্থনৈতিক অভিবাসন কর্মসূচিতে। এর মাধ্যমে তিন বছরে ৭ লাখ ৩৪ হাজার ১০০ জন পিআর সুবিধা পাবেন। এছাড়া পরিবার পুনর্মিলন আওতায় ২ লাখ ৪৩ হাজার, শরণার্থী শ্রেণিতে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯০০ এবং মানবিক আশ্রয়ে ১৫ হাজার জনকে স্থায়ী মর্যাদা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ফরাসিভাষী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়াতে কুইবেক প্রদেশের বাইরে প্রতি বছর ফরাসিভাষীদের জন্য নির্দিষ্ট কোটা বাড়িয়ে ২০২৯ সালের মধ্যে মোট অভিবাসীর ১২ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
স্থায়ী অভিবাসনের পাশাপাশি এই তিন বছরে আরও ১১ লাখ ১০ হাজার জন অস্থায়ী বাসিন্দাকে স্বাগত জানাবে কানাডা। প্রতি বছর ৩ লাখ ৭০ হাজার লোক নেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রতি বছর ১ লাখ ৫০ হাজার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং ২ লাখ ২০ হাজার বিদেশি কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে দেশটি। কর্মীদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিসার মধ্যে ১ লাখ ৭০ হাজার থাকবে এলএমআইএ মুক্ত ‘ইন্টারন্যাশনাল মোবিলিটি প্রোগ্রাম’-এর অধীনে এবং বাকি ৫০ হাজার দেওয়া হবে ‘টেম্পোরারি ফরেন ওয়ার্কার প্রোগ্রাম’-এর আওতায়।
সূত্র: কানাডা ডট সিএ

১১ লাখ ৪০ হাজার অভিবাসী নেবে কানাডা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

বিদেশে যেতে ইচ্ছুকদের জন্য সুসংবাদ। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চাঙ্গা রাখতে এবং স্থানীয় শ্রমবাজারের ঘাটতি মেটাতে বিশাল অভিবাসন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডা। দেশটির অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব বিভাগ (আইআরসিসি) ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০২৯ মেয়াদে বিশ্বজুড়ে দক্ষ কর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিবাসীদের আকৃষ্ট করতে তিন বছরে মোট ১১ লাখ ৪০ হাজার মানুষকে স্থায়ী বাসিন্দার (পিআর) মর্যাদা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, উল্লিখিত সময়ে নতুন আগতদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ কর্মী এবং ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী নেওয়া হবে। ইন্টারন্যাশনাল মোবিলিটি প্রোগ্রাম এবং টেম্পোরারি ফরেন ওয়ার্কার প্রোগ্রামের অধীনে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।
আইআরসিসির তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর গড়ে ৩ লাখ ৮০ হাজার করে নতুন স্থায়ী বাসিন্দা নেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি ভেদে প্রতি বছরের এই সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ থেকে ৪ লাখ ২২ হাজার করা হতে পারে।
এই পরিকল্পনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দক্ষ পেশাজীবীদের অর্থনৈতিক অভিবাসন কর্মসূচিতে। এর মাধ্যমে তিন বছরে ৭ লাখ ৩৪ হাজার ১০০ জন পিআর সুবিধা পাবেন। এছাড়া পরিবার পুনর্মিলন আওতায় ২ লাখ ৪৩ হাজার, শরণার্থী শ্রেণিতে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯০০ এবং মানবিক আশ্রয়ে ১৫ হাজার জনকে স্থায়ী মর্যাদা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ফরাসিভাষী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়াতে কুইবেক প্রদেশের বাইরে প্রতি বছর ফরাসিভাষীদের জন্য নির্দিষ্ট কোটা বাড়িয়ে ২০২৯ সালের মধ্যে মোট অভিবাসীর ১২ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
স্থায়ী অভিবাসনের পাশাপাশি এই তিন বছরে আরও ১১ লাখ ১০ হাজার জন অস্থায়ী বাসিন্দাকে স্বাগত জানাবে কানাডা। প্রতি বছর ৩ লাখ ৭০ হাজার লোক নেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রতি বছর ১ লাখ ৫০ হাজার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং ২ লাখ ২০ হাজার বিদেশি কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে দেশটি। কর্মীদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিসার মধ্যে ১ লাখ ৭০ হাজার থাকবে এলএমআইএ মুক্ত ‘ইন্টারন্যাশনাল মোবিলিটি প্রোগ্রাম’-এর অধীনে এবং বাকি ৫০ হাজার দেওয়া হবে ‘টেম্পোরারি ফরেন ওয়ার্কার প্রোগ্রাম’-এর আওতায়।
সূত্র: কানাডা ডট সিএ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কানাডার কার্যকর ভূমিকা চান রাষ্ট্রপতি







