কেপিআই ঘোষণায় বাণিজ্যিক অনুমোদন হারাচ্ছে নাভানার ১৪ তলা ভবনসহ গুলশানের কয়েকটি স্থাপনা

কেপিআই ঘোষণায় বাণিজ্যিক অনুমোদন হারাচ্ছে নাভানার ১৪ তলা ভবনসহ গুলশানের কয়েকটি স্থাপনা
জুবায়ের আহমেদ

রাজধানীর গুলশান এলাকার নর্থ অ্যাভিনিউ সড়কের একটি অংশকে রাষ্ট্রের বিশেষ শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর থেকে এর আশপাশের বহুতল বাণিজ্যিক ভবনগুলোর বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে নাভানা গ্রুপের নির্মাণাধীন ‘দ্য স্ট্র্যান্ড’সহ অন্তত ৬-৭টি ভবনের বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদন বাতিল করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।
এসব স্থাপনাকে বাণিজ্যিক থেকে আবাসিকে রূপান্তর করে ব্যবহারের সুযোগ রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে গুলশানের ওই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নতুন করে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিতে যাচ্ছে রাজউক। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংস্থাটির দুই জন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সিটিজেন জার্নালকে এটি নিশ্চিত করেছেন। পরবর্তী বোর্ড সভায় আলোচনার জন্য বিষয়টি তোলা হবে এবং সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান ওই দুই কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে রাজউকের একজন সদস্য, পরিচালক, উপপরিচালক ও সংশ্লিষ্ট অথরাইজড অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কেউ আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে সরেজমিন গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউয়ে দেখা যায়, কেপিআইভুক্ত এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেখানে আছে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনও। সড়কটির পাশে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি আবাসন কোম্পানির বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। কোনো কোনো ভবনের কাঠামো নির্মাণ প্রায় শেষ পর্যায়ে, আবার কয়েকটির কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে নাভানা গ্রুপের ‘দ্য স্ট্র্যান্ড’ প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনের সড়কের একেবারে উল্টো পাশে। প্রায় ১৫ কাঠা জমির ওপর নির্মিতব্য ভবনটির তিনটি বেজমেন্টসহ ১১ তলার কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। ভবনটির দক্ষিণ পাশে রয়েছে গুলশান সোসাইটি লেক পার্ক, যেখানে মানুষ হাঁটাচলা করে। উত্তর পাশে রয়েছে স্কলাস্টিকা স্কুলের জুনিয়র ক্যাম্পাস।

নাভানার ‘দ্য স্ট্র্যান্ড’ ভবনটির বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে ভবনের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মী জানান, তিনি নতুন চাকরিতে যোগদান করেছেন। এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবেন না। তবে পাশে থাকা স্কলাস্টিকা স্কুলের জুনিয়র ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাকর্মী আব্দুল রাজ্জাক সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘অনেকদিন ধরেই নাভানার নির্মাণকাজ বন্ধ আছ। তবে মাঝে মাঝে টুকটাক কাজ করতে দেখি।’
নিরাপত্তা বিধিনিষেধে বদলে যাচ্ছে এলাকার চরিত্র
দেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কেপিআইভুক্ত স্থাপনা হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনকে ঘিরে শুধু নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করাই নয়, আশপাশের এলাকার ভবন নির্মাণ এবং ব্যবহারেও বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে। কেপিআই নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী, বিশেষ শ্রেণির স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে নতুন ভবন নির্মাণ, ভবনের উচ্চতা এবং আশপাশের অবকাঠামো ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ থাকে।
কেপিআই নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিশেষ শ্রেণির কেপিআইয়ের সীমানাপ্রাচীর থেকে ২৫ মিটারের মধ্যে কোনো ভবন বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। তবে অনুমতি সাপেক্ষে সর্বোচ্চ একতলা ভবন নির্মাণ করা যেতে পারে। সীমানাপ্রাচীর থেকে ১৫০ মিটারের মধ্যে দুইতলার বেশি ভবন নির্মাণ নিষিদ্ধ। আর ১৫০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে ২৫ ফুটের বেশি উচ্চতার ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে কেপিআই ডিফেন্স কমিটির মতামত নিতে হবে। এ ছাড়া বঙ্গভবন, গণভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের ৫০০ মিটারের মধ্যে ৮ দশমিক ৭৫ মিটারের বেশি উচ্চতার ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে কেপিআই ডিফেন্স কমিটির মতামতের পাশাপাশি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর ছাড়পত্র নেওয়ারও বিধান রয়েছে।
এসব বিধি-নিষেধের ফলে গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউয়ের বাণিজ্যিক ভবনগুলোর অনুমোদন ও ব্যবহার নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবনগুলোর বাণিজ্যিক অনুমোদন বাতিল করে আবাসিক ব্যবহারের উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ বিধিবিধানের আলোকে গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউ রোডের ৬-৭টি স্থাপনা ব্যবহারের শ্রেণি আপাতত পরিবর্তন হবে।
জানতে চাইলে রাজউকের অথরাইজড অফিসার (৪/১) পারভেজ কায়সার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো অফিস আদেশ আমার কাছে আসেনি। এর বেশি মন্তব্য করতে পারছি না।’
একইভাবে রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মো. বশিরুল হক ভূইয়া সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘এ নিয়ে আমার দপ্তর থেকে কোনো কাজ করা হচ্ছে না। এস্টেট শাখায় যোগাযোগ করলে তথ্য পাবেন।’ পরে এস্টেট শাখার দুই জন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
যেভাবে কেপিআই হলো নর্থ অ্যাভিনিউ রোড
গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িটি দীর্ঘদিন ধরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বাসভবন হিসেবে পরিচিত। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাড়িটিতে বসবাস শুরু করেন তারেক রহমান। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও তিনি এ বাড়িতেই বসবাস করছেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ জুন কেপিআই সংক্রান্ত কমিটি (কেপিআইডিসি) মাসিক সভায় গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িটিকে বিশেষ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করে। সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে ১৫ জুন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়। পরে ৩ জুলাই এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ও আশপাশের এলাকা সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় আসে।

কেপিআই কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ
কেপিআইয়ের পূর্ণরূপ ‘কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন’। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, অর্থনীতি কিংবা গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রমের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোকে কেপিআই হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
কোনো স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হলে দেশের যুদ্ধসক্ষমতা, প্রতিরক্ষা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা কিংবা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে—এমন স্থাপনাই কেপিআইয়ের আওতায় পড়ে। বঙ্গভবন, জাতীয় সংসদ ভবন, সচিবালয়, বিমানবন্দর, রাস্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো স্থাপনা এর আওতায় পড়েছে।
কেপিআই ঘোষণা করার মূল উদ্দেশ্য হলো নাশকতা, সন্ত্রাসী হামলা, অনুপ্রবেশ কিংবা যেকোনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষিত রাখা। এ কারণে কেপিআইভুক্ত স্থাপনায় সাধারণ স্থাপনার তুলনায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং প্রবেশ ও চলাচলে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়।
কেপিআই ঘোষণার প্রক্রিয়া ও নীতিমালা
বাংলাদেশে কেপিআই ঘোষণা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। ১৯৯৭ সালে ইংরেজিতে ‘ইনস্ট্রাকশন ফর সিকিউরিটি অব কেপিআই ইন বাংলাদেশ’ প্রণয়ন করা হয়। পরে ২০১৩ সালে তা হালনাগাদ করে বাংলায় ‘কেপিআই নিরাপত্তা নীতিমালা-২০১৩’ করা হয়। নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো স্থাপনাকে কেপিআই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

রাজধানীর গুলশান এলাকার নর্থ অ্যাভিনিউ সড়কের একটি অংশকে রাষ্ট্রের বিশেষ শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর থেকে এর আশপাশের বহুতল বাণিজ্যিক ভবনগুলোর বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে নাভানা গ্রুপের নির্মাণাধীন ‘দ্য স্ট্র্যান্ড’সহ অন্তত ৬-৭টি ভবনের বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদন বাতিল করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।
এসব স্থাপনাকে বাণিজ্যিক থেকে আবাসিকে রূপান্তর করে ব্যবহারের সুযোগ রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে গুলশানের ওই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নতুন করে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিতে যাচ্ছে রাজউক। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংস্থাটির দুই জন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সিটিজেন জার্নালকে এটি নিশ্চিত করেছেন। পরবর্তী বোর্ড সভায় আলোচনার জন্য বিষয়টি তোলা হবে এবং সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান ওই দুই কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে রাজউকের একজন সদস্য, পরিচালক, উপপরিচালক ও সংশ্লিষ্ট অথরাইজড অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কেউ আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে সরেজমিন গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউয়ে দেখা যায়, কেপিআইভুক্ত এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেখানে আছে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনও। সড়কটির পাশে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি আবাসন কোম্পানির বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। কোনো কোনো ভবনের কাঠামো নির্মাণ প্রায় শেষ পর্যায়ে, আবার কয়েকটির কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে নাভানা গ্রুপের ‘দ্য স্ট্র্যান্ড’ প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনের সড়কের একেবারে উল্টো পাশে। প্রায় ১৫ কাঠা জমির ওপর নির্মিতব্য ভবনটির তিনটি বেজমেন্টসহ ১১ তলার কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। ভবনটির দক্ষিণ পাশে রয়েছে গুলশান সোসাইটি লেক পার্ক, যেখানে মানুষ হাঁটাচলা করে। উত্তর পাশে রয়েছে স্কলাস্টিকা স্কুলের জুনিয়র ক্যাম্পাস।

নাভানার ‘দ্য স্ট্র্যান্ড’ ভবনটির বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে ভবনের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মী জানান, তিনি নতুন চাকরিতে যোগদান করেছেন। এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবেন না। তবে পাশে থাকা স্কলাস্টিকা স্কুলের জুনিয়র ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাকর্মী আব্দুল রাজ্জাক সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘অনেকদিন ধরেই নাভানার নির্মাণকাজ বন্ধ আছ। তবে মাঝে মাঝে টুকটাক কাজ করতে দেখি।’
নিরাপত্তা বিধিনিষেধে বদলে যাচ্ছে এলাকার চরিত্র
দেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কেপিআইভুক্ত স্থাপনা হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনকে ঘিরে শুধু নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করাই নয়, আশপাশের এলাকার ভবন নির্মাণ এবং ব্যবহারেও বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে। কেপিআই নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী, বিশেষ শ্রেণির স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে নতুন ভবন নির্মাণ, ভবনের উচ্চতা এবং আশপাশের অবকাঠামো ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ থাকে।
কেপিআই নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিশেষ শ্রেণির কেপিআইয়ের সীমানাপ্রাচীর থেকে ২৫ মিটারের মধ্যে কোনো ভবন বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। তবে অনুমতি সাপেক্ষে সর্বোচ্চ একতলা ভবন নির্মাণ করা যেতে পারে। সীমানাপ্রাচীর থেকে ১৫০ মিটারের মধ্যে দুইতলার বেশি ভবন নির্মাণ নিষিদ্ধ। আর ১৫০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে ২৫ ফুটের বেশি উচ্চতার ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে কেপিআই ডিফেন্স কমিটির মতামত নিতে হবে। এ ছাড়া বঙ্গভবন, গণভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের ৫০০ মিটারের মধ্যে ৮ দশমিক ৭৫ মিটারের বেশি উচ্চতার ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে কেপিআই ডিফেন্স কমিটির মতামতের পাশাপাশি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর ছাড়পত্র নেওয়ারও বিধান রয়েছে।
এসব বিধি-নিষেধের ফলে গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউয়ের বাণিজ্যিক ভবনগুলোর অনুমোদন ও ব্যবহার নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবনগুলোর বাণিজ্যিক অনুমোদন বাতিল করে আবাসিক ব্যবহারের উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ বিধিবিধানের আলোকে গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউ রোডের ৬-৭টি স্থাপনা ব্যবহারের শ্রেণি আপাতত পরিবর্তন হবে।
জানতে চাইলে রাজউকের অথরাইজড অফিসার (৪/১) পারভেজ কায়সার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো অফিস আদেশ আমার কাছে আসেনি। এর বেশি মন্তব্য করতে পারছি না।’
একইভাবে রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মো. বশিরুল হক ভূইয়া সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘এ নিয়ে আমার দপ্তর থেকে কোনো কাজ করা হচ্ছে না। এস্টেট শাখায় যোগাযোগ করলে তথ্য পাবেন।’ পরে এস্টেট শাখার দুই জন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
যেভাবে কেপিআই হলো নর্থ অ্যাভিনিউ রোড
গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িটি দীর্ঘদিন ধরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বাসভবন হিসেবে পরিচিত। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাড়িটিতে বসবাস শুরু করেন তারেক রহমান। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও তিনি এ বাড়িতেই বসবাস করছেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ জুন কেপিআই সংক্রান্ত কমিটি (কেপিআইডিসি) মাসিক সভায় গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িটিকে বিশেষ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করে। সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে ১৫ জুন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়। পরে ৩ জুলাই এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ও আশপাশের এলাকা সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় আসে।

কেপিআই কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ
কেপিআইয়ের পূর্ণরূপ ‘কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন’। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, অর্থনীতি কিংবা গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রমের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোকে কেপিআই হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
কোনো স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হলে দেশের যুদ্ধসক্ষমতা, প্রতিরক্ষা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা কিংবা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে—এমন স্থাপনাই কেপিআইয়ের আওতায় পড়ে। বঙ্গভবন, জাতীয় সংসদ ভবন, সচিবালয়, বিমানবন্দর, রাস্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো স্থাপনা এর আওতায় পড়েছে।
কেপিআই ঘোষণা করার মূল উদ্দেশ্য হলো নাশকতা, সন্ত্রাসী হামলা, অনুপ্রবেশ কিংবা যেকোনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষিত রাখা। এ কারণে কেপিআইভুক্ত স্থাপনায় সাধারণ স্থাপনার তুলনায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং প্রবেশ ও চলাচলে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়।
কেপিআই ঘোষণার প্রক্রিয়া ও নীতিমালা
বাংলাদেশে কেপিআই ঘোষণা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। ১৯৯৭ সালে ইংরেজিতে ‘ইনস্ট্রাকশন ফর সিকিউরিটি অব কেপিআই ইন বাংলাদেশ’ প্রণয়ন করা হয়। পরে ২০১৩ সালে তা হালনাগাদ করে বাংলায় ‘কেপিআই নিরাপত্তা নীতিমালা-২০১৩’ করা হয়। নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো স্থাপনাকে কেপিআই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কেপিআই ঘোষণায় বাণিজ্যিক অনুমোদন হারাচ্ছে নাভানার ১৪ তলা ভবনসহ গুলশানের কয়েকটি স্থাপনা
জুবায়ের আহমেদ

রাজধানীর গুলশান এলাকার নর্থ অ্যাভিনিউ সড়কের একটি অংশকে রাষ্ট্রের বিশেষ শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর থেকে এর আশপাশের বহুতল বাণিজ্যিক ভবনগুলোর বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে নাভানা গ্রুপের নির্মাণাধীন ‘দ্য স্ট্র্যান্ড’সহ অন্তত ৬-৭টি ভবনের বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদন বাতিল করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।
এসব স্থাপনাকে বাণিজ্যিক থেকে আবাসিকে রূপান্তর করে ব্যবহারের সুযোগ রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে গুলশানের ওই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নতুন করে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিতে যাচ্ছে রাজউক। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংস্থাটির দুই জন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সিটিজেন জার্নালকে এটি নিশ্চিত করেছেন। পরবর্তী বোর্ড সভায় আলোচনার জন্য বিষয়টি তোলা হবে এবং সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান ওই দুই কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে রাজউকের একজন সদস্য, পরিচালক, উপপরিচালক ও সংশ্লিষ্ট অথরাইজড অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কেউ আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে সরেজমিন গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউয়ে দেখা যায়, কেপিআইভুক্ত এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেখানে আছে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনও। সড়কটির পাশে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি আবাসন কোম্পানির বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। কোনো কোনো ভবনের কাঠামো নির্মাণ প্রায় শেষ পর্যায়ে, আবার কয়েকটির কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে নাভানা গ্রুপের ‘দ্য স্ট্র্যান্ড’ প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনের সড়কের একেবারে উল্টো পাশে। প্রায় ১৫ কাঠা জমির ওপর নির্মিতব্য ভবনটির তিনটি বেজমেন্টসহ ১১ তলার কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। ভবনটির দক্ষিণ পাশে রয়েছে গুলশান সোসাইটি লেক পার্ক, যেখানে মানুষ হাঁটাচলা করে। উত্তর পাশে রয়েছে স্কলাস্টিকা স্কুলের জুনিয়র ক্যাম্পাস।

নাভানার ‘দ্য স্ট্র্যান্ড’ ভবনটির বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে ভবনের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মী জানান, তিনি নতুন চাকরিতে যোগদান করেছেন। এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবেন না। তবে পাশে থাকা স্কলাস্টিকা স্কুলের জুনিয়র ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাকর্মী আব্দুল রাজ্জাক সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘অনেকদিন ধরেই নাভানার নির্মাণকাজ বন্ধ আছ। তবে মাঝে মাঝে টুকটাক কাজ করতে দেখি।’
নিরাপত্তা বিধিনিষেধে বদলে যাচ্ছে এলাকার চরিত্র
দেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কেপিআইভুক্ত স্থাপনা হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনকে ঘিরে শুধু নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করাই নয়, আশপাশের এলাকার ভবন নির্মাণ এবং ব্যবহারেও বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে। কেপিআই নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী, বিশেষ শ্রেণির স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে নতুন ভবন নির্মাণ, ভবনের উচ্চতা এবং আশপাশের অবকাঠামো ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ থাকে।
কেপিআই নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিশেষ শ্রেণির কেপিআইয়ের সীমানাপ্রাচীর থেকে ২৫ মিটারের মধ্যে কোনো ভবন বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। তবে অনুমতি সাপেক্ষে সর্বোচ্চ একতলা ভবন নির্মাণ করা যেতে পারে। সীমানাপ্রাচীর থেকে ১৫০ মিটারের মধ্যে দুইতলার বেশি ভবন নির্মাণ নিষিদ্ধ। আর ১৫০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে ২৫ ফুটের বেশি উচ্চতার ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে কেপিআই ডিফেন্স কমিটির মতামত নিতে হবে। এ ছাড়া বঙ্গভবন, গণভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের ৫০০ মিটারের মধ্যে ৮ দশমিক ৭৫ মিটারের বেশি উচ্চতার ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে কেপিআই ডিফেন্স কমিটির মতামতের পাশাপাশি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর ছাড়পত্র নেওয়ারও বিধান রয়েছে।
এসব বিধি-নিষেধের ফলে গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউয়ের বাণিজ্যিক ভবনগুলোর অনুমোদন ও ব্যবহার নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবনগুলোর বাণিজ্যিক অনুমোদন বাতিল করে আবাসিক ব্যবহারের উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ বিধিবিধানের আলোকে গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউ রোডের ৬-৭টি স্থাপনা ব্যবহারের শ্রেণি আপাতত পরিবর্তন হবে।
জানতে চাইলে রাজউকের অথরাইজড অফিসার (৪/১) পারভেজ কায়সার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো অফিস আদেশ আমার কাছে আসেনি। এর বেশি মন্তব্য করতে পারছি না।’
একইভাবে রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মো. বশিরুল হক ভূইয়া সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘এ নিয়ে আমার দপ্তর থেকে কোনো কাজ করা হচ্ছে না। এস্টেট শাখায় যোগাযোগ করলে তথ্য পাবেন।’ পরে এস্টেট শাখার দুই জন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
যেভাবে কেপিআই হলো নর্থ অ্যাভিনিউ রোড
গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িটি দীর্ঘদিন ধরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বাসভবন হিসেবে পরিচিত। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাড়িটিতে বসবাস শুরু করেন তারেক রহমান। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও তিনি এ বাড়িতেই বসবাস করছেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ জুন কেপিআই সংক্রান্ত কমিটি (কেপিআইডিসি) মাসিক সভায় গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িটিকে বিশেষ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করে। সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে ১৫ জুন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়। পরে ৩ জুলাই এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ও আশপাশের এলাকা সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় আসে।

কেপিআই কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ
কেপিআইয়ের পূর্ণরূপ ‘কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন’। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, অর্থনীতি কিংবা গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রমের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোকে কেপিআই হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
কোনো স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হলে দেশের যুদ্ধসক্ষমতা, প্রতিরক্ষা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা কিংবা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে—এমন স্থাপনাই কেপিআইয়ের আওতায় পড়ে। বঙ্গভবন, জাতীয় সংসদ ভবন, সচিবালয়, বিমানবন্দর, রাস্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো স্থাপনা এর আওতায় পড়েছে।
কেপিআই ঘোষণা করার মূল উদ্দেশ্য হলো নাশকতা, সন্ত্রাসী হামলা, অনুপ্রবেশ কিংবা যেকোনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষিত রাখা। এ কারণে কেপিআইভুক্ত স্থাপনায় সাধারণ স্থাপনার তুলনায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং প্রবেশ ও চলাচলে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়।
কেপিআই ঘোষণার প্রক্রিয়া ও নীতিমালা
বাংলাদেশে কেপিআই ঘোষণা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। ১৯৯৭ সালে ইংরেজিতে ‘ইনস্ট্রাকশন ফর সিকিউরিটি অব কেপিআই ইন বাংলাদেশ’ প্রণয়ন করা হয়। পরে ২০১৩ সালে তা হালনাগাদ করে বাংলায় ‘কেপিআই নিরাপত্তা নীতিমালা-২০১৩’ করা হয়। নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো স্থাপনাকে কেপিআই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

‘তারকা হাসপাতাল’ স্কয়ারের ভবনেও এত অনিয়ম
ভয়ংকর মরণফাঁদ বিএমইউর সি ব্লক
বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক সংকটে দায়সারা পাঠদান, নাজুক মাধ্যমিক শিক্ষা







