‘চাইলাম সার, পাইলাম জেলের ভাত’

‘চাইলাম সার, পাইলাম জেলের ভাত’
তামজিদ হাসান তুরাগ, কুড়িগ্রাম

‘আমি শুধু আমার জমির জন্য সার চাইতে গিয়েছিলাম। হট্টেগোলও করিনি। কাউকে মারিনি। কিন্তু আমার নামে মামলা হলো। পুলিশ ধরলো। জেলও খাটলাম ৮ দিন। সরকার আমাক এই প্রতিদান দিলো। চাইলাম সার আর সরকার খাওয়াইলো জেলের ভাত। এই ছিলোই কী কৃষকের কপালে।’ কথাগুলো বলছিলেন ভুরুঙ্গামারী উপজেলার গনাইরকুটি গ্রামের বাসিন্দা আল আমিন মোল্লা। কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাকে লাঞ্চিত ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় কারাবাস করেন তিনি।
আল আমিন মোল্লা জানান, কৃষকদের হয়রানি করতেই এই মামলা করা হয়েছে । প্রতিবেদকের কথা হয় তার স্ত্রী রওশান আরা বেগমের সঙ্গে। তিনি জানালেন,স্বামীকে মুক্ত করতে তার প্রায় ২০ হাজার টাকা ঋণ করতে হয়েছে। এখন দেড় বিঘা জমিতে ধান চাষাবাদ করা হয়েছে। আবার নতুন করে মামলার হাজিরা খরচ। সব মিলিয়ে আমি দিশেহারা।
একই মামলায় ৮ দিন কারাভোগ করেছেন কৃষক সুরুজ মিয়া। তার ভাষ্য, ‘আমি সার আনতে গেছি কিন্তু মারামারির সময় ছিলাম না। সার তো পাই নাই। উল্টো পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে গেছে। ৮ দিন জেল খেটে বের হইছি। গরিব মানুষ। জামিন নিতে গেছে অনেক টাকা। এখন মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার টাকা কই পামু। আমরা এই হয়রানি থেকে আমি রেহাই চাই।’
মামলার নথিপত্র থেকে জানা গেছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের শহীদ মোড় এলাকার বিএডিসি সার ডিলার আমজাদ হোসেন সার বিতরণের সময় হট্টগোল হয় ও কৃষি কর্মকর্তা লাঞ্চিত করার ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতেই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বার বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা করেন। এতে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও বেশ কয়েক জনকে আসামি করা হয়।
এ মামলায় পুলিশ ঘটনার দিন রাতেই গনাইরকুটি গ্রামের সুলতান মিয়া, সুরুজ মিয়া ও আল-আমি কে আটক করে। পরে সুলতান মিয়াকে ছেড়ে দিয়ে অপর দুইজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৮ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠায় পুলিশ। আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।
কৃষকদের অভিযোগ, সার চাইতে গিয়ে তারা মামলার আসামি হয়েছেন। অন্যদিকে কৃষি কর্মকর্তার দাবি, তাকে অবরুদ্ধ ও মারধরের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গনাইরকুটি গ্রামের একাধিক কৃষক জানান, তারা মামলার পর ভয়ে বাড়িতে থাকছেন না। পুরো গ্রাম রাতে পুরুষ শূন্য থাকে। এই হয়রানি থেকে তারা মুক্তি চান।
বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের ইউনিয়নের গোনাইয়ের কুটি মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শিউলি বেগম। তিনি জানালেন, তার স্বামীর মামলায় নাম আসার পর থেকে তিনি বাড়িতে থাকছেন না। তবে অনিশ্চয়তার কারণে জমিতে কাজে যেতে পারছেন না।’
কৃষক কলিম উদ্দিন জানান, এই মামলায় তার ছোট ভাই আবদুস সালামকেও আসামি করা হয়েছে। ভয়ে সে এখন বাড়িছাড়া। পুলিশ প্রতি রাতেই অভিযান চালাচ্ছে।
বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে ওই গ্রামের কৃষকরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। অজ্ঞাত আসামি থাকায় অনেকেই ভয়ে রাতে বাড়িতে থাকছে না। দ্রুত এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।’
এদিকে মামলা হওয়া পর মামলার বাদী ভুরুঙ্গামারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বারকে বদলি করে কৃষি বিভাগ। সেই সময় গণমাধ্যমকে তিনি জানান, সার বিতরণের সময় বিক্ষোভের একপর্যায়ে তাকে ও অন্য কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, ‘মামলার পর ওই ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হচ্ছে। নিরপরাধ কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না।’
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ জানান, মামলাটি তদন্তাধীন আছে। উপজেলা প্রশাসন সুষ্ঠুভাবে সার বিতরণে কাজ করছে। যারা দোষী নন, তাদের
আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।

‘আমি শুধু আমার জমির জন্য সার চাইতে গিয়েছিলাম। হট্টেগোলও করিনি। কাউকে মারিনি। কিন্তু আমার নামে মামলা হলো। পুলিশ ধরলো। জেলও খাটলাম ৮ দিন। সরকার আমাক এই প্রতিদান দিলো। চাইলাম সার আর সরকার খাওয়াইলো জেলের ভাত। এই ছিলোই কী কৃষকের কপালে।’ কথাগুলো বলছিলেন ভুরুঙ্গামারী উপজেলার গনাইরকুটি গ্রামের বাসিন্দা আল আমিন মোল্লা। কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাকে লাঞ্চিত ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় কারাবাস করেন তিনি।
আল আমিন মোল্লা জানান, কৃষকদের হয়রানি করতেই এই মামলা করা হয়েছে । প্রতিবেদকের কথা হয় তার স্ত্রী রওশান আরা বেগমের সঙ্গে। তিনি জানালেন,স্বামীকে মুক্ত করতে তার প্রায় ২০ হাজার টাকা ঋণ করতে হয়েছে। এখন দেড় বিঘা জমিতে ধান চাষাবাদ করা হয়েছে। আবার নতুন করে মামলার হাজিরা খরচ। সব মিলিয়ে আমি দিশেহারা।
একই মামলায় ৮ দিন কারাভোগ করেছেন কৃষক সুরুজ মিয়া। তার ভাষ্য, ‘আমি সার আনতে গেছি কিন্তু মারামারির সময় ছিলাম না। সার তো পাই নাই। উল্টো পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে গেছে। ৮ দিন জেল খেটে বের হইছি। গরিব মানুষ। জামিন নিতে গেছে অনেক টাকা। এখন মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার টাকা কই পামু। আমরা এই হয়রানি থেকে আমি রেহাই চাই।’
মামলার নথিপত্র থেকে জানা গেছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের শহীদ মোড় এলাকার বিএডিসি সার ডিলার আমজাদ হোসেন সার বিতরণের সময় হট্টগোল হয় ও কৃষি কর্মকর্তা লাঞ্চিত করার ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতেই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বার বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা করেন। এতে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও বেশ কয়েক জনকে আসামি করা হয়।
এ মামলায় পুলিশ ঘটনার দিন রাতেই গনাইরকুটি গ্রামের সুলতান মিয়া, সুরুজ মিয়া ও আল-আমি কে আটক করে। পরে সুলতান মিয়াকে ছেড়ে দিয়ে অপর দুইজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৮ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠায় পুলিশ। আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।
কৃষকদের অভিযোগ, সার চাইতে গিয়ে তারা মামলার আসামি হয়েছেন। অন্যদিকে কৃষি কর্মকর্তার দাবি, তাকে অবরুদ্ধ ও মারধরের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গনাইরকুটি গ্রামের একাধিক কৃষক জানান, তারা মামলার পর ভয়ে বাড়িতে থাকছেন না। পুরো গ্রাম রাতে পুরুষ শূন্য থাকে। এই হয়রানি থেকে তারা মুক্তি চান।
বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের ইউনিয়নের গোনাইয়ের কুটি মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শিউলি বেগম। তিনি জানালেন, তার স্বামীর মামলায় নাম আসার পর থেকে তিনি বাড়িতে থাকছেন না। তবে অনিশ্চয়তার কারণে জমিতে কাজে যেতে পারছেন না।’
কৃষক কলিম উদ্দিন জানান, এই মামলায় তার ছোট ভাই আবদুস সালামকেও আসামি করা হয়েছে। ভয়ে সে এখন বাড়িছাড়া। পুলিশ প্রতি রাতেই অভিযান চালাচ্ছে।
বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে ওই গ্রামের কৃষকরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। অজ্ঞাত আসামি থাকায় অনেকেই ভয়ে রাতে বাড়িতে থাকছে না। দ্রুত এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।’
এদিকে মামলা হওয়া পর মামলার বাদী ভুরুঙ্গামারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বারকে বদলি করে কৃষি বিভাগ। সেই সময় গণমাধ্যমকে তিনি জানান, সার বিতরণের সময় বিক্ষোভের একপর্যায়ে তাকে ও অন্য কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, ‘মামলার পর ওই ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হচ্ছে। নিরপরাধ কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না।’
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ জানান, মামলাটি তদন্তাধীন আছে। উপজেলা প্রশাসন সুষ্ঠুভাবে সার বিতরণে কাজ করছে। যারা দোষী নন, তাদের
আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।

‘চাইলাম সার, পাইলাম জেলের ভাত’
তামজিদ হাসান তুরাগ, কুড়িগ্রাম

‘আমি শুধু আমার জমির জন্য সার চাইতে গিয়েছিলাম। হট্টেগোলও করিনি। কাউকে মারিনি। কিন্তু আমার নামে মামলা হলো। পুলিশ ধরলো। জেলও খাটলাম ৮ দিন। সরকার আমাক এই প্রতিদান দিলো। চাইলাম সার আর সরকার খাওয়াইলো জেলের ভাত। এই ছিলোই কী কৃষকের কপালে।’ কথাগুলো বলছিলেন ভুরুঙ্গামারী উপজেলার গনাইরকুটি গ্রামের বাসিন্দা আল আমিন মোল্লা। কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাকে লাঞ্চিত ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় কারাবাস করেন তিনি।
আল আমিন মোল্লা জানান, কৃষকদের হয়রানি করতেই এই মামলা করা হয়েছে । প্রতিবেদকের কথা হয় তার স্ত্রী রওশান আরা বেগমের সঙ্গে। তিনি জানালেন,স্বামীকে মুক্ত করতে তার প্রায় ২০ হাজার টাকা ঋণ করতে হয়েছে। এখন দেড় বিঘা জমিতে ধান চাষাবাদ করা হয়েছে। আবার নতুন করে মামলার হাজিরা খরচ। সব মিলিয়ে আমি দিশেহারা।
একই মামলায় ৮ দিন কারাভোগ করেছেন কৃষক সুরুজ মিয়া। তার ভাষ্য, ‘আমি সার আনতে গেছি কিন্তু মারামারির সময় ছিলাম না। সার তো পাই নাই। উল্টো পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে গেছে। ৮ দিন জেল খেটে বের হইছি। গরিব মানুষ। জামিন নিতে গেছে অনেক টাকা। এখন মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার টাকা কই পামু। আমরা এই হয়রানি থেকে আমি রেহাই চাই।’
মামলার নথিপত্র থেকে জানা গেছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের শহীদ মোড় এলাকার বিএডিসি সার ডিলার আমজাদ হোসেন সার বিতরণের সময় হট্টগোল হয় ও কৃষি কর্মকর্তা লাঞ্চিত করার ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতেই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বার বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা করেন। এতে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও বেশ কয়েক জনকে আসামি করা হয়।
এ মামলায় পুলিশ ঘটনার দিন রাতেই গনাইরকুটি গ্রামের সুলতান মিয়া, সুরুজ মিয়া ও আল-আমি কে আটক করে। পরে সুলতান মিয়াকে ছেড়ে দিয়ে অপর দুইজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৮ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠায় পুলিশ। আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।
কৃষকদের অভিযোগ, সার চাইতে গিয়ে তারা মামলার আসামি হয়েছেন। অন্যদিকে কৃষি কর্মকর্তার দাবি, তাকে অবরুদ্ধ ও মারধরের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গনাইরকুটি গ্রামের একাধিক কৃষক জানান, তারা মামলার পর ভয়ে বাড়িতে থাকছেন না। পুরো গ্রাম রাতে পুরুষ শূন্য থাকে। এই হয়রানি থেকে তারা মুক্তি চান।
বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের ইউনিয়নের গোনাইয়ের কুটি মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শিউলি বেগম। তিনি জানালেন, তার স্বামীর মামলায় নাম আসার পর থেকে তিনি বাড়িতে থাকছেন না। তবে অনিশ্চয়তার কারণে জমিতে কাজে যেতে পারছেন না।’
কৃষক কলিম উদ্দিন জানান, এই মামলায় তার ছোট ভাই আবদুস সালামকেও আসামি করা হয়েছে। ভয়ে সে এখন বাড়িছাড়া। পুলিশ প্রতি রাতেই অভিযান চালাচ্ছে।
বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে ওই গ্রামের কৃষকরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। অজ্ঞাত আসামি থাকায় অনেকেই ভয়ে রাতে বাড়িতে থাকছে না। দ্রুত এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।’
এদিকে মামলা হওয়া পর মামলার বাদী ভুরুঙ্গামারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বারকে বদলি করে কৃষি বিভাগ। সেই সময় গণমাধ্যমকে তিনি জানান, সার বিতরণের সময় বিক্ষোভের একপর্যায়ে তাকে ও অন্য কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, ‘মামলার পর ওই ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হচ্ছে। নিরপরাধ কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না।’
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ জানান, মামলাটি তদন্তাধীন আছে। উপজেলা প্রশাসন সুষ্ঠুভাবে সার বিতরণে কাজ করছে। যারা দোষী নন, তাদের
আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।









